
করোনা ভাইরাস নিয়ে যখন সারা পৃথিবীর মানুষ আতংকে দিন কাটাচ্ছে তখন আমাদের মধ্যে সে আতংক ছড়িয়ে পড়লেও কয়েকদিন আগ পর্যন্ত আমরা স্বস্তিতেই ছিলাম এই ভেবে যে, বাংলাদেশে তখনো করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি । কিন্তু মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুরো দৃশ্যপট পাল্টে গেছে তিনজন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী সনাক্তের পর । অবশ্য আতংকিত হওয়ার যথেষ্ট কারণও আছে । পৃথিবীর অন্যান্য দেশ যেভাবে এ ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ও সেবা দিয়ে সুস্থ্য করে তুলেছে বা এখনো তুলছে, তা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কতখানি সম্ভব হবে, সেটাই আতংকের কারণ । আর এর নমুনা তো অলরেডি আমরা দেখতে শুরু করেছি ।
চলুন এবার দেখা যাক, সম্প্রতি করোনা ভাইরাস ও মাস্ক নিয়ে কিছু মানুষের মস্কারা ও অতি মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের আস্কারা ।
১। প্রথম ছবিটার কথা না হয় বাদই দিলাম, উনি মুখে বাটি বেঁধেছে মাস্কের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে; কিন্তু নিচের যে লোকটা মুখে নারকেলের ছুবা বেঁধেছে, তাকে কি বলবেন ? এটা কি নিছক মস্কারা না মাস্ক কিনতে না পারার দুঃখ ?

২। তিন বেলা ভাত না খেলে থাকা যায় কিন্তু এক বেলা সিগারেট খেতে না পারলে মাথা চক্কর দিয়ে উঠে । মাস্কের ফুঁটোটা সম্ভবত সিগারেটের আগুন দিয়েই করানো হয়েছে ।

৩। সুখী-সমৃদ্ধ একটি করোনা ভাইরাস মুক্ত মাস্ক পরিবার ।

৪। মুখে এভাবে সিডি বেঁধে উনি কি প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছেন, বোঝা মুশকিল । তবে চোখ দেখে মনে হচ্ছে, চাচা খুব আতংকে আছেন

৫। একজন ফ্যাশান সচেতন ছেলে; তাই পোশাকের সাথে মাস্কটিও ম্যাচিং করে পরেছে ।

৬। জাঙ্গিয়া মুখে পরে কেউ যদি মাস্কের কাজ চালিয়ে নিতে চায়, সমস্যা নেই । বরং তার ১২০ টাকা বেঁচে যাবে । তবে পরার আগে অবশ্যই ভাল করে সাবান দিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে তারপর পরতে হবে ।

৭। ছবিটাতে এটাই বোঝানো হয়েছে যে, ২০ টাকার মাস্ক ১২০ টাকা দিয়ে না কিনে যদি ১০০ টাকার আস্ত একটা নোটকেই মাস্ক বানিয়ে পরা যায় তাহলে কমপক্ষে ২০ টাকা সাশ্রয় হবে ।

৮। একটা অন্তর্বাস দিয়ে দুজনের মাস্কের কাজ হচ্ছে, তাই সম্ভবতঃ এরা টাকা বা ডলার খরচ করে মাস্ক কিনতে রাজি নয় ।

৯। ধুমপান করার জন্য মাস্কে এরকম ঢাকনা সিস্টেম করা হয়েছে, সুখটান শেষে যাতে আবার ঢাকনা লাগিয়ে দেওয়া যায় ।

১০। ঢাকনা খুলে চলছে অনায়াস সুখটান...

১১। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কোন এক রোগীকে সুস্থ্য করে তোলার পর সম্ভবত ডাক্তারদের এই উচ্ছ্বাস । আমরা চাই, করোনা ভাইরাস আক্রান্ত পৃথিবীর সব রোগীই সুস্থ্য হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক ।

নোটঃ উপরের সব ছবিই ফেসবুকের বিভিন্ন ওয়াল থেকে সংগ্রহ ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


