somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আল কুরআনে পরস্পর বিরোধী দুটি বাক্য, আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত গাছের একটি পাতাও নড়ে না এবং মানুষের ভাগ্য তার ইচ্ছা ও কর্মের উপর নির্ভরশীল - এর সঠিক ব্যাখ্যা কি?

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১০:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কথা হলো আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন কুরআনে কোনো পরস্পর বিরোধী কথা নেই। আমরা আপাতঃ দৃষ্টিতে কুরআনের যে কথাগুলোকে পরস্পর বিরোধী বলে ভেবে থাকি তা মোটেও পরস্পর বিরোধী নয়। আমাদের জানার অভাব ও জ্ঞানের স্বল্পতার কারণেই আমাদের এরকম মনে হয়ে থাকে। এই জন্য আল্লাহ তাআলা বারবার আমাদেরকে কুরআন নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে সঠিক তথ্য উদঘাটন করতে বলেছেন।
আসুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক ইচ্ছা কত প্রকার ও কি কি?
ইচ্ছা ২ প্রকার -
১। তাৎক্ষণিক ইচ্ছা এবং
২। অতাৎক্ষণিক ইচ্ছা।
তাৎক্ষণিক ইচ্ছা হলো সেইসব ইচ্ছা যেই ইচ্ছাগুলো আমরা তৎক্ষণাৎ প্রকাশ করে থাকি আর সেই অনুযায়ী কাজ করি। যেমন: এইমাত্র আপনার বই পড়ার ইচ্ছা হলো তাই আপনি বই পড়তে শুরু করলেন । এটা হলো আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা ও সে অনুযায়ী কর্ম।
এবার আসুন অতাৎক্ষণিক ইচ্ছায়,
আপনার বাসাতে যে টিভি আছে তার অবশ্যই একটা রিমোট আছে। আর এই রিমোট অবশ্যই একজন ইঞ্জিনিয়ার প্রোগ্রামের সাহায্য নিয়ে তার ইচ্ছা মতো তৈরি করেছেন। ধরুন তিনি প্রোগ্রামের মাধ্যমে তার ইচ্ছা অনুযায়ী সেট করে দিয়েছে রিমোটের সবুজ বোতামটি টিপলে টিভি চালু হবে এবং লাল বোতামটি টিপলে টিভি বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আপনি রিমোটটি সহ টিভি কিনে বাসাতে এনেছেন । আপনি টিভি চালু করতে গিয়ে বারবার রিমোটের লাল বোতামটিতে চাপ দিচ্ছেন কিন্তু টিভি চালু হচ্ছে না। যেইমাত্র আপনি সবুজ বোতামে চাপ দিলেন সঙ্গে সঙ্গেই টিভি চালু হয়ে গেল। এখন বলুন তো টিভিটি কি শুধু আপনার নিজের ইচ্ছাতেই চালু হলো, নাকি ইঞ্জিনিয়ার তার ইচ্ছা অনুযায়ী যে বোতামটি টিভি চালু হওয়ার জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছিল সেই বোতামে চাপ দেওয়ার ফলে টিভি চালু হলো? ঠিক একই ভাবে আপনি যদি ওই বোতামটিতে চাপ না দিতেন তাহলে কিছুতেই টিভি চালু হতো না। অর্থাৎ আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা যখন ইঞ্জিনিয়ারের অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার সঙ্গে মিলে গেছে তখনই টিভিটি চালু হয়েছে।
এখন ভেবে দেখুন তো কাজটি তো আপনিই করলেন কিন্তু পরোক্ষ ভাবে কাজটি হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারের ইচ্ছায়। এখানে ইঞ্জিনিয়ার তার ইচ্ছা মতো আপনার জন্য দুটি অপশনই সেট করে রেখেছিল একটি ছিল টিভি চালু হওয়ার সঠিক বোতাম আর অন্যটি ছিল চালু হওয়ার জন্য ভুল বোতাম।
ঠিক আল্লাহর ইচ্ছায় সকল কাজ হওয়ার ব্যাপারটিও ইঞ্জিনিয়ারের ইচ্ছা অনুযায়ী রিমোটটি কাজ করার মতোই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সৃষ্টি করার আগেই নিজের ইচ্ছামত সকল নিয়ম কানুন তৈরী করে রেখেছেন। কোন কোন কাজ গুলো করলে আমরা সফল হবো অর্থাৎ জান্নাতে যেতে পারবো আর কোন কাজ গুলো করলে আমরা বিফল হবো অর্থাৎ জাহান্নামে যাবো তা আল্লাহ পূর্বেই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আপনার সামনে আল্লাহর ইচ্ছায় তৈরি করা সঠিক পথ এবং ভুল পথ দুইটায় খোলা আছে। এখন আপনি যদি সঠিক কর্মের দ্বারা সঠিক পথে চলেন তাহলে আপনি জান্নাতে যেতে পারবেন অর্থাৎ সঠিক পথ সংক্রান্ত আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার সঙ্গে যদি আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা ও কর্ম মিলে যায় তবেই আপনি জান্নাতে যাবেন। একই ভাবে ভুল পথ সংক্রান্ত আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার সঙ্গে আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা মিলে গেলে আপনার ঠিকানা হবে জাহান্নামে।
এখান থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় আপনার সফলতা আপনার কাজের উপরেই নির্ভরশীল। আপনি আপনার সাধ্য মতো কাজ করার পর আল্লাহর কাছে দোআ করুন , "হে আল্লাহ আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তুমি আমাকে সফল করো।" আল্লাহ অবশ্যই আপনার মনের নেক ইচ্ছা পূরণ করবেন। কিন্তু আমরা যদি কোনো কর্ম না করেই শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করি আল্লাহ কখনই আমাদের সফল করবেন না।
প্রকৃতি যে নিয়মে চলে সবি আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার ফল। আগুনের ধর্ম পোড়ানো, পানির ধর্ম শীতল করা, তাপের ধর্ম গরম করা এসবকিছু তিনি পূর্বেই নির্ধারন করে দিয়েছেন । আমরা নিজের ভাগ্যকে নিজের মতো করে গড়তে পারবো কিন্তু প্রকৃতির নিয়ম পাল্টানো সাধ্য আমাদের নেই । এই ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। যেমন ইব্রাহিম (আ:) কে যখন অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল তখন আগুন শীতল হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ সেই মুহূর্তে আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছা তার তাৎক্ষণিক ইচ্ছার দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছিল।
সারকথাঃ আমরা ভালো, মন্দ যা কিছু করি সবই আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়, কিন্তু তা হলো আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছা। সুতরাং আমাদের সফলতা আমাদের কর্মের উপরই নির্ভরশীল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে হেদায়েত করেন এই বিষয়টিও ঠিক একই রকম। আমাদের চেষ্টা করতে হবে আর আল্লাহ সেই চেষ্টার ফল দেবেন।
আমি আপনাদের বিষয়টি কতটুকু ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি জানি না। তবুও আশা করি, এই আলোচনাটি সামান্যটুকু হলেও আমাদের সকলের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে।
আল্লাহ সবাইকে সঠিক ভাবে বুঝে সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। "আমিনআলরআনে পরস্পর বিরোধী দুটি বাক্য, আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত গাছের একটি পাতাও নড়ে না এবং মানুষের ভাগ্য তার ইচ্ছা ও কর্মের উপর নির্ভরশীল - এর সঠিক ব্যাখ্যা কি?
==============================================
কথা হলো আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন কুরআনে কোনো পরস্পর বিরোধী কথা নেই। আমরা আপাতঃ দৃষ্টিতে কুরআনের যে কথাগুলোকে পরস্পর বিরোধী বলে ভেবে থাকি তা মোটেও পরস্পর বিরোধী নয়। আমাদের জানার অভাব ও জ্ঞানের স্বল্পতার কারণেই আমাদের এরকম মনে হয়ে থাকে। এই জন্য আল্লাহ তাআলা বারবার আমাদেরকে কুরআন নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে সঠিক তথ্য উদঘাটন করতে বলেছেন।
আসুন প্রথমে জেনে নেওয়া যাক ইচ্ছা কত প্রকার ও কি কি?
ইচ্ছা ২ প্রকার -
১। তাৎক্ষণিক ইচ্ছা এবং
২। অতাৎক্ষণিক ইচ্ছা।
তাৎক্ষণিক ইচ্ছা হলো সেইসব ইচ্ছা যেই ইচ্ছাগুলো আমরা তৎক্ষণাৎ প্রকাশ করে থাকি আর সেই অনুযায়ী কাজ করি। যেমন: এইমাত্র আপনার বই পড়ার ইচ্ছা হলো তাই আপনি বই পড়তে শুরু করলেন । এটা হলো আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা ও সে অনুযায়ী কর্ম।
এবার আসুন অতাৎক্ষণিক ইচ্ছায়,
আপনার বাসাতে যে টিভি আছে তার অবশ্যই একটা রিমোট আছে। আর এই রিমোট অবশ্যই একজন ইঞ্জিনিয়ার প্রোগ্রামের সাহায্য নিয়ে তার ইচ্ছা মতো তৈরি করেছেন। ধরুন তিনি প্রোগ্রামের মাধ্যমে তার ইচ্ছা অনুযায়ী সেট করে দিয়েছে রিমোটের সবুজ বোতামটি টিপলে টিভি চালু হবে এবং লাল বোতামটি টিপলে টিভি বন্ধ হয়ে যাবে। এখন আপনি রিমোটটি সহ টিভি কিনে বাসাতে এনেছেন । আপনি টিভি চালু করতে গিয়ে বারবার রিমোটের লাল বোতামটিতে চাপ দিচ্ছেন কিন্তু টিভি চালু হচ্ছে না। যেইমাত্র আপনি সবুজ বোতামে চাপ দিলেন সঙ্গে সঙ্গেই টিভি চালু হয়ে গেল। এখন বলুন তো টিভিটি কি শুধু আপনার নিজের ইচ্ছাতেই চালু হলো, নাকি ইঞ্জিনিয়ার তার ইচ্ছা অনুযায়ী যে বোতামটি টিভি চালু হওয়ার জন্য নির্ধারিত করে দিয়েছিল সেই বোতামে চাপ দেওয়ার ফলে টিভি চালু হলো? ঠিক একই ভাবে আপনি যদি ওই বোতামটিতে চাপ না দিতেন তাহলে কিছুতেই টিভি চালু হতো না। অর্থাৎ আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা যখন ইঞ্জিনিয়ারের অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার সঙ্গে মিলে গেছে তখনই টিভিটি চালু হয়েছে।
এখন ভেবে দেখুন তো কাজটি তো আপনিই করলেন কিন্তু পরোক্ষ ভাবে কাজটি হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারের ইচ্ছায়। এখানে ইঞ্জিনিয়ার তার ইচ্ছা মতো আপনার জন্য দুটি অপশনই সেট করে রেখেছিল একটি ছিল টিভি চালু হওয়ার সঠিক বোতাম আর অন্যটি ছিল চালু হওয়ার জন্য ভুল বোতাম।
ঠিক আল্লাহর ইচ্ছায় সকল কাজ হওয়ার ব্যাপারটিও ইঞ্জিনিয়ারের ইচ্ছা অনুযায়ী রিমোটটি কাজ করার মতোই। আল্লাহ তাআলা আমাদের সৃষ্টি করার আগেই নিজের ইচ্ছামত সকল নিয়ম কানুন তৈরী করে রেখেছেন। কোন কোন কাজ গুলো করলে আমরা সফল হবো অর্থাৎ জান্নাতে যেতে পারবো আর কোন কাজ গুলো করলে আমরা বিফল হবো অর্থাৎ জাহান্নামে যাবো তা আল্লাহ পূর্বেই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আপনার সামনে আল্লাহর ইচ্ছায় তৈরি করা সঠিক পথ এবং ভুল পথ দুইটায় খোলা আছে। এখন আপনি যদি সঠিক কর্মের দ্বারা সঠিক পথে চলেন তাহলে আপনি জান্নাতে যেতে পারবেন অর্থাৎ সঠিক পথ সংক্রান্ত আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার সঙ্গে যদি আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা ও কর্ম মিলে যায় তবেই আপনি জান্নাতে যাবেন। একই ভাবে ভুল পথ সংক্রান্ত আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার সঙ্গে আপনার তাৎক্ষণিক ইচ্ছা মিলে গেলে আপনার ঠিকানা হবে জাহান্নামে।
এখান থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় আপনার সফলতা আপনার কাজের উপরেই নির্ভরশীল। আপনি আপনার সাধ্য মতো কাজ করার পর আল্লাহর কাছে দোআ করুন , "হে আল্লাহ আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি, সকল ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ে তুমি আমাকে সফল করো।" আল্লাহ অবশ্যই আপনার মনের নেক ইচ্ছা পূরণ করবেন। কিন্তু আমরা যদি কোনো কর্ম না করেই শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করি আল্লাহ কখনই আমাদের সফল করবেন না।
প্রকৃতি যে নিয়মে চলে সবি আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছার ফল। আগুনের ধর্ম পোড়ানো, পানির ধর্ম শীতল করা, তাপের ধর্ম গরম করা এসবকিছু তিনি পূর্বেই নির্ধারন করে দিয়েছেন । আমরা নিজের ভাগ্যকে নিজের মতো করে গড়তে পারবো কিন্তু প্রকৃতির নিয়ম পাল্টানো সাধ্য আমাদের নেই । এই ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর। যেমন ইব্রাহিম (আ:) কে যখন অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল তখন আগুন শীতল হয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ সেই মুহূর্তে আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছা তার তাৎক্ষণিক ইচ্ছার দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছিল।
সারকথাঃ আমরা ভালো, মন্দ যা কিছু করি সবই আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়, কিন্তু তা হলো আল্লাহর অতাৎক্ষণিক ইচ্ছা। সুতরাং আমাদের সফলতা আমাদের কর্মের উপরই নির্ভরশীল। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে হেদায়েত করেন এই বিষয়টিও ঠিক একই রকম। আমাদের চেষ্টা করতে হবে আর আল্লাহ সেই চেষ্টার ফল দেবেন।
আমি আপনাদের বিষয়টি কতটুকু ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি জানি না। তবুও আশা করি, এই আলোচনাটি সামান্যটুকু হলেও আমাদের সকলের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে।
আল্লাহ সবাইকে সঠিক ভাবে বুঝে সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। "আমিন"
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১০:১১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×