বউ কি অদ্ভুত একটা শব্দ! যতটা অদ্ভুত শব্দটা তার চেয়ে বেশি অদ্ভুত তার আচরণ। আজীব এক প্রানী তারা! এটা বলার কারন; বউ কোন একবচন শব্দ না! যাহাকে দ্বারা সমস্ত বিবাহিত মেয়েকে বুঝানো হয়, তাহাই বউ! আর তাই সে বহুবচন। প্রতিটি অবিবাহিত ছেলের ই বউ নামক প্রানীটার প্রতি রহিয়াছে অদ্ভুত এক আকর্ষন! ইহা শুধুই আকর্ষন নয়! গভীর আকর্ষন! ঠিক তেমনি প্রতিটি বিবাহিত ছেলের আবার বউ নামক শব্দটা শুনলে গলাটা শুকিয়ে যায়! তাহাদের কাছে বউ শব্দটা যেন মালাকুল মউত এর মত ভয়ানক এক শব্দ!
আচ্ছা বউ নামক অদ্ভুত প্রাণীটা দেখতে কেমন!
তার কি টমেটোর মত গোল! নাকি কমলার মত চ্যাপ্টা!!
এখন আমরা তাহাঁই গবেষণা করিব; বউ নামাক অদ্ভুত প্রাণীটা, তালগাছ ও হতে পারে আবার তাঁহারা গুল্ম এর মত ছোট ও হতে পারে!
তাহার রস তেঁতুল এর মত টক ও হতে পারে আবার মিষ্টি ও হতে পারে! তাঁহারা কাক এর মত কালো ও হতে পারে আবার বকের মত সাদা ও হতে পারে! তাহাদের দুটি কান,দুটি চোখ,দুটি হাত,দুটি পা,একটি নাক,একটি মুখ রহিয়াছে। এবং তাদের পাট এর মত ঘন লম্বা চুল ও থাকে যাহার রং স্বভাবত কালো।
তাঁহাদের আচরণ সম্পর্কে লেখকের ক্ষুদ্র জ্ঞান আছে!
কারণ লেখক নিজেই অবিবাহিত!
গিরগিটী যেভাবে ক্ষণিকের মাঝে রং পাল্টায় ঠিক তেমনি তাদের মন এবং ইচ্ছা ক্ষনে ক্ষনে পাল্টায়! ইহা লেখকের একান্ত ধারণা। কারণ তাঁহারা কখন কি চায় তাঁহারা নিজেরাই তা জানেনা! কারণ তারা এক অদ্ভুত ও বিস্ময়কর প্রানী!
তাদের শীতের দিনে বৃষ্টিতে ভিঝতে ইচ্ছে করে! আবার তাদের শীতের দিনে আইসক্রিম ও খেতে ইচ্ছে করে!!
তাঁহাদের আবার রাত বারটার সময় ফুচকা খেতে ইচ্ছে করে! তাঁহারা নিজেরাই ঝগড়া করে আবার নিঝেরাই গাল ফুলিয়ে কান্না করে! লেখক আদৌ তাদের বুঝে ওঠতে পারে নি।
কারণ তাঁহারা এক বিস্ময়কর প্রানী...!!
লেখকঃ অবুঝ/ Shoriful Islam
তারিখঃ ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের কোন একদিন হবে।
সঠিক মনে নেই।
বিঃদ্রঃ এটা মঝা করে লিখা হয়েছে। কেঊ এখানে অধিকার বা মেয়েদের কে ছোট করা হয়েছে এরকম বুঝতে যাবেন না। এখানে লিখা কোন কথা দিয়ে যদি কেঊ কষ্ট পান তাহলে আমাকে নিজগুণে ক্ষমা করিবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

