"লাগ ভেলকি, লাগ ভেলকি
আয়নাবাজির ভেলকি লাগ।"
সত্যিই প্রথম বারেই অমিতাভ রেজা আয়নাবাজির ভেলকি লাগিয়ে দিলো। আর চঞ্চল চোধুরী তো এক কথায় অসাধারণ। ইনাদের হাত দিয়ে সিনেমা হলগুলো আবার হাউজফুল হতে শুরু করল।
আমি মাঝেমাঝেই হলে গিয়ে বাংলা সিনেমা দেখি। তবে বাংলা সিনেমা বলতে মানুষ যে তাচ্ছিল্যের সুর টানে, এরকম আর কয়েকটা সিনেমা যদি ঢালিউড থেকে বের হয়, তবে সত্যিই সেই তাচ্ছিল্যটা আর থাকবে না।
আজকে বলাকা সিনেমা হলে বন্ধুরা মিলে আয়নাবাজি দেখলাম। আয়নাবাজি সিনেমার কাহিনী, লোকেশন, ক্যামেরা কোয়ালিটি, অভিনয় সব কিছুই চমৎকার।
শরাফত করিম আয়নার (চঞ্চল চোধুরী) মায়ের ক্যানসার। চিকিৎসার জন্য প্রচুর টাকা প্রয়োজন। আয়না সামান্য স্কুল মাস্টার। কে দিবে এতো টাকা?
তখন আয়না জড়িয়ে পরে এক আজব কাজে। তার একমাত্র সম্বল অন্যকে নকল করার অসাধারণ গুণ। সে শুরু করলো অন্যের বদলে জেল খাটা। এক কথায় জেলখানায় প্রক্সি দেয়া। কখনো কোন দুশ্চরিত্র ব্যবসায়ীর হয়ে, আবার কখনো কোন দুধের শিশুর প্রক্সি। কখনো দুই মাস, কখনো ছয় মাস। সেভাবেই টাকা লেনদেনের চুক্তি।
এর মধ্যেই চঞ্চল নাবিলার অসঙ্গায়িত কিছু একটা হয়ে যায়। ঠিক প্রেম বলা চলে না। বন্ধুত্বের চেয়ে বেশী কিন্তু প্রেমের চেয়ে কম।
সে ঠিক করে এই কাজ আর করবে না। কিন্তু আবার বাধ্য হয় এক রাজনৈতিক নেতার হয়ে প্রক্সি দিতে। তবে এবার আর বাঁচার উপায় নেই। হয়ে যায় ফাঁসির আদেশ।
শেষ পর্যন্ত ফাঁসি কি হলো? চঞ্চল নাবিলার মিল কি হলো?
অনেক বলে ফেলেছি। আর বলবো না। বেশী বললে পাইরেসীর কেস খেয়ে যেতে পারি।
বাকিটা নগদ টাকা খরচ করে দেখে আসুন। কথা দিচ্ছি লস্ হবে না। পয়সা উসুল হবেই। শিটি বাজাতে না পারলে শিখে যান। শিটি বাজাতে ইচ্ছা করবেই। আর হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হলে আমি বা অমিতাভ রেজা দায়ী নই।
আর হল থেকে ফিরে আইএমডিবি রেটিং এ ১০ এ ১০ দিতে কিন্তু ভুলবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৮:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




