somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শেখ এম উদ্‌দীন
আমার ব্লগ আমার বাসার ড্রয়িং রুমের মত, আমি এখানে যেকোনো কিছু দিয়ে সাজাতে পারি আপনার পছন্দ না হলে বলতে পারেন আমার কোন আসবাবটির অবস্থান বা ডিজাইন আপনার পছন্দ হয় নি এবং কেন হয় নি। তবে তা অবশ্যই ভদ্র ভাষাতে। ভাষার ব্যবহার করতে জানা অনেক বড় একটি গুন

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক গনের আন্দোলন

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান বেতন কাঠামোর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকগন স্বতন্ত্র বেতন স্কেল দাবি করে আন্দোলনরত আছেন।

তাঁদের দাবি অবশ্যই যৌক্তিক কিন্তু তাঁদের দাবীগুলো কি সত্যিকারেই সঠিক ভাবে উপস্থাপন হচ্ছে?

প্রথমতঃ শিক্ষকগন কি বেতন পান নাকি সম্মানি?

দ্বিতীয়তঃ প্রাথমিক, মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিক এর শিক্ষকগন কেন এই দাবির মধ্যে যুক্ত নন?

ওনারা কি মনে করেন প্রাইমারী, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় বাদেই ওনারা দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থার উন্নয়ন করে ফেলতে পারবেন?

মনে করতেও পারেন কারন ওনারা কখনো এই তিন পর্যায়ের শিখকদের শিক্ষক হিসেবে মুল্য দেন না।
অথচ, এঁদের মুল্য না দিয়ে কোন জাতি উন্নতির সিখরে পৌঁছাতে পারেনি আর পারবেও না।

অবশ্য জাতির উন্নয়নের চেয়ে নিজেদের পকেটের কিংবা চেয়ারের উন্নয়নের প্রতিই ওনাদের খেয়াল বরাবর বেশি বলেই দেখেছ (কদাচিৎ কিছু ব্যাতিক্রম ব্যতিত)।

আমার মেয়েদের স্কুলে দেবার ব্যাপারে আমার জাপানিজ প্রফেসর এর সাথে কিছু স্কুল ভিজিট করেছিলাম। ঐ কিন্ডারগারটেন স্কুলের শিক্ষিকা শিক্ষক দের আমার প্রফেসর যে পরিমান সম্মান দেখালেন তা দেখে আমি মুগ্ধ। এই সম্মান প্রদর্শন কি আমার প্রফেসর এর সম্মান হানি করেছে? করেনি।

অথচ আমি সেন্ট জোসেফে থাকা কালিন এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের আমার সাথে তাঁর বড়ত্বের যে অহংকার দেখিয়েছেন তা আমি মৃত্যুর পূর্বে ভুলতে পারব কিনা জানি না।

এমন অনেক ঘটনা বলা যাবে কিন্তু আমাদের পরিবর্তন হবে কিনা জানি না। আমরা আজো নিজেকেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভাবি, আমরা মনে করি আমি বা আমার শ্রেণী না হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যেত। অন্য কারো যে এই দেশের প্রতি অবদান থাকতে পারে তা মেনে নিতে কষ্ট হয়।


পরিশেষে বলব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ শিক্ষক সমাজের অভিভাবক। কোন ভালো অভিভাবক একা নিজের পেটের কথা চিন্তা করতে পারে না যদি সে মানুষ হয়। আপনাদের দাবিকে এমন করা যায় কিনা ভেবে দেখবেন দয়া করে,
"সকল পর্যায়ের শিক্ষকগনের জন্য স্বতন্ত্র এবং যৌক্তিক সম্মানির ব্যাবস্থা করুন"।


জানি না বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বড় বড় স্যারগন এই ক্ষুদ্র শিক্ষকের কথাতে আবার কষ্ট পান কিনা। যদি পান তাহলে অগ্রিম ভাবে দুঃখিত বলে নিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:১৫
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×