সালাউদ্দিন শাহরিয়া
মুসলিম শিক্ষিত মানুষ প্রায়ই মূর্খ। মানুষকে সিংহের সাথে তুলনা করে। বলে বিড়ালের মতো হাজার বছর বেঁচে থাকার চেয়ে সিংহের মতো একদিন ভালো। তারপর বিভিন্ন ক্ষেত্রে তুলনা দেয় জীবজন্তু, পশু পাখি, গাছপালার সাথে। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা বলেন আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে। মানুষ হলো আশরাফুল মখলুকাত। তুলনা করতে হয় করো নবী-রাসূলদের জীবন নিয়ে। বলো সাহসী হবে হযরত ওমর (রা.) মতো। ধনী হবে হযরত উসমান গণি (রা.) মতো। এইভাবে হাজারো মানসম্মত তুলনা করা যায়। বিধর্মী পূজারীরা এবং কিছু কবর পূজারী টাইপের লোকেরা বেরকরেছিলো এইরকম প্রথা যে, সিংহের মতো গর্জে ওঠো, চাঁদের মতো সুন্দর। কিছু অজ্ঞ পন্ডিত যারা বিধর্মীর মহাজ্ঞানী তারা এগুলো ভাবতো এবং করতো। কিন্তু মুসলমানরা না ভেবে সত্য বলে সাড়া দিয়ে স্কুল-প্রতিষ্ঠানে ইত্যাদিতে এগুলো শিক্ষা দিয়ে থাকে। “কিছু মুসলমান নামধারী লোক আছে যারা ইসলামকে পছন্দ করে ক্ন্তিু সমাজে চলতে গেলে ইসলাম পরচয় দে তারা মূলত বলে থাকে ইসলাম বেশি হয়ে গেছে, কিছু ঝেড়ে ফেলো”। আসলে এই টাইপের লোকের পূজারীদের কথা অনুসরণ করে ইসলাম কি ভুলে গেছে। আমি প্রায়ই বলে থাকি যে, ইসলাম যদি ভালো না লাগে তালহে ধর্ম পরিচয় ইসলাম দেওয়ার তো মানে হয় না । আর কোন কথা বলতে হলে ভেবে বলতে হয়। কোন প্রবাধ বা কোন তুলনা করতে হলে চিন্তা করে বলতে হয়। কারণ শিরক, বিধআত হতে পারে। শুধু যে মহাজ্ঞানী বলেছেন বলেই যে মানতে হবে তা নয়। ইসলাম হলো পরিপূর্ণ জীবন বিধান। এখানে কোন মনীষী, বা কোন পন্ডিত যে কোন উদারহণ দিবেন তা মানেলে সমাজের শান্তি বা লাভ হবে তা ভেবে চললে হবে। হয়তো তার ধর্মের জন্য হতে পারে ভালো। মুসলমানদের মানতে হবে তা নয় যদি যুক্তিসংগত হয় আর বর্তমান প্রেক্ষপটে হয় তাহলে মানতে হবে। সবক্ষেত্রে না। যেমন: সাংবিধানিক ক্ষেত্রে হতে পারে। বা ন্য ক্ষেত্রে কিন্তু ভাবতে হবে যু্ক্তি গুলো ইসলাম বিরোধী কি ? আসলে সত্য কথা বলে সমাজ বিরোধী। আরো কত শিরিকী, কাফেরী কমেন্ট। আল্লাহ তুমি আমাদের হেদায়াত করো আমিন।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১১:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



