somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেম ও দ্রোহ

১২ ই অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৫:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চলছে প্রি-অর্ডার || চলবে ২৫ তারিখ অব্দি!

কবি হাঁটছে, সামনে প্রস্তুত করা ফাঁসির মঞ্চের উদ্দেশ্যে!
কবি নির্ভীক,
নিজ হাতে গলায় রশি ঝুলাচ্ছে; জাতি নির্বাক!
ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত্রি ১২ টা বেজে ১২, কবি ঝুলছে;
মুখে সেই মুচকি হাসি!
আমি দেখলাম, বাংলা ঝুলছে; ঝুলছে একটা জাতি; যার নাম বাঙালী!

কাব্যাংশ: কবি

নেতা আমায় কাগজ ছুঁড়ে দেয়, যেনো কলম থামাই!
ধর্ষক মৃত্যু দেখায়, যেনো সত্য না লিখি!
কিন্তু সে জানে না, রাতদিন;
আমি যমদূতের সাথে বসে আড্ডা দেই, খোশগল্প করি!
কারণ আমি শূন্য থেকে এসে, এখন শূন্যে যাবার জন্য লড়ছি!

কাব্যাংশ: শূন্য

মুয়াজ্জিন আযান দেবার অপেক্ষায়, দেশপ্রমিক শাহাদাতের প্রতীক্ষায়;
আর রাষ্ট্রের পতাকা তোমার অপেক্ষায়।
শুনছো যুবক, ওঠো; দাঁড়াও- রাষ্ট্র তোমার অপেক্ষায়।

কাব্যাংশ: যুবক

আপনি মানে, কবিতা কিংবা কাব্য!
আপনি মানে, বিরহ কিংবা বিচ্ছেদ!
আপনি মানে, আস্ত এক উপন্যাস!
আপনি মানে, আস্ত এক নিয়ম ভাঙ্গার যন্ত্রণা!

কাব্যাংশ: আপনি

দিন যায়, মাস যায়; বছর বছর দ্রব্য মূল্যের দর বাড়ে।
গ্যাসের বিল বাড়ে, কারেন্টের দাম বাড়ে;
তার সাথে পালা দিয়ে নিয়মিত ট্যাক্স বাড়ে।
বাড়ে না শুধু, আমার মাসিক আয়!

কাব্যাংশ: মধ্যবিত্ত

অগোচরে হইচই, চায়ের দোকানে হইহই;
কিন্তু নেতার সম্মুখে মানুষ কই!
সরকারী অফিসার, মুখে হাসি সদা ভাই;
শুধু টেবিলের নীচ দিয়ে চকচকা নোট চাই!
আমলা পুলিশ যাই বলি ভাই, টাকার উপর কিচ্ছু নাই!

কাব্যাংশ: বাঙালী

যমদূত দাঁড়িয়ে, জাতির নেতৃবৃন্দ ভয়ে হয়রান;
ওদিকে প্রকৃতি করছে আদিম উল্লাশ!
কবি লিখছেন, মধ্যবিত্তের সব সুখ;
কিনে রেখেছে টাকা!
মধ্যবিত্ত মরছে টাকার জন্য, খুন হচ্ছে টাকার জন্য!
সেই কবে, কে যেনো বলেছিলো; কবি মধ্যবিত্ত!

কাব্যাংশ: কবি

আমি নির্বাক এক নিস্তব্ধ প্রান, মনে হয়;
আমার শহরে কেউ নাই!
খ্বালিক, আমি এতটা নিঃস্বঙ্গ কেন;
মৃত্যুর লাহিন আমি এতটা একা কেন!
চারিদিক কেমন নীরব, কোথাও কোনো সারা নাই;
খ্বালিকের কোনো বার্তা নাই!

কাব্যাংশ: জবাবদিহি

আমার সময় শেষ, মধ্যবিত্তকে ডেকে বলি; তোমার সাথে আমার-
উপন্যাসের উপসংহার আজ!
মধ্যবিত্তের চোখে বিস্ময়, আমি মুচকি হাসি;
হাসতে হাসতে অজানার পথে রওনা দেই, সঙ্গী আমার প্রিয়সী; কবিতা!

কাব্যাংশ: কবিতা

রোজ রোজের প্যানপ্যান আমার ভাই ভাল্লাগে না,
ঈশ্বরের দিব্যি আমার ভাল্লাগে না!
আমি রাফখাতায় লিখে গেলাম, আত্মহত্যা মহাপাপ।
পাশে আমার দেহ সিলিং ফ্যানে ঝুলছে!
দিনশেষে লোকজন, আমারে কাপুরুষ কইলো;
তাতে ভাই আমার কী?
আমি তো ঈশ্বররে জিগামু, মধ্যবিত্ত সৃষ্টি করছে কীয়ারে?

কাব্যাংশ: বেকার

সেদিনের শেষ কথা ছিলো আপনার- “ভালো থেকো”
তাও বলেছেন ফোন-কলের অপর পাশ থেকে!
আপনি আর দেখা দেননি, কথা বলেননি;
যাবার বেলায় কিংবা বলি সম্পর্কের শেষ বেলায়-
আপনার দিদারটুকু আমার ভাগ্যে মেলেনি!
আজ খুব জানতে ইচ্ছে করছে, “ভালো থেকো”
এটা কী দোয়া নাকি বদদোয়া কিংবা সম্পর্কের ফুলস্টপ!

কাব্যাংশ: ফুলস্টপ

গল্প করতে করতে বৃদ্ধ লোকটা ঢলে পড়লো মাটিতে!
সাথে দাঁড়িয়ে থাকা লোকগুলো নির্বাক, বিস্মিত!
গায়ে হাত দিয়ে একজন বললো, লোকটা মৃত!
আমি নিস্তব্ধ দাঁড়িয়ে রইলাম দূরে,
মনে হলো ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে মৃত্যু কিংবা যমদূত!

কাব্যাংশ: মৃত্যু

প্রিভিউ
যোগাযোগ: ০১৯৫০৪৪৯৮৩৬
বই: প্রেম ও দ্রোহ

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৫:৫১
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৩ এ ওয়াকআউট করেছিলেন, ২০২৬ এ তিনিই ঢাবির ভিসি ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২


২০২৩ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা চলছে। একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে বললেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কথাটা শেষ হতে না হতেই তৎকালীন ভিসি জবাব দিলেন, "গেস্টরুম কালচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৪:২১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
==========================
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি ও বাঙালির মুক্তির অগ্রদূত। ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

এপস্টেইনের এলিট: ইসরায়েলের মিডিয়া নিয়ন্ত্রন এবং প্রপাগাণ্ডা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩৮


ইতিহাসবিদ ইলান পাপে বলেছেন, "ইসরায়েল অবৈধ বসতি স্থাপনকারী, ঔপনিবেশিক শক্তির একটি প্রজেক্ট। এটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা স্বাভাবিক রাষ্ট্র নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ব্যবস্থা"। এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পিতা তোমার জন্মদিনে জানাই শুভেচ্ছা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৩৬


কার ডাকেতে টগবগিয়ে ফুটলো বাংলাদেশ
কার ডাকেতে বিজয় ছিনিয়ে  মুক্ত হলো স্বদেশ?

কার ডাকেতে সমবেত হয়েছিলো দীপ্ত তরুণেরা,
কার ডাকেতে দ্বিধা ভূলে একত্রিত  তারা?

কার ডাকেতে অসাম্প্রদায়িক হলো আমার প্রিয় দেশ
কার ডাকেতে স্বপ্ন... ...বাকিটুকু পড়ুন

তিনি বাংলাদেশী জাতির জনক

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



বঙ্গবন্ধৃ শেখ মজিবুর রহমানকে জাতির পিতা মানে বাংলাদেশী নাগরিকগণের একাংশ। ১৯৭১ সালের পূর্বে বাংলাদেশী নামে কোন জাতি ছিল না। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের নাগরিকগণের একাংশ পশ্চিম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×