স্বর খুব চটুল স্বভাবের; সবার আগে চিঠি লিখলো সে। বাহক মারফত পাঠিয়ে দিলো চিঠি। সে লিখলো-
তোমায় কত্তো ভালোবাসি
তুমি জানো কী না!
বাঁচবো নাকো পৃথিবীতে
আমি তোমায় বিনা।
মাত্রা একটু ধীর টাইপের; সে লিখলো দ্বিতীয় নম্বরে এবং লিখে পেঁৗছে দিলো কবিতার কাছে।
কতো যে তোমাকে ভালোবাসি আমি
তুমি তা জেনেছো কী না
বাঁচবো না আর এই পৃথিবীতে
আমি যে তোমাকে বিনা।
অক্ষর কথার মারপঁ্যাচ বোঝে; সে লিখলো একুট ভেবে চিন্তে-চিন্তে-
ভালোবাসি আমি তোমাকেই
কখনো জেনেছো তুমি?
তোমাকে ছাড়া এ পৃথিবীতে
বাঁচতে পারি কী আমি!?
সবশেষে লিখলো গদ্য। কবিতার হাতে পেঁৗছলো সেই চিঠি সবার পরে।
আমি তোমাকে কতো ভালোবাসি- তুমি তো জানো না!
তোমাকে ছাড়া এই পৃথিবীতে আমি কখনো বাঁচবো না।
পাঠক বলুন তো- কে বিজয়ী হয়েছিলো কবিতার প্রেমে? উত্তর হলো- গদ্য, গদ্য এবং গদ্য। কেন গদ্যের চিঠি কি অন্যদের চেয়ে আলাদা ছিলো? তা না, তবে এখন গদ্যের যুগ। গদ্য আধুনিক টাইপের মানুষ। মানুষ গদ্যদেরকেই পছন্দ করে বেশি। আর আমার গল্পের স্যাঁকা খাওয়া প্রেমিকরা হলো স্বর, মাত্রা এবং অর। মানে কবিতারই তিন ছন্দ- স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত এবং অক্ষরবৃত্ত। যেহেতু গদ্যেরই জয়-জয়কার আজকাল। তাই ভালোবাসার চিঠি লিখুন গদ্যে এবং প্রেমিক হিসেবে বিজয়ী হোন। আর নিতান্তই কবিতায় লিখতে চাইলে সে কবিতা যেন হয় গদ্য-ছন্দে।
দুনিয়ার প্রেমিকদের জয় হোক। গদ্যের আধুনিকতার জয় হোক! কবিতা তোমায় আজকে দিলাম ছুটি!?
01.08.2006
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




