আমি ভাল আছি। আমি আর যেতে চাইনা সেই কূপের পাশে। মারিজুয়ানার মত নেশা আর প্রচণ্ড মোহ মায়া আমাকে আবার ডাকছে। এ মোহ হচ্ছে কূপের গভীরতার মাঝে। অজানা এক এক্সটাসি কাজ করে এখানে। হয়ত মানুষের বা আমার ডি.এন.এ এর বাতিক এটা। না আমি চাইনা আর ঘুরে ঘুরে এর গভীরতা মাপতে। তাদের কথা আলাদা যারা শক্ত-সামর্থ্য, যারা অশুভ শক্তি নিয়ে খেলতে পছন্দ করে তাদের কাছে এ গভীরতা এক ধরনের ফ্যান্টাসি। সাপুড়ের সাপ নিয়ে খেলার মত আনন্দ পায় এরা। তারা একবার, বার বার ঘুরে হয়ে উঠেছে অদংশনীয়। আমি নেড়া তাই দ্বিতীয় বার যেতে ভয় পাই। যদি আবার কোন অশুভ শক্তি আমাকে ফেলে দেয় ঐ কূপের মাঝে!!
........................সেই কূপে আছে রক্ত স্রোত, বিষাক্ত হেমলক যা মৃত্যু নয় বাচিয়ে রেখে মৃত্যু যন্ত্রণা দেয়। এখানে আছে ছোট বড় আজস্র বিচ্ছু যার এক একটা কামড় তৈরি করে স্মৃতি কাতরতা-মস্তিস্ক বিকারতা। তখন সেচ্ছায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করাই হয়ে ওঠে একান্ত মন কামনা। মরে গিয়েও বেচে থাকি। হঠাৎ উপর পানে চোখ যায় আমার। আমি দেখি আলো – শুনি পাখির ডাক। বুঝতে পারি জীবনের লক্ষ-উদ্দেশ্য আর আমর দায়িত্ব-কর্তব্য।
দেয়াল কামড়ে কামড়ে, হাতে মুমূর্ষু আত্মাটা নিয়ে বহু কষ্টে বেরিয়ে আসি কূপ থেকে। পৃথিবীর আলো-পানিতে শুশ্রূষা করতে থাকি মুমূর্ষু আত্মাকে। সে কিছুটা বল পাচ্ছে – ফিরে পাচ্ছে জীবনী শক্তি। আমি আবার শুনতে পাচ্ছি সেই প্রচণ্ড মোহ মায়ার ডাক। না আর না!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




