
ক্লোজ আপ ছবি খুব কাছ থেকে তোলা হয় এই ব্যাপার কম বেশি সকলের জানা, তবে মোবাইল দিয়ে ক্লোজ আপ ছবি তুললে ছবির সাবজেক্ট ঝাপসা হয়ে যায়, এই ক্ষেত্রে সাবজেক্ট এর কাছা কাছি গিয়ে সাবজেক্ট মোবাইল স্ক্রিনে দেখা যায় সেখানে টাচ করলে সাবজেক্ট পরিষ্কার এবং আশপাশ ব্লার হয়ে ঝকঝকে ডি এস এল আর ধরনের ছবি পাওয়া যায়। তবে ডি এস এল আর দিয়ে তোলা ক্লোজ আপ ছবি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি ঝুমিং লেন্স দিয়ে দূর থেকেও সাবজেক্ট এর অত্যন্ত ক্লোজ আপ ছবি তোলা যায়। কবুতরের লাল চক্ষুর ছবিটি তুলেছি সেন্টমার্টিন থেকে।

এই ছবিটি তুলেছি লালবাগের কেল্লা থেকে, লেন্স ঝুম করে, এপারচার প্রায়োরিটি মোড ব্যবহার করে, আইএসও বাড়িয়ে দিয়ে যে সকল সাবজেক্ট নড়াচড়া করে সেই সকল ছবিও ট্রাইপড ছাড়া সহজেই তোলা সম্ভব।

বৃষ্টির ফোটা তুলেছি বাসায় বসে।

এইটা ডালিম ফুল, তুলেছি বাড়ির বাউন্ডারির উপর রেখে, ফুলটা পাশের বাড়ি থেকে ছিঁড়ে এনে দিয়েছে পিচ্চু ভাগ্নি ইরা আর অথৈ। খুবই অন্যায় কাজ করেছে।

বলেছি না ট্রাইপড ছাড়া সহজেই ঝুম লেন্স দিয়ে ছবি তোলা সম্ভব? আমার এই ছবিটি তার প্রমান, তুলেছি ছেড়া দ্বীপ যেতে যেতে শীপে দাঁড়িয়ে। ওইখানে কি কারনে শীপের পেছনে পেছনে এত শী গাল ছোটে কে জানে!! তবে ওদের জন্য অনেকে দেখলাম সাথে খাবার নিয়ে যায়, সেগুলো খেতে আরও আরও শী গাল জড় হয়। অসাধারণ সব ব্যাপার ।

এই ফুলের নাম জানিনা, তুলেছি প্যালেস রিসোর্ট সিলেট থেকে।


যেকোনো ছবি তোলার সময় আলো একটা বিরাট ফ্যাক্ট। একই সাবজেক্টের ছবি ভিন্ন ভিন্ন আলোতে ভিন্ন ভিন্ন হয়। লেন্স এর ও ব্যাপার আছে ক্যামেরা হলেই তো হয় না, ভিন্ন ভিন্ন ছবির জন্য ভিন্ন ভিন্ন লেন্স,ফিল্টার, আকর্ষণীয় প্লেস, আরও কট কি! আসলে ফটোগ্রাফি এক ধরনের বিলাসিতা ।।
প্রিভিয়াস পোষ্টের কমেন্টে দেয়া কথা অনুযায়ী এই পোস্টটি সামুর স্বনামধন্য ও আলোচিত ব্লগার রাজীব নুর ভাইকে উৎসর্গ করা হল।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:০১