আমাদের এই প্রজন্ম অর্থাৎ ১৭-১৮বছর বয়েসি তাদের একটা বড় ধরনের মগজ ধোলাই দেয়া হয় এদেশে। আমরা আমাদের ইতিহাস জ্ঞান থেকে বিচ্ছিন্ন। এ বয়সে তেমন পড়ার আগ্রহ থাকে না। যদিও, আমাদের যা কিছু গেলানো হয় তাও কোনো মনস্তাত্ত্বিক কারণ ছাড়া। তার উপর কেউ একজন আবার সঠিক ইতিহাসের সন্ধান করবে এটা কদাচিৎ। সেই সুযোগ ব্যবহার করে আমাদের বিকৃত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কিছু তথ্যের নামে আষাঢ়িয়া গল্প মগজে ইন্সটল করে দিচ্ছে।
.
.
একজন মানুষ মারা গেল আর প্রত্যেকে প্রত্যক্ষ করল এটা এটা ইতিহাসের পাতায় না আসলেও সৃতির পাতায় খচিত থাকবে। কার্টুন দেখা ছেলেটা আর অন্যের মুখে সে কথা শোনা ছেলেটা কি এক?
.
.
ধরুন, ৭১-এ পাকিস্তান রাষ্ট্র বিজিত হয়েছিল। তাহলে কি আজ ওসমানী, ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান বা কাদের সিদ্দিকিদের মতো মহান ব্যক্তিদের দেশদ্রোহী ভূষিত করে দিত না? এদেশে, মুক্তিযুদ্ধের পর কেবলমাত্র সংবিধানই সংশোধন হয়েছে ১৫বারের মত। যেখানে প্রায় ২/৩ভাগের মতামত প্রয়োজন তদুপরি ইতিহাস পরিবর্তন-এ ক্ষমতার জোরই তো করে দিতে পারে সবকিছু আলুথালু।
.
.
আমাদের মিডিয়াগুলোর কিছু সরকার নিয়ন্ত্রিত, কিছু বিরোধী দলীয় আর কিছু নিরপেক্ষ মিডিয়া প্রায়শই উধাও হয়ে যেতে শোনা যায়। যেখানে মিডিয়াগুলোই চলিত ইতিহাসের সারসংক্ষেপ সেখানে চলিত ইতিহাসই যখন বিক্রিত প্রভাবশালী ক্রেতাদের দ্বারা সেখানে ইতিহাসের সন্ধান করবেন? নাকি সমদ্রে ঝিনুক খোঁজতল্লাশিতে নেমে যাবেন? মুক্তা অন্ততপক্ষে পেতে পারেন সঠিক ইতিহাস নয়।
.
.
তাহলে সঠিক ইতিহাস সেটা যে সম্পর্কিতই হোক, সেটা জানার জন্য আমাদের কি সে সময়টাতেই পৃথিবীতে গজানো উচিত ছিল? আর এটা যদি সম্ভব না হয় তবে আমাদের শেকড়ের সন্ধান কে দিবে? ৭১-এ না জন্মে কি পাপ করেছি?
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



