ইসরাইল এমন একটি দেশ যা আমেরিকার শতভাগ বেকিংএ কিছুদিন পর পরই আধুনিক অস্ত্রের উপর প্রশব করে আপডেট নেয়। এরা আমেরিকার ছায়ায় এখন অস্ত্র রপ্তানিতে পৃথিবীতে চতুর্থ। বহুদিনের আগ্রাশনে জন্ম নেয়া আজকের এই সিংহরূপী দেশটির কাছে গাযা সত্যিকার অর্থেই একটি ছোট ইদুর সদৃশ প্রানি। গাযা মধ্যযুগীয় কায়দায় টানেল আর কিছু রকেট আক্রমনের মাধ্যমে কেবল প্রতিরোধের একটি ইঙ্গিত দেয় মাত্র।
আজ পর্যন্ত ফিলিস্তিনি মৃতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়েছে যার বেশিরভাগি শিশু, মহিলা আর বেসামরিক সব লোক যেখানে ইসরাইলি মৃতের সংখ্যা ৫০ যার সবাই বলতে গেলে সামরিক লোক। একজন ইস্রাইলির বিপরীতে ৪২০ জন ফিলিস্তিনি মারা পড়ছে। প্রতিদিন বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয়, হসপিটাল এ বম্বিং করে এরা দেশটিকে পঙ্গু করে দিচ্ছে।
গাযা পৃথিবীর একমাত্র খোলা আকাশের জেলখানা। ইসরাইল এমনভাবে এর চারপাশের বর্ডার, আকাশ, সমুদ্র নিয়ন্ত্রন করে যে দেশটি কোনোপ্রাকার আমদানি-রপ্তানিতে অংশগ্রহন করতে পারেনা। দুনিয়ার মানুষ ইস্রাইলের অবৈধ আগ্রাশন এর ব্যাপারে কিছু বলতে নারাজ। এই অসহায় মানুষগুলো যখন জাহান্নামের মধ্যে জীবনযাপন করে তখন তাদের উপর কোনো মানুষের চোখ পড়েনা তবে যখন প্রতিবাদস্বরূপ ছোটোখাটো অহিংস রকেট হামলা হয় তখন সারা দুনিয়ায় তা হেডলাইন হয়ে যায়!
ইস্রাইলিরা যখন বলে ফিলিস্থিন নামে কোনো রাষ্ট্র থাকবেনা তখন নেগশিয়েটিং টেবিল এ মাহ্মুদ আব্বাস একা বসে থাকেন।
যখন ইসরাইল নিজেদের রক্ষা করার নামে যুদ্ধ শুরু করে তখন হয়ত কেউ জিজ্ঞেস করতে পারে এর অর্থ কি আরও বেশী ফিলিস্থিনি ভূখণ্ড দখলের যুদ্ধ, নাকি আরও বেশী উপনিবেশ বানানোর যুদ্ধ? নাকি এটি গাযাবাসীর আধিকার প্রত্যাখ্যান করার যুদ্ধ? তাদের জীবন, স্বাধীনতা আর সুখের সব স্বপ্নের চোখ বেঁধে দেবার যুদ্ধ? অথবা একি মসজিদের শান্তি প্রিয় বা হাসপাতালের আহত মানুষ আর ইউএন এর স্কুল এর বাচ্চাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ?
তাই মানবতার জন্য একটি প্রশ্নঃ যারা নিরলিপ্তভাবে অসহায়, অরক্ষিত মানুষকে খুন করে তারা কি মানুষ হিসেবে বিবেছিত হবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


