



"After Beheading, Indonesia Bars Maids from Work in Saudi Arabia"
-TIME
ইন্দোনেশিয়ান জনৈক এক নারীর শিরোচ্ছেদের ঘটনার পর ঠিক এমনি একটি সংবাদ প্রচার করে টাইম...
২০১১ সালের ২৩ জুনে ইন্দোনেশিয়ান সরকার সরকারি ভাবে ঘোষনা দেন সৌদিতে নতুন করে আর কোন গৃহকর্মী তারা পাঠাচ্ছেন না এবং সময় বেধে দেন সৌদিতে থাকা তার দেশের সব ওয়ার্কারকে স্বদেশে ফেরত যেতে...
মুলত তখন থেকেই সৌদিতে শুরু হয় গৃহকর্মী হাহাকার,
Human right watch এর মতে, সৌদি আরব গৃহকর্মীদের জন্য খুবই ভয়ানক জায়গা যেখানে সেক্সুয়াল ভায়ালেন্স থেকে শুরু করে একজন গৃহকর্মী শারীরীক মানসিক নানা সমস্যায় পতিত হন,
জনৈকা গৃহকর্মীর উপর শারীরীক অত্যাচারের একটি ঘটনা নিয়ে ১০ জানুয়ারী ২০১১ তে একটি নিউজ করেছিলো বিবিসি এটা তার লিংক Click This Link
ইন্দোনেশিয়ান কর্মী পাঠানো বন্ধ হওয়াতে যে সৌদি সরকার অন্য চেষ্টা করেনি ঠিক তা নয়
পর্যায়ক্রমে প্রচেষ্টা চলেছে নাইজেরিয়া, ইথোপিয়া, কেনিয়া ও আরো অনেক আফ্রিকান দেশ থেকে গৃহকর্মী আনার কাজ, এসেছেও অনেক তবে খর্বকৃাতি, কদাকার, পুরোপুরি উল্টো সংস্কৃতি, জাতিগত ভাবে ইন্দোনেশিয়দের মত নিরীহ না হওয়া ও ভাষাগত বিশাল সমস্যার কারনে মনে শান্তি মেলেনি তাদের ।
এর পরই মুলত তাদের বদ নজর পড়ে বাংলাদেশের দিকে !!!!
সৌদিতে বর্তমানে এমন পরিস্থিতি, থেকে যাওয়া অধিকাংশ ইন্দোনেশিয়ান ও ফিলিপিনোরা এখন পার্টটাইম জব করেন সৌদিদের বাসায় ও বিভিন্ন পলি ক্লিনিক গুলোতে যাদের গড় মাসিক ইনকাম ৩৫০০ থেকে ৪০০০ রিয়াল !!
আর যারা নিয়োগকর্তার বাসায় কাজ করেন তাদের বেতন গড়ে ২০০০ রিয়াল।
এই বাস্তবতায় ৮০০ রিয়ালে বেতনে সৌদিতে বাংলাদেশ সরকারের গৃহকর্মী পাঠানো যেমন হাস্যকর তেমনি এ উদ্যোগ গরীব নারীগুলোকে ধাক্কা মেরে আগুনে ফেলে দেয়ারই শামিল,
সৌদি সরকার যে আমাদের উপর দয়া দেখাচ্ছে ভিসা খুলে এমনটা ভাবার কোনই অবকাশ নেই তারা যে ভীষন বিপদে পড়েই বাংলাদেশ মুখী হয়েছে এটা পরিস্কার আর জনস্বার্থে এই গুরুত্বপুর্ন ব্যপারটা দালাল মিডিয়া গুলো একটা বারের জন্যও সামনে আনার চেষ্ট করলো না তারা যে কত বড় সরকারের পদলেহন কারী তা দেখার মতই ঘটনাই এখন,
সবশেষ বলি, ভাই যারা সৌদি যাচ্ছে তারা আপনার আমার মতই কারো না কারো মা বোন জন সচেতনতা গড়তে শুধু একবার আপনি কষ্ট করে গুগুল সার্চ বক্সে "Indonesian Woman in saudi arabia" এটি লিখে ঘেটে দেখুন আশা করি আর যাই হোক অন্তত আমাকে মিথ্যুক বলবেন না !!!
নিচে কিছু লিংক দেয়া আছে নিউজ গুলো পড়ে দেখতে পারেন...
http://www.hrw.org/en/reports/2008/07/07/if-i-am-not-human-0
https://themuslimissue.wordpress.com/…/saudi-human-slavery…/
http://www.emirates247.com/…/saudi-human-rights-group-backs…
আমার নিজ চোখে দেখা একটি ঘটনা শুনুনঃ
একটি মেয়েকে কি ভাবে অত্যাচার করে । বিশাল বড় বাড়িতে মাত্র এক জন গৃহ কর্মী । তাদের তো ছেলে সন্তানের অভাব নেই । একেক জন ৩ -৪ টা বিয়ে করে । একজন ৬০ অর্ধ সৌদিইয়ানেরও ৪-৫ বছর এর সন্তান আছে । প্রত্যেক টা পরিবারে কম করেহলেও ২০ জন সদস্য হবে । এতো গুলো মানুষের দেখবাল করার জন্য শুধু একটা'ই কাজের মেয়ে । রান্না বান্না থেকে শুরু করে ঘরের প্রত্যেকটি কাজ মেয়ে টা একা একা করে । একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে
, ইভেন্ট এর কাজ করতে গিয়ে মেয়েটার দুঃখের গল্প শুনে আসি । মেয়েটাকে যেতেও দেয় না... অনেক বার চেষ্টা করেও মেয়েটা ব্যর্থ হয় । ৬-৭ বছর ধরে এখানে । এভাবেই মেয়েটা তার কষ্টের কথা গুলো আমাদের কয়েক জন কে বলেছে । খুব খারাপ লাগলো মেয়েটার বন্ধী জীবন দেখে । এদের মানুষ গুলো কেউ কাউকে সম্মান করতে জানে না । বাপ ছেলে বসে একসাথে সিগারেট টানে , টাস খেলে ।
খারাপ কথা বলে । অনেকের মুখে শুনেছি , অনেক সৌদি বাপ ছেলে মিলে কাজের মেয়ের সাথে খারাপ কাজ করে । কাজের মেয়েকে মার ধর করে । এমন অনেক ঘটনার নজির রয়েছে ।
তার পর তারা ইন্ডিয়ান হাউজ ড্রাইভার এনেছে । এক জন হাউজ ড্রাইভার কে দিয়ে সব কাজ করানো নয় । যদিও তাকে শুধু গাড়ী চালানোর কথা বলে আনা হয় । এজন্য ইন্ডিয়ান ড্রাইভার একবার দেশে ছুটিতে গেলে আর ফিরে আসে না ।
আর সৌদি তে কাজের দিক দিয়ে সব চেয়ে কর্মঠ এবং দক্ষ শ্রমিক হচ্ছি আমরা ।
সৌদি রা কোন কাজের জন্য সবার আগে বাংলাদেশী দের খোজে । আমরা যত সহজে , যত দ্রুত আরাবিক বলতে পারি ... এক জন ইন্ডিয়ান শ্রমিকের ভাষা শিখতেই এক- বছর সময় লেগে যায় ... সেখানে এক জন বাংলাদেশী ৩ মাসের মধ্যে আরাবিক ভাষা শিখে যায় । এই নিয়ে অনেক সৌদি আমাদের প্রশংসা করেছেন ।
সৌদি তে জনশক্তি রপ্তানি করা হোক এতে কোন সমস্যা নেই । কিন্তু গৃহ কর্মী কেন ? নারীদের জন্য এখানে আরও অনেক পোস্ট রয়েছে ... হাসপাতাল , ক্লিনিক , এবং বড় বড় অনেক ফ্যাক্টরি তেও মেয়ে রা কাজ করছে । প্রশিক্ষণ দিয়ে সেই সব , পোস্টে নারী কর্মী আনাহক । তবুও গৃহ কর্মী নয় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



