

পথে ঘাটে চলতে ফিরতে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করেছি যে; আমাদের দেশের অনেক ভাষাই আছে হুবুহু চাইনিজ অথবা জাপানিজ টাইপ। গভীর ভাবে মনোযোগ দিয়ে শুনলেও তু অ্যা তা জাতীয় আওয়াজ শুনা ছাড়া কিচ্ছু বোঝা যায় না।

বাসের জন্য বাস স্ট্যান্ড যেইখানে দাঁড়াবো বাস কখনোই আমার দাঁড়ানোর স্থানে থামবেনা, হয় ১০/১৫ গজ সামনে অথবা পেছনে দাঁড়াবে। যতই ছোটাছুটি করি যতই আগে পিছে দৌড়াই না কেন ঘণ্টাখানেক পর্যন্ত ১০/১৫ গজের দূরত্ব কিছুতেই অতিক্রম করতে পারিনা।

কিছু কিছু মানুষ অন্যদের দুঃখ কষ্ট অপমান দেখে বেজায় আনন্দ লাভ করে, এর কোন ব্যাখ্যা নেই এটা অনেক ভালো মানুষেরও স্বভাবগত শৌখিন চাহিদা।

ফটোগ্রাফি করে কোন দাম কারো কাছে পাইনাই, উপরন্তু এইটা হয়, ক্যামেরা হাতে থাকলে মানুষ ভীষণ এগ্রেসিভ ব্যবহার করে, মাঝে সাঝে ধমক দেয় এই এইখানে আমার একটা ছবি তোলো এখুনি তোলো,
গতকাল এক লোক কইলো
- আপনি তো ফটোগ্রাফার তাই না?
- বললাম হুম
- আপনি কিছু ছবি তুলে দিবেন?
- কিসের?
- এই আমার সুপার সপের, স্টোরের আর কি!
কইলাম, আপনার স্টোরের ছবি দিয়া কি করবেন?
- নিউজ পেপারে যাবে,
- আগেও গেছে?
- গেছে, বিজ্ঞাপনের জন্য।
- তখন ছবি তোলাইছিলেন কাদের দিয়ে?
- তখন ফটোগ্রাফারদের দিয়াই ছবি তোলাইছি
- তাদের পে করছেন কত?
- করেছি কিছু, কিন্তু আপনাকে তো পে করা সম্ভব না আপনাকে খাওয়ায়ে দিব।
(ইসস্মার্ট লোক

)

গত এক যুগ ধরে আমাদের দেশের মানুষ জ্যামে বসে থেকে থেকে এক অভূতপূর্ব ধৈর্যশীল চুপচাপ বাঙ্গালী জাতির অভ্যুদয় ঘটেছে। জীবনের একটা দীর্ঘসময় জ্যামে নির্লিপ্ত কাটিয়ে দিতে দিতে এখন পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে এরা সর্বাবস্থায় নির্লিপ্ত থাকতে পারে। দেশ কেন্দ্রিক, সমাজ কেন্দ্রিক, ব্যাক্তিকেন্দ্রিক যে কোন অঘটনেও সবাই চুপ। খুব বেশি হলে এরা পকেট থেকে মোবাইল বের করে ভিডিও করে ,সেলফি তোলে, দুই একটা এফবি স্ট্যাটাস আপডেট দেয়। এইতো......

অফিস কলিগ। (মাইয়া কলিগ) এরা আর সব মেয়ের মতই অতিরিক্ত ন্যাকা এবং ঢঙ্গী প্রকৃতির, অতিরিক্ত কথা বলে, বাচাল, আধা পাগল(অবশ্য সকল চাকুরীজীবী পুরুষ মহিলা দীর্ঘদিন যাবত কাজ করতে করতে আধা পাগল হয়েই যায় একসময়)
সারাদিন কাজকর্ম করে কাহিল হয়ে একটু আয়েশ করে কফি খেতে নিয়েছি কফিটা খুবি আরামদায়ক লাগছে, এমন সময় এক উৎকট চেহারার মাইয়া কলিগ আইসা কইলো আপনি কফি খাচ্ছেন? কফি খাওয়া আমি একদম পছন্দ করিনা, কফি খেলেই আমার সমস্যা হয়, ঘুম আসে (আউলা ঝাউলা কথা বার্তা) এর মুখ চলছে দুরন্ত পাগলা ঘোড়ার গতিতে। যত্তসব খ্রাপ মাইয়া।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:৪৮