মহেশখালী, কক্সবাজারের অন্তরালে থাকা এক চিরসবুজ উপাখ্যান।

কক্সবাজার মানেই আমাদের চোখে প্রথম ভেসে ওঠে নীল সমুদ্র, লম্বা দীর্ঘ সৈকত আর ঢেউয়ের অবিরাম ডাক। কিন্তু সেই কোলাহলের একটু দূরে, নীরবে দাঁড়িয়ে আছে এক দ্বীপ মহেশখালী আমার দেখা সবচেয়ে অসাধারণ একটি জায়গা। এই দ্বীপ যেন কক্সবাজারের এক গোপন শান্তির স্থান।
১)

মহেশখালীতে পৌঁছানোর পথটাই একদম আলাদা। স্পিডবোর্ড যখন সমুদ্রের বুক চিরে এগিয়ে যায়, তখন চারপাশে জল, আকাশ আর দূরের সবুজের মেলবন্ধন চারদিকে অশান্ত মন এতে অনেকখানি শান্ত হয়। দ্বীপে পা রাখতেই দীর্ঘ বাঁধানো পথ দিয়ে যেতে যেতে মনে হয় এখানে শহরের কোন তাড়া নেই, আছে প্রকৃতির অতুলনীয় শান্তি।
২)

৩)

মহেশখালীর বৌদ্ধ মন্দির
৪)

আমার জীবনে খাওয়া শ্রেষ্ঠ পান হচ্ছে মহেশখালীর এই পান।
৫)

মহেশখালীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নিদর্শন। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই আদিনাথ মন্দির শুধু ধর্মীয় স্থান নয়, এটি ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী।
৬)

বিস্তৃত ছড়ানো সিঁড়ি দিয়ে উঠতে আনাড়িরাও অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এই পাহাড়ে, আর পাহাড়ে ওঠার পর প্রকৃতির এক অদ্ভুত শান্তি চতুর্দিকে।
৭)

৮)

৯)

১০)

১১)

১২)

১৩)

১৪)

১৫)

মন্দিরের অলংকরণে মিয়ানমার ও আরাকানি স্থাপত্যের প্রভাব স্পষ্ট। সোনালি কারুকাজে মোড়া স্তম্ভ, লাল রঙের খোদাই করা নকশা—সব মিলিয়ে মনে হয় যেন কোনো প্রাচীন রাজ্যের দরবারে এসে দাঁড়িয়েছি। চারপাশের বিশাল গাছগুলো মন্দিরকে আরও নিবিড় করে তুলেছে, যেন প্রকৃতিই এর পাহারাদার।
১৬)

মহেশখালী শুধু মন্দির আর পাহাড় নয়। এখানে আছে পাহাড়ি গ্রাম, লবণ মাঠ, মৎস্যজীবীদের জীবন, সাধারণ মানুষের সহজ হাসি। এই দ্বীপে বৌদ্ধ, হিন্দু ও মুসলিম সংস্কৃতির সহাবস্থান যা মহেশখালীকে আলাদা করে তোলে।
এখানকার মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাঁচে। তাদের জীবনে আধুনিকতার জাঁকজমক নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭