ইসলামের ইতিহাসে মুসলমানদের যত ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, তা কিন্তু পরাজিত শত্রুদের সাথে করা শান্তিচুক্তির অবকাশের মাধ্যমেই হয়েছে ।
তারা শান্তিচুক্তি কখন করে ? যখন তারা পরাজিত হচ্ছে, এটা সুনিশ্চিৎ হয় । সূক্ষ্ম কৌশলী কুট চালের মাধ্যমে চুক্তি করা হয় ।
সেই তথাকথিত যুদ্ধবিরতির অবকাশে শত্রুরা নতুন করে আরো শক্তি সঞ্চয় করে । মুসলিমদের মধ্যে লোভী মানুষদের দিয়ে খুব শক্তিধর গাদ্দার তৈরী করে । তাদের মাধ্যমে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ বাধিয়ে নিজেদেরেই ভাইদের হত্যা করে দুর্বল করে । তারা অবকাশ পেয়ে যখন গোপনে আরো প্রচন্ড শক্তি সঞ্চিত করতে সক্ষম হবে, তখন এই মুসলিমদের ভেতর থেকেই আত্মঘাতি গাদ্দার তৈরী করে শত্রুর বিরুদ্ধে কোন তুচ্ছ একটা ঘটনা ঘটিয়ে চুক্তি লংঘনের দায় চাপিয়ে আরো ভয়ানক শক্তি দিয়ে তাদের অবশিষ্ট দুর্বল অংশকে ধ্বংস করে দিবে । এটাই হয়ে আসছে চিরকাল ।
সমগ্র মুসলিম বিশ্ব যদি এটা বুঝতে ভুল করে, তাহলে তারা চরম ভুল করবে । চোখ , কান খোলা রেখে সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকতে পারে, গাদ্দারদের চিহ্নিত করতে না পারে, তাহলে বর্তমান বিভাজিত মুসলিমরা ধ্বংস হয়ে যাবে ।
মনে রাখা দরকার, মোনাফেক মুসলমানদের আল্লাহ দুনিয়াতে সফল হতে দিবেন না । মোনাফেকী থেকে মুক্ত হওয়া খুবই জরুরী ।
আল্লাহ আমাদের সুবুদ্ধি দান করুন ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

