গোছগাছ, পিছন ফিরে তাকানো-
একটু তোলা, একটু থেমে থাকা আনমনা।
শার্শীতে চোখ; দূরে বৃষ্টিতে ঝাপসা দিগন্ত।
কাছে চোখের মনিতে কী যে হলো টলমলো।
কত কিছু নেয়ার সুটকেসে তোলার, শাড়ি চিরুনি, টুকটাক
ছায়া ফেলে ঘরের ভিতর মন, মনের ভিতর স্মৃতি।
এত কিছু কি ভাবে নেবো ওজনের হেরফেরে।
সব রেখে যেতে হবে মন খারাপের বাস্কেটে,ঝুড়ি ভরে।
পাখিটার আসা যাওয়া, শীষ তুলে ডাকা ক্ষনে ক্ষনে।
বিছানায় এলোমেলো ভালবাসা, আদুরে বিড়াল হয়ে বসে আছে।
হাড়ি পাতিল, রান্নার ঘ্রাণ, পেয়ালার টুংটাং কচি সবুজ পাতাদের মায়া।
তবে থাক সব ঠিক যে ভাবে আছে --অপেক্ষায় শুয়ে থাক কিছু দিন।
পাখিগুলো ফিরে যাক দানা খেতে এসে---মন খারাপের চোখে খুঁজুক কিছুকাল।
সব পরে থাক নিপাট।
আমি শুধু চলে যাই মন নিয়ে দূরে।
মাঝে মাঝে বাজবে ঘণ্টাধ্বনী সারা দিয়ে ডাকবে ফিরে আসো।
ওখানে অপেক্ষা কেমন এত দিন পরে?
জলের ঘ্রাণের মতন অনাবিল নাকি পাথুরে কঠিন।
মশৃণ গড়িয়ে যাওয়া নাকি থেমে থেমে থাকা।
কী হবে ভেবে এত, আগে ভাগে।
ফিরে যাক চরণ আনমনে আলত ছন্দে নূপুর নিক্কনে।
আকাশের হাতছানী আর সবুজে জড়ান আঙ্গরাখা গায়ে তুলে
পাহাড়ি সৌন্দর্যের দৃঢ়তায় তবু নদীর কাছে মৌন সর্মপনে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১৪ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



