somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ওয়ান টু ওয়ান মিটিং সফল ভাবে করতে যা করা প্রয়োজন

১০ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



চাকুরী জীবনে অনেক সময় বসরা অধঃস্থন কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সমস্যা সমাধানে বা তাদের পারফরম্যান্স রিভিউ করতে আলাদা ভাবে বসেন। এটাকে 'ওয়ান টু ওয়ান' মিটিং বলা হয়ে থাকে। কিন্তু, অনেক সময় এই মিটিংগুলো কোন পজিটিভ ফল বয়ে আনে না। মিটিং শেষে দেখা যায়, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অধঃস্থন কর্মকর্তা/কর্মচারীরা অনুপ্রাণিত না হয়ে বসের প্রতি হতাশা প্রকাশ করেন। কেন এমন হয়? সম্প্রতি এমন কিছু ঘটনা আমার জীবনে ঘটেছে। তারপরেই, লিংকডইনে একটি ট্রেনিং নেওয়ার পরে বুঝতে পারলাম এর পিছনের কারণগুলো।

ওয়ান টু ওয়ান মিটিংগুলোতে ভালো করতে হলে প্রথমেই নিজের মানসিকতা ঠিক করতে হবে- আপনি সেই মিটিং সম্পর্কে কি চিন্তা করছেন তা আগে থেকেই বুঝে নিতে হবে। এরপরে, আপনি যার সাথে মিটিং করতে যাচ্ছেন তার মানসিকতা কেমন সে সম্পর্কে ভালো ভাবে খোঁজ-খবর নেওয়া উচিৎ। এটা করতে না পারলে যার সাথে আপনি মিটিং করতে যাচ্ছেন, তা কোন কাজেই দিবে না।



'ওয়ান টু ওয়ান' মিটিংগুলো কঠিন হয় কেন?

আপনি হয়তো ভাবছেন- মিটিং কঠিন হবে কেন! গেলাম-বসলাম-কথা বললাম-উঠে চলে আসলাম...ব্যস! হয়ে গেলো মিটিং! কিন্তু, সেটা যার সাথে মিটিং করছেন তার জন্যে ফলদায়ক হলো কি না সেটা চিন্তা না করলে চলবে কি? চলবে না। বরং, দুজনেরই সময় নষ্ট হবে।

এমন হতে পারে, আপনি একটি মিটিং ডেকেছেন যেখানে আপনার অধীনস্থ কাউকে বলতে হবে যে সে তার কাজে ভালো করছে না। আপনি হয়তো খুব রাগ করে সেই মিটিং-এ গেলেন। এক পর্যায়ে বলে ফেললেন- তার চাকরী নট! আপনি হয়তো তা বলতে চাননি বা তা বলার এখতিয়ার আপনার নেই। কিন্তু আপনি তা বলে ফেলেছেন!

আবার, এমনও হতে পারে, আপনি হয়তো মনে করছেন, একজন ম্যানেজার হিসেবে আপনি ভালো করছেন। কিন্তু, সেটা হয়তো ঠিক নয়। কয়েকটি ওয়ান টু ওয়ান মিটিং করার পরে আপনি বুঝতে পারলেন, আপনার ধারণা ভুল!

অনেক সময় এমন হতে পারে, হায়ার ম্যানেজমেন্ট থেকে আপনাকে এমন কোন ম্যাসেজ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যা আপনি নিজেই সমর্থন করতে পারছেন না। তখন, আপনার পক্ষে এমন ওয়ান টু ওয়ান মিটিং করা কঠিন হয়ে পরে।

সেজন্যেই, এই ধরণের মিটিং করার জন্যে সঠিক মানসিকতা থাকাটা জরুরী। এই মিটিং কিভাবে ভালো ভাবে করা যায় তা আমি ধারাবাহিক ভাবে আপনাদের জানাবো। সবশেষে, একটি ছক দিবো যা আপনাকে এমন মিটিং-গুলোতে সফলতা বয়ে নিয়ে আসবে।



=====পর্ব-১=====
==============

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৫৭
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মৃত ১১০ জনকে জীবিত ফিরিয়ে আনুন

লিখেছেন চাঙ্কু, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ ভোর ৪:০৬



খুব সিম্পল একটা সামাজিক আন্দোলন - কোটা সিস্টেম সংস্কার করে একটা ফেয়ার কোটা সিস্টেম রাখা। আহামরি অন্য কোন দাবীও নাই যা সরকারের পক্ষে রাখা সম্ভব না। শিক্ষামন্ত্রী বা সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদালতের রায়ে কি সমাধান আসবে? কি হতে পারে বর্তমান অবস্থায়:

লিখেছেন সরলপাঠ, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ সকাল ১১:৪৯

কোটা সংস্কার নিয়ে আজকের অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ মূলত সরকারের রাজনৈতিক ভুল সিদ্ধান্তের ফল। গত কয়েকদিনে ২০০ এর অধিক মানুষকে হত্যার জন্যে সরকারই দায়ী। বর্তমান অবস্থায় সরকারের জন্যে সহজ কোন পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কোমলমতি "কোটা পরিবর্তনের" আন্দোলন করেনি!

লিখেছেন সোনাগাজী, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ বিকাল ৪:৩৬



**** কোর্ট কোমলমতি ফেইসবুকারদের "মোয়া" ধরায়ে দিয়েছে: কোটার ৯৩% নয়, ১৯৩% চাকুরীও যদি কোমলমতিদের দেয়া হয়, তারপরও ৪০ লাখ শিক্ষিত বেকার থাকবে; কারণ, কোটার শতকরা হার বাড়োনো হয়েছে কোমলমতিদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে ইন্টারনেট আসার আগে, এই পোষ্টটা সরিয়ে নেবো। (সাময়িক )

লিখেছেন সোনাগাজী, ২১ শে জুলাই, ২০২৪ রাত ৮:০৯



ভোলার মানুষজনের ১টা শান্ত্বনা আছে, উনারা সামান্য পয়সা দিয়েও মাঝে মাঝে ইলিশ পেয়ে থাকেন; অনেকে বিনা পয়সায়ও পেয়ে থাকেন মাঝে মাঝে; ইহা ব্যতিত অন্য কিছু তেমন নেই; ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×