আনিসকে চিনেন? আমিও চিনতাম না। 'সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে' উপন্যাসে তাঁর সাথে পরিচয় হলো। তাঁর আটরুমের বাসায় বইয়ের ছড়াছড়ি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর দেখা গেলো শোবার ঘর ছাড়িয়ে রান্না ঘরেও বই। মোট আশি হাজার বই ছিল। বাঙলার বাঘ আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের বইয়ের সংগ্রহের সাথে আনিস নিজের সংগ্রহকে তুলনা করেছেন বেশ হাস্যরস মিশিয়ে, ' সে তুলনায় আমাকে পান্থপথের বিড়াল বলতে পারো।'
.
উপন্যাসের নায়ক মারুফের সাথে তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই আনিসের কথোপকথনের কিছু অংশ তুলে ধরলাম। ঔপন্যাসিক মোস্তাক শরীফের লেখাটা পড়তে পড়তে স্বজন হারানোর কিছু স্মৃতি গলার কাছে কি যেন দলা পাকানোর অনুভূতির সৃষ্টি করেছে।
.
১৪৪ পৃষ্ঠার মধ্যে মাত্র ২৫ পৃষ্ঠা পড়েছি। আমাকে টানছে উপন্যাসটা। কাল অফিস না থাকলে আজ রাতেই পড়ে শেষ করতাম।
.
ভোরে ঘুম থেকে ওঠে উপন্যাসটা পড়ছি ।
লেখকের মায়াময় লেখায় আমি জড়িয়ে যাই । চোখটা ঝাপসা হয়ে আসে লেখকের বর্ণনায় । মারুফের চাকরি হয়েছে। ও বাসায় এসে ওর স্মৃতিভ্রষ্ট বাবাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে।
মো শামছুল ইসলাম
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০.

সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



