
বক্তব্যের জন্য ডাকা হল ইসলামি রিপাবলিক অফ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট
জেনারেল জিয়াউল হক কে।
বক্তব্য দিতে আসলেন। এসে কিছু না বলে চুপচাপ মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে গেলেন। শুরু হল সুমধুর তেলাওয়াত
"আউজুবিল্লা হিমিনাশ শাইতনীর রজীম...
বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম.."
জাতিসংঘের ইতিহাসে যেখানে বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের প্রধান ছিলেন বিধর্মী প্রথম বারের মত সেখানে কালামে হাকীম থেকে তেলাওয়াতের মাধ্যমে বক্তব্য শুরু করলেন। প্রায় ৩ মি ২২ সেকেন্ডের মত কোরান তেলাওয়াত চলল,
আমি একটি বারের জন্যও জিয়াউল হক (রহ) কে লড়তে দেখিনি। পুরো জাতিসংঘে তখন বিরাজ করছিল পিন পতন নীরবতা।
রুশদের অপারেশন "Z" এ আল্লার ডাকে সারা দিয়ে পরকালে পারি দিয়েছিলেন এই কিংবদন্তী। কেন জানি আজ তাকে খুব মনে পড়ছে।
ইসলামের প্রতি অঢেল ভালবাসা আর কুফফারদের বিরুদ্ধে অটল নীতি অবলম্বন করে তিনি জাতিসংঘের আবু জেহেলগুলোর মাঝেও যে ত্রাসের সৃষ্টি করে গেছেন তৎকালীন বিশ্ব রাজনীতিতে তা বিরল এক বিরল দৃষ্টান্ত।
আফগান যুদ্ধে যিনি নিজে পরিদর্শন করেছেন যুদ্ধক্ষেত্র।হাতে ক্লাশিনকোভ নিয়ে যিনি সরাসরি শিখিয়েছিলেন রাশিয়ান লাল কুত্তাদের কিভাবে খতম করতে হয়,
তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, নেই সেই মুজাহিদদের নয়নের মনি।
আজো মুসলমানদের ক্রান্তিলগ্নে এমন একজন খাদেমুল মুজাহিদি বিশ্বের জন্য খুব দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


