somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রসঙ্গ লিফট

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



লিফটে উঠতে গেলেই সব সময় নন্দিনী বলে এই না না লিফটে না সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে উঠবো স্বাভাবিক ভাবেই তখন অজ্ঞাতজনেরা ঘটনা জানতে চায় এবং নন্দিনী ভয় আর আগ্রহ নিয়ে শুরু করে ওর লিফটে আটকা পড়ার দুখভরা কাহানী! একসাথে অনেক কথা বলার কারনেই নন্দিনীর মনের ভয় দুঃখ আবেগ কেউ কিছুই তেমন বুঝতে পারেনা শুধু শুধু ওর অতিরিক্ত মিষ্টি মুখের দিকে চেয়ে থাকে একেকজন সুযোগে, আমাদের ভাললাগেনা এই এক গল্প অসংখবার শুনেছি আমরা, আর কত!!

অনেকেই লিফট আতঙ্কে থাকেন ভয় পান, লিফটে আটকা পড়ার ভয়ানক অভিজ্ঞতা যাদেরই হয়েছে তারা লিফটে ওঠা নিয়ে ভয় প্রকাশ করবেই এবং জায়গায় বেজায়গায় তার সেই অভিজ্ঞতা শেয়ার করবেই।
কিন্তু লিফট ছাড়া আজকালকার জীবন কল্পনার বাইরে।

একটা অফিসিয়াল মেইল পেয়েছি কিছুক্ষণ আগে, মেইল পাওয়ার পর থেকেই আমার মাসখানেক আগের একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করার ইচ্ছে জাগলো, তবে আমাকে ভীতু ভাবার কিছু নেই।

আমরা এম,বি,এ ইভিনিং এর ব্যাচ হওয়ায় ক্লাস হয় সন্ধ্যায় আমাদের বেশ পুরানো ইউনি’র লিফট আরও পুরানো হওয়ায় লিফট চলে ধীর গতিতে, কেঁশেকুশে, হেঁটে, দাঁড়িয়ে, আস্তে আস্তে, ধীরে উপরে ওঠে এবং নিচে নামে। তাই সহজে কেউ লিফটে ওঠে না। শুধু শুধু সময়ের অপচয়, ছয়তলা ভবন; ছাত্র ছাত্রীরা বেশির ভাগ হেঁটে গল্পগুজব করতে করতে সিঁড়ি দিয়েই ক্লাসে পৌঁছে যায়।

একদিন আমার অফিস থেকে ইউনি’তে যেতে যেতে ৭টা বেজে গেলো। ক্লাস শুরু হয়েছে ৬টায়। ক্লাসে এক ঘণ্টা অনুপস্থিত থাকা মানে ওই বিষয়ে বাকি জীবন এক ঘণ্টা অন্ধকারে থাকা। আমার তখন খুব তারাহুরা আর একা।
এই সময় ইউ’নি অনেক ফাঁকা থাকে, দুইজন দারোয়ানকে দেখে এসেছি গেটের সামনে বন্দুক হাতে বসে বসে ঢুলছে, মাঝে মাঝে দুই একটা মশা মারছে। আমি তাড়াতাড়ির জন্যই লিফটে উঠে গেলাম, এটার দেয়াল কাঁচের মত। এবং কোন একটা কারুকাজের জন্য নিজের কমপক্ষে ১৫টা প্রতিবিম্ব দেয়াল জুড়ে ভরে যায়।

এ কথা কেউ বিশ্বাস করবেনা যদিও তবু ৯৯ ভাগ মানুষ বিপদ ঘটার মিনিট খানেক কিংবা তারও আগে থেকে টের পেতে থাকে কিন্তু বাস্তবতার দৃশ্যপটে সেগুলো নিতান্ত অবাস্তব মনে হতে হতে তা ভুলেই যায়, কিছু একটা হতে যাচ্ছে, কিছু একটা, এমন কিছু একটা যা আগে হয়নি। অতঃপর নিতান্ত উপস্থিত সিদ্ধান্তহীনতায় সে সবকিছু বুঝেও সেই বিপদে পড়েই।

আমি লিফটে পা দিতে দিতে স্পষ্ট বুঝলাম এই লিফট আজ উপড়ে পৌছবে না। এটা আমার ভেতর থেকে কিছু একটা পরিস্কার ভাবেই জানান দিলো। অথচ বিশ্বাস করলাম না। লিফটের বাটন চাপলাম। ছয় তলার কনফারেন্স রুমে প্রেজেন্টেশন ক্লাস হচ্ছে।লিফট খুব ধীরে এক,দুই,তিন,চার ক্রস করে খানিকটা কেশে দাঁড়িয়ে গেলো। আর নড়ল না, দরজাও খুলল না, বাইরে থেকে কেউ কল দেয়নি সেটি স্পষ্ট।
কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর ও যখন দরজা খুলল না; আমি হতবিহব্বল!! যা ভাবছিলাম কিংবা আমার মনে যা এসেছিলো তাই হয়ে গেলো!!! কি অদ্ভুত কি অদ্ভুত!! দেয়ালের চারপাশে আমার প্রতিচ্ছবি আমার দিকে ঘন ঘন তাকাচ্ছে! দৃষ্টি পরিবর্তিত হচ্ছে, ওটা যে নিতান্তই আমি সেটার কনফিডেন্স কমে যাচ্ছে।

আমি বেশ কয়েকবার সবগুলা বাটন চেপে যাচ্ছি!! ব্যাপারটা খারাপের দিকে যাচ্ছে, লিফটের এসি থেকে বাতাশ বের হচ্ছে না ওটা বন্ধ হয়ে গেছে। লাইট ভুতের ছবিতে দেখা দৃশের মত কাঁপছে। ঘন ঘন দ্রুত গতিতে কেঁপে একসময় লাইট বন্ধ হয়ে গেলো। লিফটটা ছিল ছোট আর পুরাতন একটা গন্ধে ভরা ঘুটঘুটে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আমি একা।

কিছু কিছু নিজের সাথে স্বয়ং ঘটে যাওয়া ঘটনা নিজের কাছে অবিশ্বাস্য লাগে।আমি ব্যাগ এর ভেতর মোবাইল খুঁজতে লাগলাম তাতে নেটওয়ার্ক নেই।পুরানো লিফট বলেই মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করবে সে রকম কোন ব্যবস্থা নেই।
আমি মোবাইলের আলোতে লিফটের চারপাশের দেয়ালে নিজের আধ আলো অন্ধকারে বিকৃত প্রতিচ্ছবি দেখতে পেলাম। হাতড়ে হাতড়ে সব কয়টা বাঁটন বহুবার চেপে শেষে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়েছি। ভয় না। মন খুব খারাপ হয়ে গেলো।

নিজের জন্যই খারাপ হল। জীবন জুড়ে প্রতিনিয়ত বাঁধা দুঃখ কষ্ট হতাশা আমাকে ঘিরে ধরল, মন দ্রুত খারাপ হতেই থাকলো যে কারনে লিফটের বাঁটন চাপা কিংবা কল করার চেষ্টা কোনটাই আমাকে আকর্ষণ করলনা। এমনিতেও লিফটে অ্যালার্ম সিস্টেম নেই নষ্ট হয়ে আছে অনেকদিন আগে থেকেই।

আমি গভীর অন্ধকারে খুব ছোট্ট পরিসরে বন্ধ হয়ে থাকতে থাকতে ছুটির ঘণ্টা নামের ছবির কথা মনে করলাম যেটা নাকি সত্যি ঘটনা থেকে বানানো বলে শুনেছিলাম, ছবিটি দেখিনি তবে বাবার কাছে কাহিনী শুনেছি বহুবার তার বোধহয় এই সিনেমাটা বেশি প্রিয়।
ওই ছবিতে দেখানো হয়েছিলো স্কুল ছুটির পর ওই স্কুলেরই এক বাচ্চা ওয়াশরুমে যায় এবং সে বের হতে না হতেই বাইরে থেকে স্কুলের দারোয়ান তালা দিয়ে বাড়ি ফিরে যায় আর দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ওইদিন থেকেই স্কুলে গ্রীষ্মকালীন এক মাসের ছুটি শুরু হয়, যার ফলে এক মাস ছেলেটি ভয়ঙ্কর রকম ধুঁকে ধুঁকে না খেয়ে, বাথরুমে কলের পানি খেয়ে দেয়ালে দেয়ালে চক দিয়ে তার দুর্ভোগের কথা লিখতে লিখতে একসময় মারা যায়।

আমার বেলায় এই সম্ভাবনা নাই, তবে একটু খারাপ চিন্তা তো মাথায় আসেই, যুক্তি যুক্ত খারাপ চিন্তা।
যেমন যেহেতু পুরা ইউনিতে শুধু আমাদের ব্যাচ এর ক্লাস হচ্ছে, আর যেহেতু লিফট খুব একটা কেউ ব্যবহার করেনা সুতরাং ক্লাস শেষে যদি সবাই চলে যায়, লিফটম্যান হয়ত আগেই বাড়িতে ফিরে গেছে, দারোয়ান নিশ্চয়ই সব তালাতুলা দিয়ে লিফট চেক করতে আসবেনা বরং লিফটের সুইচ অফ করে দিতে পারে! কি ভয়ঙ্কর!।

দেখতে দেখতে অনেক সময় পার হয়ে গেলো, পা ব্যাথা করছে ছোট্ট আর গুমোট জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে। আমার মন লিফটের মেঝেতে বসি বসি করছে, মোবাইলের আলোয় চারদিকে নিজেকে দেখতে পেলাম, ভাললাগলোনা নিজেকে,দরজায় নক করে লাভ নেই সেই শব্দ ওপাশে পৌঁছবেনা। আবার মেঝের দিকে তাকালাম মেঝেতে বসতে ইচ্ছে করছে।

এভাবে অনেক সময় পর আবার বার বার এলোমেলো বাটন চাপলাম এবং তখনি আশ্চর্যজনক ভাবে একটু খানিকটা কেশে উনি নড়ে উঠলো, এবং খুব ধীরে ধীরে নীচে নামতে থাকলো।

একসময় দরজা যখন খুলে গেলো আমার বিশ্বাস হচ্ছিলো না, মনে হচ্ছিলো সে(লিফট) আমার সাথে ফান করেছে, আসলে সে থেমেই আছে আমি ভাবছি খোলা।।
বাইরে বের হতেই বাতাসের কোমল ঝাঁপটা আমার চোখে মুখে লাগলো! আহ বাতাস! কি আরাম! কি শান্তি!
দেখলাম ক্লাস শেষে সবাই প্রায় চলে গেছে, দুই একজন যারা ছিল তারা কমপ্লেইন আর টিজ করলো কেন আমি প্রেজেন্টেশনের ক্লাসে ছিলাম না স্যার প্রচণ্ড খেপেছে মার্কস কাটবে, দেখা করতে বলেছে ইত্যাদি।
পরবর্তীতে আমি ভার্সিটির ম্যানেজমেন্টকে ব্যাপারটা জানিয়েছিলাম যেন আর কেউ এই বিপদে না পড়ে আমি জানিনা তারা এই ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নিয়েছে কিনা।

লিফট সতর্কতা সম্পর্কে যে মেইলটা পেয়েছি তারা সম্ভবত নিউজ পেপার থেকে সংগ্রহ করেছে। হয়ত অনেকেরই এসব জানা তবু আরেকবার রিভিউ করছি। বাড়তি সতর্কতা।



লিফটে আটকে গেলে যা করবেন:
 যদি আপনি লিফটে আটকে যান, তবে লিফটের Door Open লেখা বাটন চাপ দিন। যদি দরজা খুলে যায় তবে আগে দেখুন লিফটি কোন তলার ফ্লোরের সমতলে রয়েছে কিনা। যদি তা না হয় তবে তাড়াহুড়ো করে বের হতে গেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন।

 যদি লিফটের দরজা কোনভাবেই খোলা সম্ভব না হয় তবে দরজার পাশেই থাকা 'এলার্ম' চিহ্নিত বাটন চাপ দিন ও বাইরে থেকে কারো সহযোগিতার জন্য অপেক্ষা করুন। এছাড়া বর্তমানে বেশিরভাগ লিফটেই দুই দিক থেকেই কথা বলা যায় এরকম স্পিকার কিংবা টেলিফোন থাকে। ফলে লিফটে কেউ আটকে পড়লেও সেই স্পিকার বা ফোনের মাধ্যমে ঐ ভবনের উদ্ধারকারী দলের সাথে কথা বলতে সক্ষম হবেন।

 লিফটের ভেতরে আটকে পড়লে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে মাথা ঠাণ্ডা রাখা ও শান্ত থাকা। কারণ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়লে পুরো ব্যপারটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। যদি আপনি claustrophobic বা ছোট আবদ্ধ জায়গায় আটকে যাবার ভয়ে ভীত হয়ে পড়েন তবে চেষ্টা করুন লম্বা শ্বাস নিয়ে নিজের মনঃসংযোগ অন্য কিছুতে নিবদ্ধ করতে। মনকে শান্ত করার জন্য উল্টো দিক থেকে সংখ্যা গণনা শুরু করতে পারেন। এমনকি যদি লিফটের ভেতরের তাপমাত্রা বেশি হয়ে যায় তবুও আতঙ্কগ্রস্ত হবেন না, কারণ লিফটের ভেতরে বাতাস চলাচলের জন্য যথেষ্ঠ জায়গা থাকে।


√ কিছু সাধারণ বিষয় মাথায় রাখুন:
 লিফটে পা দিলেই আপনি বুঝতে পারবেন সেটি ফ্লোর বা মেঝের সমতলে রয়েছে কিনা।
 যদি দেখেন লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তবে দৌড়ে তাতে ঢোকার চেষ্টা পরিহার করুন কিংবা লিফটকে থামানোর চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। ধীর-স্থিরভাবে অপেক্ষা করুন, লিফট কিন্তু সেই ভবন থেকে পালিয়ে যাচ্ছে না!
 লিফটের দরজার কাছ থেকে নিজে ও নিজের জিনিসপত্র দূরে থাকুন। কোন জরুরি অবস্থা সৃষ্টি হলে বের হওয়ার জন্য দরজার অংশ খালি থাকা জরুরি।
 যদি আপনি একাই লিফটে ওঠেন, তবে লিফটের দেয়ালের কাছে দাঁড়ান।
 ছোট শিশুরা যেন একা একা লিফটে না উঠে সেটি লক্ষ্য রাখুন।
 যেসব ভবনের লিফট পুরনো হয়ে গিয়েছে সেক্ষেত্রে লিফটের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা উচিত। মাসে অন্তত একবার পরীক্ষা করে দেখা উচিত কারিগরীভাবে লিফটে কোন সমস্যা আছে কিনা।



সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ বিকাল ৪:১৯
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×