মহিলা ইন্টার্ন ডাক্তারকে ইভ টিজিং করাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল ইন্টার্ন চিকিৎসক আর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকার রোগীর বখাটে আত্মীয়দের মধ্যে সংঘর্ষ। কান ধরে ইভটিজারকে ওঠবস করানো, হালকা পাতলা উত্তম মাধ্যম।
কোন ভাই নিশ্চয়ই বোনকে এরকম উত্যাক্ত করা সহ্য করবে না। বগুড়া মেডিকেলের ইন্টার্ণভাইরাও করে নাই।
(পেপার যে টুকু আসে নি মোটেও)
"রোগীর আত্মীয়- এই যে ডাক্তার আপা, ফ্যানের সুইচটা একটু টিপ্যা দেন তো
ইন্টার্নী ডাক্তার- ফ্যান সুইচ তো আপনার বেডের কাছেই আছে, এছাড়া এটা কি আমার কাজ নাকি?
রোগীর আত্মীয়- সরকার আপনাদেরকে বেতন দেয় না? সামান্য একটা সুইচ টেপার কথা বলতেই রেগে যাচ্ছেন।
ইন্টার্নী ডাক্তার- সরকার কি আমাকে সুইচ টেপার জন্য বেতন দেয়? এছাড়া এই শীতের দিনে আপনার গরম লাগে কেন? ফাজলামো করেন?
রোগীর আত্মীয়- আপনার মত মাল ওয়ার্ডে থাকলে গরম তো লাগবেই।"
এভাবেই শুরু হয় বগুড়া মেডিকেলে গণ্ডগোল। প্রথমে ইন্টার্ন কয়েকজন। এসে মৌখিকভাবে বকা দিয়ে চলে যায়। এরপর সেই ইভটিজারের সঙ্গীসাথীরা ইন্টার্নডাক্তারের রুমে গিয়ে ডাক্তারের কলার ধরে মারধর করে।
এরও বেশ পরে ইন্টার্ন সংগঠিত হয়ে পরিচালকের রুমে বিচার দেয়। সেখানে রোগীর লোক এসে হুমকী ধামকি দিতে থাকে। তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকার লোক। কার কার চাকরি খাবে সেই হুমকী দিতে থাকে।
ইভটিজারের মুখে উল্টো হুমকী। আর সহ্য করে নি শজিমেকের (বগুড়া) ইন্টার্ন ভাইরা। এরপর পরের ঘটনাটুকু পত্রিকায় আসছে। আপনারা বাকিটুকু পেপারে পড়েছেন। প্রথম থেকে ইভটিজিং এর সমস্ত ঘটনা মিডিয়া চেপে গেছে।
কার্টেসিঃ ডাঃ মাহফুজুর রহমান

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


