
অভিজাত শ্রেণির মাঝে করোনার এই যে প্রকোপ এবং মারা যাওনের যে ব্যাপারটা, এর একটা কারণ হইতে পারে তাদের বিলাসী জীবন-যাত্রা । এমন নয় যে তাদের চিকিৎসার অভাব পড়েছে, তাদের জন্যে মেডিকেল টিম রয়েছে, বিদেশী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ রয়েছে । বলা যায় সার্বক্ষণিক জীবন বাঁচানোর জ্ঞ্যারান্টি তাদের রয়েছে ।
অবশ্য উহাদের একটা সমস্যা থাকতে পারে, সেইটা হইল তাদের সব ঋতুই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকা ।
কবে কোন কালে রোদে পিঠ লাগিয়ে দৌড়ে গিয়েছিল নদীর পাড়ে কিংবা ছপছপে ঘামে শরীর ভিজিয়ে হেঁটেছিল মাইলের পর মাইল - তাহা আজ আর কাহারও মনে নাই । তবে এইটা ঠিক যে, কেউ কেউ একদিন ঢাকা শহরেও টো টো করে ঘুরেছে কাঠফাটা রোদে, ঝড়ে, বৃষ্টিতে । কারণ সবাই তো আর শুরু থেকেই সব ধান্দা বুঝে উঠবার পারে নাই বা কামিয়াবী হয় নাই ।
সরকার বদলের লগে লগে অনেককে কৌশলও বদলাইতে হইছে ।
কেউ হয়ত মাইনষের জমি দখল করছে । উহা দেখাইয়া ব্যাংক লোন লইছে, তারপর কোম্পানির পর কোম্পানি বাড়াইছে । এতে করে অবশ্য অনেক মানুষের কর্মসংস্থানও হইছে
এইটা অস্বীকার করোনের কিছু নাই ।
তই নিয়মানুযায়ী এই সুযোগটা একজন সৎ মানুষে পাইলে দেশ ও দশের জন্যে আরো ভাল কিছু হইতে পারত ।
সেইটা যেহেতু হয় নাই, তাই তাদের মারা যাওয়াতে অনেকেরই মন পুড়ে না ।
বরং যেসব পাওনাদার তাগো অফিসে গিয়া টর্চার সেলের ভেতর যে পিডানি খাইছে এবং বিনা দোষে যেসব কর্মচারীদের চাকুরীচ্যুত করা হইছে, তাদের মাঝে দূর্বলের প্রতিশোধ-আনন্দ বইয়া যায় । তবে তারা হেইডাও জানে, হায়েনার বীর্জে হায়েনারই পয়দা হয়; কাউয়া হয় না ।
কিন্তুক, এই দুঃসময়ে করোনা কেন তাগো বেশি পছন্দ করছে, এইটারও একটা সুরাহা হওয়া দরকার ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



