সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের বৈশাখী ইলিশের রং-ডং ব্লগ।

আমাদের বাংলাদেশে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য নষ্ট করার জন্য কিছু মানুষ বৈশাখীর কিছু নিয়ম কানুন তৈরী করেছে। যা আমাদের নববর্ষ উৎসবের জন্য ঝুকিপূর্ণ। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য ছিল পান্থা ভাত। তাছাড়া এই উৎসব শুরু হয়েছিল সম্রাট আকবরের শাসনামলে। তখন ধনী-গরীব মানুষের ভেদাভেদ বুলানোর জন্য রাজার বাড়িতে, বড় কোন ধনী ব্যক্তির বাড়িতে অনুষ্ঠান করা হতো। ধনী-গরিব সবাই মিলে সেখানে গান-বাজনা, নৃত্য করত। সবাই মিলে আনন্দ করত। কিন্তু সেখানে কিছু ব্যবসায়ী ও কু-নাগরিক ইলিশ মাছের রীতিটি যুক্ত করে। তারা এমনিভাবে সাজায় যেন বৈশাখ মানেই পান্থা ইলিশ। এইভাবে ছড়িয়ে দেয়। বিত্তবান এবং মধ্যব্ত্তি মানুষেরা এই ইলিশের আয়োজনে সাড়া দেয়। আর ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলাদেশে। আজ গরিবের জন্য নয় বৈশাখ, গরিবের জন্য নয় নববর্ষ এবং গরিবের জন্য নয় পান্থা। একা একা ঘরে বসে বলে ছোট ছেলেটি মা আগামীাকল আমার বন্ধুরা পান্থা ইলিশ খাবে, আমিও যাব টাকা দাও। কিন্তু টাকা না থাকার জন্য সে মনে মনে বলে থাকে কেন আজ গরিব হয়ে জন্মলাম। কেন আজ আমি এই উৎসব থেকে বঞ্চিত। আর ভাববে যে, নববর্ষ দিকে তার ঘৃণা জাগ্রত হবে। যার ফলে আমাদের শুভ নববর্ষ বৈশাখী মেলার উপর আঘাত হানতে পারে। তাই সচেতন হোন নিজে। হ্যাঁ অনেক কষ্ট হবে তার প্রতিকার করতে, তবুও করতে হবে। কেউ তার প্রেমিকার ভয়ে করছে, যে আজ যদি বলি এইসব পান্থা ইলিশ খাওয়া ঠিকনা এই সময় তখন তার প্রেমিকা বলবে না খাওয়ানোর বাহানা জুড়ছো। ফকির কোথাকার। আর যদি ধনী হয় বলবে কিপ্টা কোথাকার। যে যাই বলুক তার প্রতিকার করেই চলবো।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



