১। কুমড়োগাছ এখনো লতিয়ে উপরে উঠেনি, কিন্তু কিছু মানুষের দৃষ্টি বড় মারাত্বক, যে কোন সময় নজর দিতে পারে। তারপর সে করতে পারে কুমড়ো চুরির ফন্দি...

২। প্রযুক্তি মানুষের কায়িক শ্রমকে কিছুটা কমিয়ে দিলেও কৃষকের হাতের ছোঁয়ায় এখনো সোনালী ধানে হেসে ওঠে হেমন্ত...

৩। কচি সবুজ ধনে-পাতার মতোই সুন্দর এই মেয়েটির অভিমান একটু বেশিই। তাই দ্বিতীয় ছবিটি উঠানোর সময় সে মুখ ঢেকে ফেলেছিল ধনে- পাতা দিয়ে।

৪। রঙ করা এই খেলনা শো-পিছ-এ হয়ত ফুরিয়ে গেছে জীবনের অনেকটা সময়; তাতে বয়স্ক এই মানুষটি তার জীবনের রঙ কতখানি উজ্জ্বল করতে পেরেছেন, তা অবশ্য জানা হয়নি।

৫। শীতে পাতা ঝরবে-এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে এত বড় বড় পাতা !

৬। দেখেই বোঝা যায়, দুজনের মধ্যে খুব ভাব আছে ।

৭। মোটা চাকার রিক্সসা, চালাতে কোন কায়িক শ্রম নেই, শুধু স্টিয়ারিং সোজা করে ধরে রাখলেই হয়।

৮। কাঁচা সিংগাড়া । এরপর গরম তেলে ভাজা হবে, হজম করতে পারলে ভাল, গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা সাবধান !

৯। বটের ঝুড়ি, রাতের ছবি।

১০। বলটি ছুড়ে দেওয়ার আগে সম্ভবত দুজনের মধ্যে কিছু শলা পরামর্শ চলছে...

১১। ডোবা। নোংরা ও পঁচা পানি। কিন্তু উপরে জমে থাকা শেওলার রঙটা যদি একটু ভিন্ন রকম মনে হয়, তাহলে ছবি তুলতে ইচ্ছে হবেই।

১২। কলা বিক্রেতা। নিজে কলা না খেলেও সিগারেট যে খায়, সেটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে।

১৩। কোন যাত্রীই হয়ত রিক্সসাওয়ালার কথা কখনো ভাবেনা । তাই, রিক্সসাওয়ালা নিজেই তার মাথার উপরের ছাদটি বানিয়ে নিয়েছে।

১৪। মেয়েটি টুলের উপর বসে বেশ আয়েশ করেই ফুসকা খাচ্ছিল। ভুলটা আসলে আমারই। কেন যে ছবি উঠাতে গেলাম !

১৫। এগুলো সবই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, যা কিনতে কাস্টমারকে দোকানে আসতেই হবে। তার আগে চাচা মিয়ার আয়েশী অপেক্ষা...

১৬। আমি কি আমার ছেলেবেলাকে খুজছি ? আর কতটা বালির স্তুপ পাড়ি দিলে খুঁজে পাবো অামার ছেলেবেলাকে কিংবা আমার এই আমিকে - কে জানে !


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

