
আল্লাহকে স্মরণ বা জিকিরের তিনটি অংশ।
প্রথমাংশঃ প্রথমেই দৃশ্যমান সব কিছুকে অস্বীকার করতে হবে।
দ্বিতীয়াংশঃ নিজের স্বত্বার মাঝে একটি পরিপূর্ণ পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে,
তৃতীয়াংশঃ ঐশ্বরিক স্বত্বা'র উপস্থিতি 'হু'-র বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে।
সুফিরা গেয়ে উঠেন- 'হু' - 'যা থাকার তা-ই আছে', 'যা থাকার তা-ই ছিলো', 'যা আছে তা-ই থাকবে'।
এ বিশ্ব একটি প্রতিবিম্ব ছাড়া আর কিছু নয়,
যেন তা দেয়ালে ঝোলানো সোনার কারুকাজ করা কোন পর্দা বিশেষ,
খেলাচ্ছলে করা একটি বাহুল্য বস্তু!
ভালোবাসায় ডুবে যাও,
যে ভালোবাসে সে হদয়ে অবস্থান করা মহান স্বত্বাকে পাওয়ার আকাঙ্খায় ডেকে উঠে,
কিন্তু তারপরও মনে হয়, তারা একে অপর থেকে কতই না দূরে!
কেউই বেহেস্ত যাওয়ার আশা করে না যদি জানে যে তাকে এর বিনিময়ে মরতে হবে,
এমন কোন ব্যক্তি নাই যে অমর হবার আশা রাখে যদি জানে যে এর বিনিময় মূল্য 'মৃত্যু',
কিন্তু, এটাই হচ্ছে ভালোবাসা, যার মানে হচ্ছে- 'মৃত্যু'-কে আলিঙ্গন!
তবু, এভাবে আবির্ভূত হওয়ার মাধ্যমেই একটি নতুন 'তুমি'-র পুনর্জন্ম হয়- খাঁটি, অক্ষয়, ভালোবাসায় পরিপূর্ণ,
এবং শুধু তখনই হ্রদয়ের ডাক তার প্রত্যাশিত উত্তরের দেখা পায়।
যতক্ষণ পর্যন্ত, আমাদের মাঝে অহম বেঁচে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত ভালোবাসা'র দেখা পাওয়ার কোন আশা নেই। যখন ভালোবাসার আকাঙ্খা অহমের অন্ধকারাচ্ছন্নতাকে দূরে সরিয়ে দেয়, তখনই সত্যকে কাছে পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০২০ রাত ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



