যতোবার স্পর্শ করতে গিয়েছি পুড়েছে শরীর , নয়তো মনের সিঁন্দুকে লেগেছে আগুন।
ওটা ধরে দেখবার স্পর্ধা কোন দিনও হয় নি।
প্রিয় মানুষের বুকে মুখ গুঁজে আদর করতে গিয়ে ধাক্কা লেগেছে অন্য রমনীর শরীরের গন্ধ ;
তার ঠোঁটজোড়া যখন গভীর আলিঙ্গনে আমার ঠোঁটে খেলা করছে তখনো সেই ছায়া তাড়া করেছে প্রতিনিয়ত।
কোমর জড়িয়ে রাখা ফটোগ্রাফের দিকে চোখ রাখলেই মনে হয়েছে –এইতো কেউ একজন পিছে থেকে হেঁটে গেলো ,
এই ভাবেই প্রতিমুহূর্তে অন্য এক সুদর্শনা আমার ভালোবাসার মাঝখানে স্বচ্ছ কাঁচের মতোন দাঁড়িয়ে থাকে।
আমি যতোবার তার কাছে যেতে চাই ততোবারি ছিটকে পড়ি দূরে, অনেক দূরে –
যতোটা দূরে গেলে মনের মানুষের কাছে আর ফিরে আসা যায় না ততোটাই দূরে।
আমার ঘাড় থেকে নিতম্বে তার স্পর্শ লেগে থাকে কেবল ,
কিন্তু ধরে রাখতে পারেনা কিছুতেই।
জানি,ভালোবাসা বিহীন শরীরের আনাগোনা কেবল লবন ছাড়া তরকারীর স্বাদ ছাড়া বেশি কিছু না,
আমি সেই বিস্বাদ কোন দিন সর্বাঙ্গে ধারন করিনি।
আমি ভালোবেসেছি, ভোগ করিনি কোন দিন।
ভালোবাসার জন্যে কোন দিবস আমার কাছে নেই ;
ভ্যালেন্টাইন শব্দটাও একদম অজানা।
প্রতিটা মুহূর্ত আমি অপেক্ষা করি কোন এক তরতাজা অনুভূতির জন্যে ,
যা এদিক ওদিক দৌড়ে বেড়ায় না।
কেবল আমাকে ঘিরেই বিরাজ করবে তার ভ্রাম্যময়তা।
যদি ষাটের কোঠায় গিয়ে তার জন্যে আমাকে অপেক্ষা করতে হয়-মন্দ কি?
ছেলে মেয়েকে বিয়ে দিয়ে নির্ঝঞ্ঝাট আমি প্রতীক্ষা করবো এক গাদা সাদা চুল মাথায় নিয়ে।
শুধু বিধাতা আমায় সেই দিন টির জন্যে বাঁচিয়ে রাখুন - এটাই কেবল প্রার্থনা।
(ভ্যালেন্টাইন্সের শুভেচ্ছা বানী দেইখাই আমি অস্থির।যার কাছে ভালো বাসা মানে কেবল দুইটা বেড রুম আর সাথে বারান্দা তার কাছে ভালোবাসা দিবস আলাদা কইরা কোন মাইনে রাখে না।শুভেচ্ছা সবাইকে।)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



