
একজন আইনজীবী গতকাল যেটা চেয়েছেন হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিলের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর পুরো এলাকাকে লকডাউন ঘোষণা করার
ব্যাপারাটা এমন নয় যে এটা শুধু উনার একার'ই চাওয়া । এই চাওয়াটা আসলে অনেকেরই; কিন্তু সবাই তো আর এই কাজটা করতে পারবেন না
উনি পেরেছেন এজন্য যে প্রথমতঃ উনি একজন আইনের লোক, দ্বিতীয়তঃ মানুষের প্রতি একটা দায়বদ্ধতাও নিশ্চয় কাজ করেছে উনার মধ্যে । যাইহোক, রেফারেন্স হিসেবে গত ২৮ জুনের সর্বসম্মত একটা সিদ্ধন্তের কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন; যেখানে ঢাকাকে লকডাউন করার কথা বলা হয়েছিল এবং নিম্ন ও প্রান্তীক আয়ের মানুষদের স্বাভাবিক জীবন-যাত্রা নির্বাহের জন্যে যা যা করা দরকার, তারও একটা দিক নির্দেশণা ছিল ।
নয়তো অব্যাহত মৃত্যুকে মেনে নিতে হবে; যেটা অলরেডি আমরা প্রতিদিনই মেনে নিচ্ছি
আমাদের কাঁচাবাজার, মাছের বাজার, চালের বাজার, পান-শুপারির বাজার যেমন একটার সাথে আরেকটা মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে, তেমনি রাজাবাজারের সাথে অন্যান্য বাজারও আছে । তাই, এক রাজাবাজারকে রেড জোন হিসেবে লকডাউন করে ঢাকাকে বাঁচানো যাবেনা মানে সংক্রমণ ও মৃত্যু হার কমানো যাবেনা
এটা অনেকে বুঝলেও অর্থনীতির চাকাওয়ালারা বুঝছেন না । তারা চাকা ঘুরানোর জন্য অতি ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন
চাকা ঘুরছে ঠিকই, সাথে সংক্রমণ ও মৃত্যু হারের রেখাচিত্রটাও উর্ধ্বমুখী হচ্ছে । তাই, এই আইনজীবীর রিট আবেদনে ফিট না হয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও লোকজনকে এখনি জেগে উঠা উচিৎ মানুষকে বাঁচাতে, করোনা থেকে মুক্তি পেতে
যদিও ইতোপূর্বে এরকম কিছু রিট আবেদন আমরা করতে দেখেছি, যা কোন পাল্টা মিছাইল ছাড়াই চোখের পলকে ভূপাতিত হয়েছে, কেউ টেরও পায়নি । আর এখন তো ঘুরন্ত চাকার সাথে আমাদের চাকা চাকা হওয়ার সময় !
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০২০ সকাল ১১:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



