somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শেখ এম উদ্‌দীন
আমার ব্লগ আমার বাসার ড্রয়িং রুমের মত, আমি এখানে যেকোনো কিছু দিয়ে সাজাতে পারি আপনার পছন্দ না হলে বলতে পারেন আমার কোন আসবাবটির অবস্থান বা ডিজাইন আপনার পছন্দ হয় নি এবং কেন হয় নি। তবে তা অবশ্যই ভদ্র ভাষাতে। ভাষার ব্যবহার করতে জানা অনেক বড় একটি গুন

মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় সমীপেষু এক রাবিশ আমজনতার খোলা চিঠি-

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৭:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটি দেশ এবং জাতীর যাত্রা শুরু ১৯৫২ এর ভাষা আন্দলনের মধ্যে দিয়ে। যে জাতি ভাষার অধিকার এর জন্য জীবন দান করে বিশ্বে অতুলনীয় নজির স্থাপন করেছিল সেই জাতি ই এর ধারাবাহিকতা তে ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছিল স্বাধীনতা। এই ১৯৫২ হতে ১৯৭১ এর চুরান্ত বিজয়ের পিছনে যে কয়েকটি গুন কাজ করেছিল তার মধ্যে অন্যতম হইল জাতীয়তাবোধ, সততা এবং স্বাধীন হবার প্রবল আকাঙ্খা। এখন প্রশ্ন আসে স্বাধীনতা যুদ্ধের অপরিহার্যতার কারণগুলো কি কি ছিল (মোটা দাগে)?
১। অর্থনৈতিক বৈষম্য (পূর্ব পাকিস্তানের অর্থে পশ্চিম পাকিস্তানের উন্নয়ন)।
২। চাকুরি ক্ষেত্রে বৈষম্য (যোগ্যতা থাকা সত্তেও ভাল চাকুরি না পাওয়া)
৩। জনগণের ব্যালটের রায় কার্যকর না করা (এক কথাতে ভোটের অধিকার হরন করা)

এখন আমরা একটু চোখ বুলাই আসলে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে উদ্যেশ্যে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম তার কত টুকুন সফল হইল-
দেশ স্বাধীন হবার পর পরই এক শ্রেণীর নেতা (যাহাদের সিংহ ভাগই মুক্তিজুদ্ধ চলা কালিন ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং দেশে এসে বুক ফুলিয়ে নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক দাবি করে হাম্বীতম্বি করতেছিলেন) লুটপাটে ব্যস্ত হয়ে পরলেন। যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধু বলতে বাধ্য হলেন “সবাই পায় সোনার খনি আর আমি পেয়েছি চোরের খনি”। বাংলাদেশে কিন্তু তখন এক দলীয় শাসন নয় শুধু রাজনীতি ও একদলীয় ছিল। তাহলে বঙ্গবন্ধু যাদের এই চোর আখ্যা দিয়াছিলেন তারা কারা? এই প্রশ্নের জবাব আমার জানা নাই কারন আমার তখন জন্ম ই হয় নাই। আর যাদের জানা আছে তারা বলবেন না কারন তারা যে সিজনাল বুদ্ধিজীবী। কারন জহির রায়হানের মতন নির্ভীক বুদ্ধিজীবীগণকে (৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ হতে নিরুদ্দেশ) এই সকল লোকজন ই তাদের কৃতকর্মের কালিমা ঢাকতে গুম করেছিলেন।যার ধারাবাহিকতাতে আজও বাংলাদেশে হাজার হাজার মানুষ গুম হচ্ছে। তৎকালীন সেই সকল দেশপ্রেমিক (তথাকথিত) মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক দাবীদারদের সীমাহীন দুর্নীতি চুরি, লুণ্ঠন যার লাগাম টেনেধড়তে স্বয়ং বঙ্গবন্ধু ও ব্যার্থ হন। যার ফলশ্রুতিতে ১৯৭৪ এর মার্চ হতে ডিসেম্বর পর্যন্ত এক দুর্বিষহ দুরবিক্ষ এর জাঁতাকলে পিষ্ট হতে হয় সদ্য স্বাধীন সপ্নে বিভোর এক জাতিকে। যে দুরবিক্ষে ২৭০০০ (সরকারী মতে কিন্তু সামাজিক জরিপে এর বহুগুণ) বাংলাদেশী না খেয়ে মারা যান যাদের এক জন ও নেতা বা নেত্রি ছিলেন না ছিলেন রাবিশ আমজনতা।

এর পরে বাঙ্গালির ইতিহাসের কলঙ্কজনক অনেক অধ্যায় ই রচিত হল যার মধ্যে অন্যতম হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের অনেক কে হত্যা করল ঘাতকরা পরিতাপের বিষয় এই যে তখন ও দেশে একদলীয় শাসন চলছে তাহলে কেন এভাবে শোচনীয় ভাবে জীবন দিতে হল তাঁর মত একজন মহান নেতাকে? তখনকার গোয়েন্দা সংস্থা কি কাজ করতেছিল কি কাজেই বা ব্যাস্তছিল রক্ষীবাহিনী? এই প্রশ্নের জবাব ও আজও পেলাম না।
এর পর কালের পরিক্রমাতে বাঙালিজাতি পেলেন আরেক দেশপ্রেমিক নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তাঁকেও নিসংস ভাবে হত্যা করা হল। অর্থাৎ যিনিই বাংলার আপামর বা রাবিশ আমজনতার ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টা করেছেন কাকতালীয় ভাবে স্বাধীন বাংলাদেশেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
এর পরে অনেক চড়াই উৎরাই পেরলেও আর কোন আপোষহীন (সত্ত্যিকারের আমজনতার ভাগ্য উন্নয়নের জন্য) নেতা বা নেত্রি আমরা হয়ত পাই নাই।

১৯৯০-২০১৫ এই ২৫ বছর দেশে কিন্তু বি এন পি এবং আওয়ামীলীগ ই ক্ষমতাতে আছেন। প্রতি টার্ম এ ই আমরা দুর্নীতির জাঁতাকলে পিষ্ট হই। কিন্তু গত ২০০৮-২০০১৩ বা ২০১৩-২০১৫ সালের অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারি দেশের সকল দুর্নীতির সূচক ছাড়িয়ে গেছে। এই ৭ বছরে ডেস্টিনি গ্রুপ ৩,২৮৮.২৬ কোটি, স্টক মার্কেট হতে ৪০০০ কোটি এবং হলমার্ক, বিসমিল্লাহ এবং অন্যান্য কোম্পানির ঋণ দুর্নীতি ৩৫৪৭ কোটি অর্থাৎ এই বড় অঙ্কের ধরা খাওয়া চুরির পরিমাণ সর্বমোট ১০৮৩৫.২৬ কোটি টাকা। এই টাকা ২০১১-২০১৫ সালের বাজেটে বিদেশী সাহায্যের প্রায় দিগুন। (সূত্রঃ Click This Link)
অর্থাৎ এই পরিমাণ টাকা চুরি না হলে আমাদের দুই অর্থ বছর বিদেশীদের দ্বারে ভিক্ষার ঝুলি হাতে যাওয়া লাগতো না। পদ্মা সেতুর দুর্নীতির থেকে দলীয় লোকদের বাঁচাতে আপনি বিশ্বব্যাংক কে না বলেছেন এবং নিজেদের অর্থায়নে সেতু তৈরি করবেন বলেছেন এর জন্য আপনি হয়ত অনেকের কাছথেকে ধন্যবাদ পাবেন কিন্তু যেই দেশে আপনার শাসনামলেই বাজেট ঘাটতি পুরনের জন্য আমাদের মত রাবিশদের মাথা বন্ধক রেখে বৈদেশিক ঋণ বা ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে আপনি অন্য দেশের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান সেই দেশের মন্ত্রী হয়ে আপনার মুখে কি এমন কথা শোভা পায়? আপনাদের দোসরদের এই চুরির বদৌলতে আজ ৪৪ বছরেও আমরা বাংলার রাবিশ আমজনতারা অর্থনৈতিক বৈষম্যের জাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছি প্রতিনিয়ত।

কয়েকদিন পূর্বে হলমারক (১৭০০ কোটি) এবং অন্যান্য কোম্পানির ২০৮৬ কোটি টাকার ঋণ আদায় যোগ্য নয় বলে সোনালি ব্যাঙ্ক করতিপক্ষ তাদের অব্যাহতি দিলেন যেখানে রাস্ট্রয়াত্ত সোনালি ব্যাংক নিজেই ৩৯৪ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতিতে আছে! এ যেন ভিখারির লাসভেগাসের বিলাস জীবনের মত অসম্ভব এক গল্প যা আপনি আমাদের সফল মঞ্চায়ন করে দেখালেন। আপনি কি একবার চিন্তা করে দেখেছেন এই টাকাগুলো বাংলাদেশের জনগন কত কষ্টে আয় করেছে? আপনি কি জানেন কত মা বিদেশের মাটিতে গৃহ কর্মীর কাজ করতে গিয়ে নিজের সম্ভ্রম বিসর্জন দিয়ে আপনাদের এই অর্থের যোগান দিচ্ছে? আপনারা তো চুক্তি করেই খালাস যেখানে মায়ানমার বা ভারত মধ্যপ্রাচ্যে নারী গৃহকর্মী পাঠান বন্ধ করে দিয়েছে যৌন হয়রানি হয় বলে সেখানে আপনারা তাদের (ভারতের) অর্ধেক বেতনে গৃহকর্মী পাঠানোর প্রস্তাবে রাজি হয়ে এমন ভাব নিচ্ছেন যেন এই রাবিশ জনগণের জন্য আপনারা এক দিগ্বিজয়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। আসলে আপনাদের এই সকল চুরি করা টাকার বা চুরির খাতে আরও টাকা যোগান দেবার জন্য ই তো এই আয়োজন। আফসোস ১৯৭১ সালে আমাদের মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে পেয়েছি এক স্বাধীন দেশ আজ তার ৪৪ বছর পরেও এই স্বাধীন দেশের চোরদের চুরি ঢাকতে আমাদের মা বোনদের ইজ্জত মাত্র ৮০০ রিয়ালের বিনিময়ে বিকানো হচ্ছে। সেই সাথে আমাদের ভাইদের রক্ত পানিকরা অর্থ ও যাচ্ছে একি উদ্যেশ্যে।
মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় আপনার কি জানা আছে এই বিদেশ বিভুয়ে এই সকল আমজনতা রাবিশ গুলো কিভাবে জীবন যাপন করে আপনার মতে ৪০০০ কোটি টাকা একটা দেশের জন্য কিছুই না পরিমাণ টাকা পাঠান? আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি ঐ একি উপায়ে আপনি ৪০০০ টাকাও আয় করতে পারবেন না।

গত এক বছরে বাংলাদেশের ৩,২৩৬ কোটি টাকা সুইস ব্যাঙ্কে জমা হয়েছে (Click This Link) এই টাকার উৎস কি আপনার জানা আছে জনাব? এই খবরের পর পরই আপনারা বললেন এই টাকা ফিরত আনার ব্যাবস্থা করতেছি !!!
এমন গুল কি বাংলার মানুষ বিশ্বাস করবে? যেই দেশে ২০৮৬ কোটি টাকার ঋণ আদায় করার ক্ষমতা রাখে না সেই দেশ কিভাবে সুইস ব্যাংক হতে লুট হওয়া টাকা ফিরত আনবে? দেশে যখন বিরোধী জোটের ডাকে হরতাল অবরোধ এ মানুষ পুড়ছে সেই সাথে সরকারী দলের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সরন কালের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে তখনই আপনারা সুকৌশলে বাংলার কামার, কুমার, মুটে, তাতি, কৃষক, সৎ চাকুরীজীবী অথবা হাড়ভাঙ্গা খাটুনে অভিবাসীদের মত রাবিশদের জমানো অর্থ চুরির দায়মুক্তি দিলেন। কি চমৎকার আপনাদের বুদ্ধি কতইনা প্রজ্ঞাবান আপনারা!!

এই আলোচনার প্রেক্ষিতে আপনি কি দয়া করে বলবেন কতটুকুন অর্থনৈতিক বৈষম্য দুর হয়েছে এই ৪৪ বছরে?
আমি একটি বিসিএস এর ভাইভা দিয়াছিলাম সেখানে ৫ টা প্রশ্নের ৪ টার উত্তর দিয়েছিলাম একটি বাদে কিন্তু আমি সগৌরবে ফেল করি কারন আমার ছাত্রলীগ এর লিস্ট এ নাম ছিলানা বা কোন মামা চাচা ছিল না। এটা শুধু আমার একার চাকুরি গ্রহনের চিত্র তা কিন্তু নয় এটা আজ বাংলার ঘরে ঘরে খুবই কমন একটা চিত্র। আমার এক বন্ধু সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে চাকুরির জন্য পরীক্ষা দিয়ে সব স্টেপ পাশ করলেও একটা স্টেপ এ ফেল মারে তা হল ওর ছোট ভাই এলাকার ছাত্রদল এর সভাপতি। এই কারনে ওর পুলিশ ভেরিফিকেসন রিপোর্ট খারাপ দেয়। যার ফলে ওর সাথের সবাই জয়েন করলেও ও এখনো জনতা ব্যাঙ্কেই আগের চাকুরিতে আছে। এমন লাখো উদাহরণ টানা যাবে যেখানে যোগ্য হয়ে ও অনেকেই বেকারত্তের অভিশাপ বহন করে চলছেন। অন্যদিকে আমাদের এক ইয়ারমেট বি সি এস এ ঐচ্ছিক এক বিষয় পরীক্ষা না দিয়ে ই এডমিন ক্যাডার এ জব করছেন। যিনি জয়েন করার আগে তাঁর প্রেমিকাকে গল্পছলে বলতেছিলেন তিনি সরাসরি ডি সি হিসেবে যোগ দিতে চাচ্ছেন কিন্তু কোন জেলা খালি নাই তাই মাজিস্ট্রেট হিসেবেই যোগ দিতে হচ্ছে !!!!

তৎকালীন বাঙ্গালিরা চাকুরীক্ষেত্রে বৈষম্যের স্বীকার হইত এক ভিন্ন জাতীর হাতে আর আজ হয় আওয়ামীলীগ বা বি এন পি নামধারী কিছু গোষ্ঠীর হাতে। আজো বাংলাদেশে মাহাবুব শাহিনের মত হাজারো মাহাবুব ঢাবি তে পড়াশুনার পরেও চাকুরি না পেয়ে আত্মহত্যা করে (Click This Link)। কারন আত্মহত্যা না করে তারা কি করবে? ১৯৭১ সালে এই একি কারনে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল এবং তা ছিল পাক-হানাদার দের বিরুদ্ধে কিন্তু আজ তারা কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে? তাই নিজেকেই শেষ করেদিচ্ছেন।
মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় আপনি কি আপনার প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লাখো যোগ্য আত্মাহুতি দানকারী রাবিশদের কথা একবার ভেবেছেন?

ভাববেন কেন যেখানে ৪০০০ কোটি টাকা কোন টাকাই না সেখানে আপনি কিভাবে জানবেন যে মাসে ৪০০০ টাকার যোগান দানের হাত হতে পরিবারকে বাঁচাতে একজন শিক্ষিত নাগরিক আত্মহত্যার মত জঘন্য অপরাধ করতেও দ্বিধাবোধ করেন না।

আসলে আপনাদের এত ভাবার সময় কই যেখানে ভোটের অধিকার আদায়ের জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয়ে গেল সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সমকালীন একমাত্র দল দাবি করেও আপনারা ১৫৪ টি আসনের জনগণের ভোটের অধিকার কেরে নিয়েছেন। আর এই কেরে নিয়ে আপনাদের মনে এতটুকুন লজ্জাবোধ ও নাই। কিন্তু আমরা রাবিশ জনগন আপনাদের এই সকল কৃতকর্মে যারপরনাই লজ্জিত এবং স্তম্ভিত।

আপনাদের মঙ্গলার্থে একটি কথা সবিনয় ভাবে মনে করিয়ে দেই আর তা হল বাংলার জনগণের কিন্তু ধৈর্য অসীম তারা আজও ধৈর্য ধারন করে আছেন দেশের বৃহত্তর কল্যানের কথা ভেবে। কিন্তু আপনারা এমন বৈষম্যের বীজ বপন চালু রাখলে এদেশের রাবিশ জনগণের ধৈর্যের বাধ ভাঙ্গতে কিন্তু বেশি দেরি হবে না। আর এই সকল রাবিশদের ধৈর্যের বাধ ভাঙ্গলে তারা কত ভয়ংকর হতে পারে তা আমরা নতুন প্রজন্ম না দেখলেও আপনারা খুব ভাল ভাবে ১৯৬৯ বা ১৯৭১ এ দেখেছেন।

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আপনার নিকট আকুল আবেদন এই যে দয়া করে আপনার দলের সহ সকল দলের চোরদের অব্যাহতির পরিবর্তে বিচারের সম্মুখীন করেন এবং আমাদের রাবিশদের পকেট হতে যে টাকা মেরে দেওয়া হয়েছে তা দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাবস্থা বা আদায়ের ব্যাবস্থা করুন। তা না হলে এই রাবিশ জনগন আপনাদের এমন খবিশ কৃতকর্মের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে বা অন্য যে কোন উপায়ে করায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দিবেন।
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চন্দ্রপ্রভা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

চন্দ্রপ্রভা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তোমাকে দেখে মোহিত হই চন্দ্রপ্রভা
রোদ পড়লে চকচক করে
এতই সুন্দর লাগে
একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকি।
তোমাকে ছুঁতে ইচ্ছে করে
কিন্তু পাই না যে সাহস।
তুমি নাই বলে কি এত ঝড়?
তুমি পাশে নাই বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনি কি পেলেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৬



বাংলার দুই নোবেল জয়ী রবি ঠাকুর আর ডঃ ইউনুসের পিছনে অনেক কথাই তো বললেন।
ব্লগ লেখায় ভরিয়ে ফেললেন!
খোদা তাঁদেরকে যে জায়গা দিয়েছেন, তা থেকে এক চুল কি নিচে নামাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তোমরা নেহা বোরা কে বাংলাদেশের কথা বোলো না

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৬ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২


নেহা বোরাকে তোমরা বাংলাদেশের কথা বোলো না। বোলো না যে, তিনি যখন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ভূয়সী প্রশংসা করছেন, তখন বাংলাদেশে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুনেরা ক্যাম্পাসে গরু জবাই করে জেয়াফত খাওয়ার আন্দোলন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রংয়ের মানুষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গ্রেট মাদ্রাজ ফ্যামিন যখন অনুপ্রেরণার উৎস
একদিন আমাদের সবার প্রিয় সংসদ সদস্য আমির হামজা ওয়াজে বেশ গরম গরম কথা বলছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হঠাৎ রাশমিকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×