নিঃস্তব্ধতায় একা হই নিজের ভিতর।
জলপাই ঘ্রাণের তোলপাড়, উর্মি ভাঙ্গে মনে,
শতত মনে পরে, কোন এক কাল; কোন সকাল।
তবু একা হই। একা হতে ভালোলাগে।
চারপাশে বড় বেশী আবর্জনার স্তুপ।
কখনও কি উদ্যান ছিল?
ছিল ফুলের সমারোহ প্রাণ, মাতানো সুবাস।
ধীর এবং শান্ত রাত শুধু ঘুমিয়ে থাকার।
তবু নদী পারাপারে খেয়া চলে, চলতে থাকে আপনমনে।
ধীর বাতাসে, কখনও উদ্যাম হয় হাওয়া
আদিগানের সুর ভেসে আসে জড়িয়ে থাকে হৃদয়,
দূর্দান্ত টানে উজানে অথবা ঘূর্ণির মাঝে টেনে নেয়।
টানে টানে ঘুরে যাই –
ঘুরি নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে।
এক সময় স্থির হয় আবার জলের ধারা
জলের টলটলে কাঁচ ভূমি স্রোত বয় আলত পরশে।
রোদ জ্বলছে, তোমার চোখে
প্রখর আলোর প্রতিফলন যেন নদীর বুকে।
একটু খানি চেনা, মায়া হয়ে ঢেউ তুলেছে বুকের গহীনে,
মায়াবী কবিতা সার বেঁধে থাকে ভাবনায়
রঙ তামাসার দুনিয়া, দিশেহারা উদভ্রান্ত।
দ্রাক্ষার ক্ষেতে ফসল তোলার মধুরষ কৃষকের মনে,
অনাবিল খর পুড়ানো ঘ্রাণ
আর অন্ধকারে ছায় মায়া্ আলোয় দীপ্তি চারপাশ
ষাঁড়ের মাথায় বাঁধা লাল কাপড়; উড়ে যায় আচমকা বাতাসে,
রুপালি রোদ জ্যেতির্ময় দুপুর, আকর্ডেয়ানের সুরে চলেছে;
কাফকার গল্পের মিছিল।
আরণ্যক ছায়া, বোধহীন হাসি বহ্নুৎসব।
উতরোল সমুদ্রে সবুজ শ্যাওলা স্রোতের টান।
স্তম্ভিত পাহাড়ের মতো আকর্ষন। তামাটে ব্রোঞ্জ মূর্তি হরপ্পার গভীর প্রাচিন।
আর তোমার আগুন চোখে তাকানো, চারপাশ ভেঙ্গে ফেলার আক্রোশে
আমার বুকের রক্ত হীম, এত সাহস তুমি কোথায় পাও?
স্নিগ্ধ চোখে আঁজলা ভরে তেষ্টার জল দাও আমাকে
হুটোপাটি করি পাগলা নাচ নাচি; কাঁপিয়ে দাও হৃদয়ের অতল।
খরার পৃথিবী হোক মনোমুগ্ধকর মগ্নতা, ব্যক্তিগত ভাবনার।
ভাড়ী পাথরের মতন চিন্তার জট, পিঙ্গল ধূলোর পৃথিবী অবিরল
গড়িয়ে যাক....... সূর্য জ্বলা রঙধনু হয়ে, জলকণার জগতে।
আবছায়ার মতন সরে যাক, যত অপবিত্রতা জাগুক সুন্দরের ছবি।
রূপোর মতন দুপুর জ্বলে আর জ্বলে তোমার চোখ।
স্থির আকাশে হাওয়ার সাথে বলছে কথা.....
অবাক যন্ত্রনা মুগ্ধ আমি একাকী ভালোবাসায়। আরো একা হতে ভালোবাসি।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



