-হ্যালো! এটা কি ফাইভ-ওয়ান-সিক্স-এইট-জিরো?
-জ্বী না। এটা একান্ন-আটষট্টি-শূণ্য
-ওহ! স্যরি..রং নাম্বার
-হেঃ হেঃ..আপনার আপনার আগের দু'জনও একই কথা বলছিল..
টেলিফোনের সাথে ওর কি শত্রুতা কে জানে! ওকে ফোন ধরতে বললে একটা বাঁদরামি করবেই। আর সেটা যদি অসময়ের ফোন হয় তাহলে তো কথাই নেই।
আমার ভাইয়ের কথা বলছি..ভীষণ পাঁজি।
সেদিন আমার খালাত বোন কণা কি একটা বিউটি ক্রীম নিয়ে লেকচার দিচ্ছিল..ঐ ক্রীম নাকী ওর কোন চাচা লন্ডন থেকে এনে দিয়েছে/ ওটা মাখলেই লোকে ক্যাটরিনার মত ফর্সা হয়ে যায়..এসব..
হঠাৎ পাঁজিটা বলে উঠল-
-কণা, তুই কি এই ক্রীম দাঁতে লাগাস নাকি?
-আজিব তো! দাঁতে লাগাব কেন?
-না মানে..দাঁত ছাড়া তোর আর তো কিছু ফর্সা দেখছি না
বেচারী কণা...
ওর বাঁদরামি থেকে রেহাই পায়না বড়রাও। হঠাৎ কী শখ হল চুল বড় করবে.. দেখতে দেখতে রীতিমত সাম্পানওয়ালার চেহারা বানিয়ে ফেলল। এই নিয়ে বাবা একদিন দিলেন ঝাড়ি..সেই ঝাড়ি খেয়ে পাঁজিটা হেসেই খুন। হাসতে হাসতে বলল- "আব্বু, তোমার এত বয়স হল তবু জেলাসি টা গেল না!"
বাবা তো অবাক- "মানে?"
ও হাসির দমক আর এক দফা বাড়িয়ে বলল- "তোমার নিজের মাথা তো গড়ের মাঠ, তাই আমার চুলের পেছনে লেগে আছো..হাঃ হাঃ"
এরপর বাবা আর কখনো ওকে চুল কাটতে বলেন নি।।
শুরু করেছিলাম টেলিফোন দিয়ে..ওটা দিয়েই শেষ করি-
সেদিন এক রং নাম্বার থেকে কল এল। যথারীতি ফোন ধরেছে পাঁজিটা-
-হ্যালো! এটা কি বিদ্যুত ভাইয়ের বাসা?
-জ্বী না। তবে কাছাকাছি আসছেন..এইটা ঠাডা ভাইয়ের বাসা।।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


