somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শামসুন হাসনাত
নারীর শৃঙ্খল মুক্তিnআমি নারীর শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছি। একজন নারী স্বাভাবিক ভাবে যা ভাবে আমি কখনও সে ভাবে কিছু ভাবিনি। সেই কিশোরী বয়সে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আহবানে ১৯৬৯ সালে গণ অভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছি। মাত্র ১৪

বাড়ীওয়ালা সমাচার

০৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি থাকি শেখেরট্যাক এলাকায়। আমার বাড়ীর পাশে যে বাড়ীটি আছে সেটি একজন উকিল সাহেবের। উকিল সাহেব সারা জীবন চোর ডাকাত বাটপার ছিনতাইকারীদেরকে নিয়ে কারবার করেছেন তাই তার ভয় কখন কোন চোর তার বাড়ীতে এসে সব চুরি করে নিয়ে যাবে। এই বাড়িটি ৫ তলা। প্রতিটি ফ্লোরে দুইটি করে ফ্লাট। সম্ভবতঃ বাড়ীওয়ালা থাকেন দুইটি ফ্লাট নিয়ে।সম্ভবতঃ বলছি এইজন্যে যে আমি কখনও তার বাড়ীতে যাইনি। যাহোক বাড়ীতে অবশ্যই একজন দারোয়ান আছে। ফলে সব সময় সদর দরজায় তালা দেয়া থাকে। বাড়ীর কোন ভাড়াটিয়ার কাছে এই তালার কোন চাবি নেই। কেউ এলে পরিচয় জেনে দারোয়ান দরোজা খুলে দেয়। এবং রাত ১১ টার পরে কেউ বাড়ীতে ঢুকতে পারে না। এমন কি ভাড়াটিয়ারাও নয়। তো দারোয়ানেরও তো ছুটি প্রয়োজন। সে ছুটিতে গেছে। বাড়ীওয়ালা এখন কি করবে? বাড়ীর প্রধান গেটের চাবি কার হাতে দেবে? বাড়ীর ভাড়াটিয়াদের হাতে দিলে তারা যদি কোন চোর, ডাকাত অথবা জঙ্গী ডেকে আনে তো কি হবে? কাজেই প্রয়োজন নেই এতো ঝামেলার। সেইজন্য প্রধান ফটকের চাবি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছেন। অবশ্য প্রধান ফটকের তালা ভিতর থেকে চাবি ছাড়াই খোলা যায়। অতএব যিনি বাইরে থেকে আসবেন তিনি তাঁর নিজের বাসার বেল টিপবেন। তারপর ভিতর থেকে কেউ এসে খুলে তাকে নিয়ে যাবে।
এই বাসায় থাকেন আমার এক বান্ধবী। নাম হাস্নাহেনা। বিকাল ৪টার দিকে আমি বাইরে থেকে বাসায় এসেছি। বাসায় ঢুকতে যাবো দেখি আমার বান্ধবীর ছেলে প্রান্ত তার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে সে হেসে ফেলে। বলে, "আন্টি আমি ১ ঘন্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। বেল টিপছি। কিন্তু কেউ দরোজা খুলছে না। কি করবো বলেন?" আমার কাছে তার কোন উত্তর নেই। শুধু বললাম, ‍"তোমার মা কোথায়?" সে বললো, "বুঝতে পারছি না। তবে আর একটু অপেক্ষা করি।" এইটুকু শুনে আমি আমার বাসায় ঢুকে পড়লাম। অবশ্য পরে শুনেছি আমার বান্ধবী বাসার মধ্যেই বাথরুমে ছিলেন। তিনি এসে তার ছেলেকে বাসায় নিয়ে যান।
আমার বান্ধবীর বড় ছেলে পিপাস ব্যবসা করে। তাকে প্রায়ই রাত ১১টার পরে বাড়ী ফিরতে হয়। দারোয়ানকে খুশী রাখতে তাকে মাঝে মাঝেই বখশিস দিতে হয়। একই সাথে বাড়ীওয়ালার কথা শুনতে হয়। কারণ বাড়ীওয়ালা কান খাড়া করে রাখেন কখন কে বাড়ীতে ঢোকে তা বোঝার জন্য। ফলে কোন কোন দিন পিপাস বেশী রাত হলে কোন আত্মীয়ের বাসায় রাত কাটায়।
প্রতি মাসের ৫ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে বাড়ী ভাড়া দিতে হয়। সব কিছু ঠিক থাকলে কোন ক্ষতি নেই। কিন্তু যদি কোন কারণে একটি বিষয়ের ব্যত্যয় ঘটে তাহলেই হয়েছে। সাথে সাথে শুনতে হয়ঃ আপনার না পোশাইলে আপনি চইলা যান। কত ভাড়াইট্যা আছে। আপনি নামনের লগে লগেই আর একজন উইঠ্যা যাইবো। এই হলো বাড়ীওয়ালা সমাচার।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×