somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ইবলি
আমিই নিয়তি,এ বুকেই তীব্র ডুবে মরে
প্রতিদিন দুদ্দু শাহ,প্রতিদিন লালন ফকির.....
একতারা খানখান,নীল হলো আমার জহরে
আমি সেই এপিটাফ,আমি সেই অক্ষরের পির

"মে" হওয়া কি মুখের কথা!!?

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পরমানু বোমা~১ (আমিই সেই মেয়ে)
‘আমি এক মে। আমি গল পাকে থাকি। আমার দু চখ, দু কান, দু হাত, এক বুক, এক পেট আছে।’ মেয়েত্বের এই অপূর্ব ঘোষণার সামনে স্তব্ধ হয়ে ভাবি হয়তো অপাপবিদ্ধা বালিকারাই এমন আশ্চর্য কনভিকশন দেখাতে পারে - আমরা পাপী-তাপী দড়কচা বৃদ্ধ ভাম, আমরা হাতড়েই মরি কেবল।
গোল পার্কের বাসিন্দা এই ছ’ বছরের বালিকার আত্মউপলব্ধির পরতে পরতে রয়েছে নিজের সম্পর্কে স্বচ্ছতা, দৃঢ়তা ও বিশ্বাস। সে শুরুই করে এই বিশ্বাস থেকে যে সে একটি মেয়ে। এবং এই মেয়ের নিজের মেয়ে হয়ে ওঠা বিষয়ে স্বচ্ছ ও দৃঢ়। তার দুটি চোখ, দুটি কান ও দুটি হাতের সমাবেশ তাকে মেয়ে করেছে তো বটেই, এমনকি তার যে একটি বুক ও একটি পেট আছে যা তাকে ফারদার মেয়ে করে তুলেছে, এটাও সে জানে। হৃদয়, মস্তিস্ক, শরীর ও আত্মার এ এক অনন্য সাযুজ্য!
এখান থেকে আসি পাপী-তাপীদের কথায়। মেয়ে আমি, এই যে আমার পরিচয়, তা পেয়েছিলাম কোথা থেকে? যতদূর পেছিয়ে ভাবতে পারি তাতে মনে হয় খেলার মাঠে আমাকে প্রথম মেয়ে বলা হয়েছিল। সমবয়সী বা একটু ছোটো ছেলেদের ক্রমাগত পিটিয়ে যাবার ফলে একদিন তারা মোক্ষম ঘোষণা করেছিল, ও মেয়ে - ওকে আমাদের দলে খেলতে নেব না। দল থেকে বাদ পড়ার সেই মুহূর্ত, আমার সেলফ রিয়ালাইজেশনের পথে সম্ভবত প্রথম পদক্ষেপ।
তারপর তো সব মেয়ের অর্থাৎ বায়োলজিক্যাল মেয়ের শরীরে যা ঘটে সেই অমোঘ নারীত্ব আমাকে আবার মেয়ে করল। মানে রজস্বলা হওয়ার সাথে সাথে তাকে কেন্দ্র করে যা কিছু ঘটতে থাকে তাতে আর মেয়ে না হয়ে কারো উপায় থাকে কী? আমিও সেই আঁশটে ন্যাকড়া কাচতে কাচতে, পাঁচিলের কোনায় লুকিয়ে শুকোতে দিতে দিতে, স্কুল ড্রেসে দাগ লুকোনোর জন্যে কালির ছোপ ফেলতে ফেলতে, ঠাকুর না ছোঁয়া, খেলতে না যাওয়া, ছেলেদের সঙ্গে ধিঙ্গিপনা না করা - ইত্যাদি অনর্গল বকুনি শুনতে শুনতে পুরোপুরি মেয়ে হয়ে গেছিলাম।
এই সময় থেকেই দুই চোখ, কান, হাত ও এক বুক, পেটের সরল হিসাবের সঙ্গে একটা কঠিন ক্যালকুলেশনও জুড়ে গেছিল যা এই ছ’ বছুরেটির জানার কথা নয়। জরায়ু প্লাস ডিম্বাশয় - আমার সুখের মূল এবং দুখেরও।
১২/১৩ বছর নাগাদ যখন শরীর জুড়ে হরমোনেরা খেলা করতে শুরু করে তখন সে খুবই জটিল সময়। সরলা বালিকারা তখন থেকেই জটিলা-কুটিলা টাইপ হয়ে যায়। মা’র কথা শোনে না, ছোটো ছোটো জিনিস নিয়ে তোল মাটি ঘোল, বন্ধুরাই তখন সব, তাদের সঙ্গে দিবারাত্রি গুজুর-গুজুর ফুসুর-ফুসুর, ছেলে চাটা শুরু হয়ে যায়, তাদের মধ্যে আরও নচ্ছার যেগুলো তারা ম্যাসটারবেশনও শিখে ফেলে – মানে জঘন্য!
যদিয়ও এই জঘন্য পথেই সবার আনাগোনা ছিল একদিন, মানে ১২-১৩র পথে না চলে তো কেউ ৫২-৫৩ তে পৌছয় না, তবু কনভিনিয়েন্টলি আমরা তা ভুলে যাই। ওসব আমাদের কক্ষনো হয় নি, ওসব আমরা কক্ষনো করিনি! অথচ আমাদের সবার জরায়ু ও ডিম্বকোষ থেকে (ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরা মাফ করবেন, খুব অ্যাকিউরেট বর্ণনা নয় এটা) মেয়ে হরমোন বেরিয়ে বিকট বাঙলা ডান্স করে, করতে বাধ্য! মেয়ে হরমোনের এই তাতা থইথই আমাকে আবারও মেয়ে করেছিল – আমার কামনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।
এইখানে একটা স্লাইট গোলযোগ আছে। একটু আগের ব্যাখ্যায় ছেলে-চাটা বলে একটা কথা লিখেছি যা মেয়ে হয়ে ওঠার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে একটি। কিন্তু কারো কারো মেয়ে হয়ে ওঠার মধ্যে ছেলে চাটা ছাড়াও আরও নানা কিছু থাকে, মানে নানা কিছু চাটা থাকে। আমি মেয়েদেরও চাইতাম কিন্তু স্পষ্টত জানতাম না সেটা ঠিক কীরকম ভাবে হতে পারে। ছেলেরা যেভাবে মেয়েদের চায় আমি নিজের মধ্যে সেই কামনার ছায়া দেখতে পাইনি, মেয়েদের চাইছি বলে যে আমি নিজে মেয়ে নাও হতে পারি এ সংশয় কখনো মনের মধ্যে আসেনি। এও সেই ছ’ বছুরের অনড় বিশ্বাস, আমি মেয়ে, তবু মেয়েকে কামনা করছি-র ক্ল্যারিটি।
এইভাবে মেয়ে বলে একটা বিশেষ শারীরিক-মানসিক অবস্থানের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলাম। মেয়েদের মতো শরীরের গড়ন আমার, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল সমাবেশ (যোনি-জরায়ু- ডিম্বাশয় কম্বিনেশন) মেয়েদের শরীরের নিয়ম মেনেই ঘটেছে, সেই শরীরকে যেভাবে সাজাচ্ছি তাও বেশ কিছুদুর অবধি সমাজ মেয়ে বলতে যা বোঝায় সেই নিয়মের সঙ্গে খাপ খেয়ে গেছে। নিজের মনের মধ্যেও নিজেকে মেয়ে ছাড়া আর কিছু বলেই ভাবছি না। কেবল কামনার বস্তু হিসাবে পুরুষকে দেখার বদলে মেয়েকে দেখছি। কিম্বা পুরুষের সঙ্গে মেয়েকেও কামনার বস্তু বলে দেখছি। তাহলে কামনাটাই কি আমাকে মেয়ে হওয়ার থেকে সরিয়ে দিচ্ছে?
যত সময় যাচ্ছে ততই মেয়ে হওয়াটা জটিল হয়ে পড়ছে – শরীরে মেয়ে, সমাজে মেয়ে আর কামনায় মেয়ে, মেয়ে হবার এই তিনটে মাত্রা দেখতে পেতাম আগে। এখন তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ফোর্থ ডাইমেনশন - উপলব্ধিতে মেয়ে। শরীরে মেয়ে ব্যাপারটা সহজ, মেয়েদের শরীর আর অঙ্গ সংস্থাপন থাকলেই হল। জীবনের শুরুতে সেগুলো দেখেই আমার প্রাইমারি মেয়েত্ব স্থির হয়েছিল। তারপর সমাজে মেয়ে হলাম সামাজিক অনুশাসন মেনে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমাজের চাওয়া আর আমার চাওয়া মিলে গেল বলে মানাটা সহজ হল আর কোথাও মানতে বাধ্য হলাম তেতো বড়ি গিলে। আবার কখনো বুঝেই উঠতে পারলাম না আমার চাওয়া কি আমারই চাওয়া, নাকি আসলে সমাজই ঘুর পথে আমাকে গিয়ে এমন কিছু চাইয়ে নিচ্ছে যাতে আমি সমাজের মেয়ে হয়ে উঠতে পারি।
কামনায় মেয়ে মানে ঠিক কী তা আমি জানি না - মেয়ের কামনা যেমন হবে নাকি যেমন কামনা হলে মেয়ে বলা হবে? যদি প্রথমটা হয় তাহলে শরীরে মেয়ে আমি যে কামনা করব সেটাকেই মেয়ের কামনা বলে ধরে নিতে হবে। কাজেই আমার মেয়েকে কামনা করাও তাহলে মেয়ের কামনা, যা আমাকে কামনায় মেয়ে করে তুলতে পারে। কিন্তু যদি দ্বিতীয়টা হয় তাহলে ছেলেদের কামনা না করলে আমি কামনায় মেয়ে হব না। আবার দ্বিতীয়টাকে বেঞ্চ মার্ক হিসাবে ধরলে যেসব শারীরে পুরুষ পুরুষদের কামনা করে তাদেরও মেয়ে বলতে হয়। আমার আপত্তি নেই এ ব্যবস্থায়, কিন্তু বাকি সবাই রাজি কী? ফোর্থ ডাইমেনশনের হিসাবটাও এখানে এক্কেবারে ফিট করে যাচ্ছে, যে নিজেকে মেয়ে বলে উপলব্ধি করেছে সেই মেয়ে। যে পুরুষ (শরীরে) নিজেকে মেয়ে বলে উপলব্ধি করে পুরুষকে কামনা করেছে সেও মেয়ে, আবার যে পুরুষ (শরীরে) নিজেকে মেয়ে বলে উপলব্ধি করে মেয়েকে কামনা করেছে সেও মেয়েই। এর উল্টোটাও সত্যি, তবে সেটা ছেলে হবার গল্প, সেটা এখন বলছি না।
সিসজেন্ডার বলে একটা শব্দ খুবই ওড়াউড়ি করছে ইদানীং, সে এমন এক মানুষ যার জন্ম মুহূর্তের অঙ্গসংস্থাপনগত পরিচয়ের সঙ্গে পরবর্তীকালের উপলব্ধিগত জেন্ডার আইডেন্টিটির কোনও বিরোধ নেই। আর যার সে বিরোধ আছে সে হল ট্রান্সস্টার। শুনতে সহজ বলে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি, এই ব্যাখ্যায় ব্যাখ্যাত হয়ে স্বস্তি চাই। পাপী-তাপী আমার মনে এতেও কুচিন্তা আসে – বিরোধ থাকা মানে কী? বিরোধ না থাকা মানেই বা কী? আমি তো গভীর প্রত্যয়ে নিজেকে মেয়ে বলে জানি আর জন্মমুহূর্তে সেই খারাপ জায়গাটা দেখেও পিজি হাসপাতালের ভারপ্রাপ্তেরা আমাকে মেয়ে বলে ঘোষণা করেছিলেন, তাবলে কি আমার জেন্ডার আইডেন্টিটির সঙ্গে আমার কোনও বিরোধ নেই? টোটাল বিরোধ আছে, আমি দেখতে পাচ্ছি! আমার জেন্ডার আইডেন্টিটি গড়েছে সমাজ, যে আমাকে তার নিয়মে মেয়ে হতে বলেছে। আর আমার উপলব্ধিতে নিজেকে আমি যে মেয়ে বলি সে মোটেই সমাজের মেয়ে নয়। সমাজে মেয়ে হলে আমি কামনায় মেয়ে হতে পারব না। উপলব্ধির মেয়ে আর কামনার মেয়ে এককাট্টা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এপারে, আর ওপারে সমাজ শরীরকে নিয়ে জোট বেঁধেছে।
এতো কাণ্ডের মধ্যে যেটা কন্সট্যান্ট বলে ভেবেছিলাম অর্থাৎ সেই জরায়ু অ্যান্ড ডিম্বকোষ, যাদের হাত ধরে একদিন মেয়ে হতে শুরু করেছিলাম তারা অপারেশন টেবিলে জবাব দিয়ে গেল কদিন আগে। সে আরেক আশ্চর্য উপলব্ধি! শুভার্থীরা নানাকিছু বোঝাতে চেয়েছিলেন, নানাভাবে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন, সাহস যোগাচ্ছিলেন যে আসলে এটা একটা শারীরিক প্রক্রিয়া কেবল। ত্যাঁদড় জরায়ু–ডিম্বকোষকে চিরজব্দ বা চিরস্তব্ধ করার একটা প্রসেস। এতে আমার কোনও সমস্যা হবার কথাই নয়! আমি যে আমি ছিলাম তাই থাকব, বরং বেটার থাকবো, বদ-যন্ত্র বাদ দিয়ে। আর এখানটাতেই যাকিছু হবার তাই হতে শুরু করল - যে আমি সেই আমি মানে কী? আমি তো নিজেকে মেয়ে বলেই জানি আর সেই মেয়ে হয়ে ওঠার একটা বেশ বড়ো অংশ কি জরায়ু-ডিম্বকোষের সমাহার নয়? সেটা থাকা আর বাদ যাওয়া কি একই? তাহলে যাদের এসব বালাই নেই তাদের মেয়ে বলে মানতে সবার এতো অসুবিধা কিসের? আমি যে মেয়ে থেকে অন্য কিছু হয়ে যাবো পুরোপুরি এমনটা ভাবিনি, কিন্তু পুরোপুরি মেয়েই থাকব কি - এটা মনে হয়েছিল! স্বীকার করছি!
এক চমৎকার মানুষ আমার ডাক্তারবাবু/বন্ধুটি, এই চান্সে তাঁকে ধন্যবাদ দিয়ে নিচ্ছি। অপারেশন টেবিলে চিতপাত (কোমরের তলা থেকে অসাড়) আমাকে তিনি সুযোগ দিয়েছিলেন গোটা প্রক্রিয়াটা চাক্ষুষ করবার। সাদা চাদরের আড়াল সরিয়ে নিজের পেটের ভেতর থেকে নিজেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছি নিজেই – প্রায় সুফি ক্যাটেগরির একটি অভিজ্ঞতা! এবং সে প্রক্রিয়া পুরো ঘটে যাবার পর, নিজের মেয়েত্বের এতোখানি জরুরি একটা অংশ ডাক্তারবাবুর হাতে ঝুলন্ত-দুলন্ত দেখার পরও জ্ঞান হারাইনি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে বুঝেছিলাম সেই মুহূর্তে যে এরপরেও আমার হাতে রয়েছে পেন্সিল উইথ দু চোখ, দু কান, দু হাত, এক বুক, এক পেট ও সেই কনভিকশন! এই নিয়েই ‘মে’ ছিলাম, আছি থাকব – তোরা যে যা পারিস করে নেগে যা!
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×