বাংলাদেশের মাটি এখন কবি সাহিত্যিকদের উর্বর ভূমি । বইমেলা এলে যার দেখা মেলে ভূরি ভূরি । এদের ৮০ ভাগ নিজের টাকায় বই প্রকাশ করে লেখক হিসেবে নিজেকে অমর করে তুলতে চান ।
এবারের চট্টগ্রাম বইমেলায় একটা ঘটনা আমাকে ভীষণ আনন্দ দিয়েছে। লেখক স্বয়ং উপস্থিত থেকে বই ক্রেতাকে অনন্য উপহার দিচ্ছেন । ব্লগারদের মধ্যে কেউ কি আছেন , যিনি এই কাজটা করেন ।
বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রকাশনীর সংখ্যা বাড়ছে । আমি নিজেও একজন প্রকাশক হতে চেয়েছি। এই ব্যবসা এখন অত্যন্ত লাভজনক। চট্টগ্রামের বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে। যেহেতু বেশিরভাগ নতুন লেখক নিজের টাকায় বই প্রকাশ করেন তাই প্রকাশকের কোন ক্ষতি হয় না । আবার অনেক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়েও কথামত বই ছাপান না ।
নহলী প্রকাশনীর মালিক জেনারেল মিল্লাত এর সাথে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে কথা হয়েছিল , তিনি তখন শুধু লেখক ছিলেন। তিনি ঢাকার একটি অতি পরিচিত প্রকাশনীকে নিজের বই ছাপানোর জন্য টাকা দিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছিলেন । তাঁর কাছ থেকে ৫০০ কপির টাকা নিয়ে ৩০০ কপি ছাপিয়েছিল।
এখন তথাকথিত লেখকদের জন্য তথাকথিত প্রকাশক রয়েছেন । লেখকরা টাকা লগ্নি করে নিজের বই বের করেন আর প্রকাশক সাইনবোর্ড দিয়ে টাকা ইনকাম করেন।
আবার অনেক প্রকাশনীতে ভাড়াটে কিছু লেখক আছেন , যারা টাকার বিনিময়ে আরেকজনের জন্য লিখেন। চট্টগ্রামের এমন একজন শিক্ষককে চিনি যিনি এই কাজটি করেন ।
ভাল লেখক আর ভাল প্রকাশনীর কদর সবসময় ছিল, আছে এবং থাকবে। লেখকের জীবন অনেক সংগ্রামের । সেলফি আর ফেসবুক লাইকের মাধ্যমে লেখক হয়ে উঠা হয় না। প্রকাশনা একটা ব্যবসা । যাদের নিজের টাকা বিনিয়োগ করার সামর্থ্য নাই , তাদের এখানে আসা উচিত নয়। রাতারাতি লেখক কিংবা প্রকাশক কোনটাই হওয়া যায় না। সবকিছুর জন্য সময় দিতে হয় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

.jpg)