ঢাকা ব্যাংকের কাকরাইল কর্পোরেট অফিস ক্রস করবার সময় অবশ্যই একটি বড় ব্যানার চোখে পড়বে, Celebrating 20 years of Friendship..... সত্যি বলতে কি শুধু ঢাকা ব্যাংকই নয় এবছর 20 years of Friendship সেলিব্রেট করবার কথা ছিল আমাদের তিনজনেরও- আমার Tausif আর Sajjad এর ... আমাদের তিন বান্দরের একটা আলাদা জগত আছে যেখানে অন্য কোন মানুষ কিংবা বান্দরের প্রবেশাধিকার নেই এবং সেই আলাদা জগতটি একদিনে তৈরি হয়নি বরং আমাদের তিনজনের বিশ বছরের বন্ধুত্ব কিংবা বিশ বছরের ভালবাসা কিংবা বন্ধুত্ব অথবা ভালবাসার চেয়েও বেশী কিছুরই ফলাফল !
আমাদের তিনজনের মধ্যে মিল হচ্ছে আমাদের তিনজনেরই মাশাআল্লাহ হাতের লেখার অবস্থা খুবই করুণ, আমরা তিনজনই আবার সেই করুণ হাতের লেখা নিয়েও ক্লাস এইটে বৃত্তি পাওয়া সোনার ছেলে
আর অমিল হচ্ছে... তাওসিফ, সাজ্জাদ দুইজনই ক্লাস ফাইভেও বৃত্তি পেলেও আমি পাইনি আবার আমাদের তিনজনের মধ্যে তাওসিফ সবচেয়ে ভয়ংকর ব্রিলিয়ান্ট, অনেকটা বাংলা সিনেমার নায়কদের মত ভয়ংকর ব্রিলিয়ান্ট- লাইফের সব পরীক্ষায় ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হওয়া টাইপ তাই সে আইবিএ'র বিবিএ'র ছাত্র। সাজ্জাদও ভয়ংকর ব্রিলিয়ান্ট, কিন্তু সে সিনেমার নায়কদের মত নয় বরং গল্প উপন্যাসের নায়কদের মত ভয়ংকর ব্রিলিয়ান্ট- তাই সে আইবিএ'র রেগুলার এমবিএ'র ছাত্র আর বাকি দুজনের তুলনায় আমি নেহাতই গর্দভ মার্কা ছাত্র তাই আমি আইবিএ'র এক্সিকিউটিভ এমবিএ'র ছাত্র
আমাদের মধ্যে আরেকটি মজার মিল আছে, আমরা তিনজনই দীর্ঘদিন প্রেম করিয়া এবং না পালাইয়া সেম এইজ বিবাহ করিয়াছি... তাই যাহারা বলে সেইম এজ অ্যাফেয়ারের ভবিষ্যৎ অন্ধকার তাহারা সঠিক নহে :/
*** এই ঐতিহাসিক লেখায় আমাদের দুটি মজার ঘটনা শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছিনা... ২০০২ এ রাঙামাটিতে তাওসিফের ভুবনকাঁপানো হাসি শুনে এক কুকুর আমাদের তিনজনকেই দৌড়ানি দিয়েছিল ... আর ২০০৭ কিংবা ২০০৮এ জাহাঙ্গীরনগরের হলে লীগের পোলাপাইন আমাকে কোপাইসে এই ভুয়া খবর শুনে সাজ্জাদ টিউশনিরত অবস্থায় তার সুন্দরী ছাত্রীর সামনে কেঁদে দিয়েছিল
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



