somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রোকসানা লেইস
স্রোতের অজানা টানে সমুদ্র বালিয়াড়ি বেয়ে বোহেমিয়ান- গৃহকোন, জীবন যাপন ফেলে চলে যায়। তুমি দুহাত বাড়িয়ে আলিঙ্গনে বাঁধতে চাও জোছনা গলে হারিয়ে যায় সুখ । আছড়ে পরা ঘূর্ণিজল মনে বাজায় অচেনা সবুজ দিগন্ত ..

পরিমিতি এবং প্রশিক্ষণ

২০ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কাল দুপুরে পার্কিং লটে এক দঙ্গল পাখির সাথে দেখা হলো। নির্ভীক স্পর্ধিত তাদের অলস চলা। পাশ দিয়ে যাওয়া গাড়ি মানুষকে তোয়াক্কা না করে আপন মনে রোদ পোহাচ্ছে। অনেকটা পথ পেরিয়ে যাওয়ার সময় কেউ কেউ আমার দিকে যেন তেড়েও আসল। আমাদের শান্তি ভঙ্গ করে এদিকে কেন হাঁটছো এই অভিযোগে। প্রচণ্ড কর্কশ ডাক ছিল সিগালগুলোর। এক সময় সিগাল, গাঙ্গচিল নাম ভেবেই খুব ভালো লাগত। এখন এদের ভয়াবহ লাগে। মনে হয় আমাদের দেশে কাককে যেমন পাখির মর্যাদা দেওয়া হয় না। এরাও সে প্রজাতির যেন। মনে পরে যাচ্ছিল আলফ্রেড হিচককের দ্যা বার্ডস মুভিটার কথা।
কামড়ে খামচে না দেয় তাই তাড়াতাড়ি হেঁটে পার হলাম পার্কিং লট।
সারাদিনের কাজের শেষে রাতে ফেসবুকে চোখ দিয়ে কষ্টকর একটা ছবি দেখলাম। অনেক হাঁস, পাখি মরে জলে ভাসছে। আগের দিনও দেখেছিলাম মরা মাছ পানিতে ভাসছে এমন কয়েকটা ছবি। ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ছবি।রাতের ঘুমের সাথে লেপটে রইল এই কষ্টকর অনুভূতি। স্বপ্নে নানা রকম দুর্যোগের সাথে ঘেরাফেরা হলো।
চৈত্রের বর্ষনে সুনামগঞ্জ এলাকার আটশ হেক্টর হাওরের ফসল, জলে ডুবে গেছে।
এবার নতুন বছরে কৃষকের ঘরে ঘরে কান্না। ফসল উঠেনি ঘরে। অনেক মানুষ পথে বসে যাবে। কিছু মানুষ চেষ্টা করছেন এই দুর্যোগ মোকাবেলা করতে। রাষ্ট্রপতি স্বয়ং এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন। আশ্বাস দিয়েছেন মানুষকে। কিন্তু এমন আশ্বাস, ভরষা সাহায্য রাষ্ট্রপতি দিতে পারেন। কিন্তু সে কাজটি সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য যারা দায়িত্বে থাকেন, তাদের মন মানসিকতা এবং সহযোগিতা সঠিক ভাবে পরিচালিত হওয়া দরকার। কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে কাজগুলো যতটা জনগণের কল্যাণে হয় তারচেয়ে বেশী হয় ভাগ বাটোয়ারা আর দুর্নীতিতে।
যে সকল ঠিকাদারের দুর্নীতির কারণে বাঁধ ভেঙ্গে ফসল তলিয়ে গেলো। তারা ছয়শো কোটি টাকার কতটা নিজে নিয়েছে, মনে হয় সেসব তদন্তও জরুরী ভিত্তিতে হওয়া দরকার।
ফসল তলিয়ে যাওয়ার পর ভেসে উঠছে মাছ মরে। অতঃপর হাঁস, গরু আরো প্রাণী নিশ্চয়ই বিলীন হয়ে যাচ্ছে এই দূষণ প্রক্রিয়ায়। মানুষ সব কিছুতেই লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখে। অনেকটা সোনার ডিমপাড়া হাঁস জবাই করার মতন এক সাথে অনেক বেশী লাভ করার চিন্তায় ডেকে আনে নিজের ক্ষতি, পরিবেশের ক্ষতি, সুদূর প্রসারি প্রজন্মের ক্ষতি। একটু ভুলের মাশুল গুনতে হয় অগুনতি জীবন ধরে। এসব হিসাব নিকাশের ধারে কাছেও কেউ নেই। আমাদের অজ্ঞ চাষীরা এখন বাম্পার ফলনের আশায় সার প্রয়োগ করেন ফসলী জমিতে। সাথে তাকে কীটনাশক। সব কিছুরই একটি পরিমাণ মাত্রা থাকে। অতিরিক্ত ব্যবহারে ভালোর চেয়ে মন্দ হতে পারে অথচ এই হিসাবের ধার ধারে না কেউ।
জমিতে দেয়া সার, কীটনাশক পানিতে মিশে জলজ প্রাণী মেরে ফেলছে। সেই পানি খেয়ে গরু থেকে পাখি মরছে। বিরুপ প্রতিক্রিয়ার রূপ মানুষ হাতে নাতে দেখতে পাচ্ছে।




হয়তো বা প্রকৃতি একটা ক্ষতির মাধ্যমে মানুষকে শিক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হয় তো বা এই ধানের চাল খেয়ে মানুষ আরো অসুস্থ হতো। হয়তো বা মাছের শরীরে একটু একটু মিশে যাচ্ছিল জমিতে দেয়া সার বা কীটনাশক। যা মাছের জন্য ক্ষতিকর। যা মানুষের শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। খাবার যা প্রতিদিনের জীবন ধারনের জন্য অবশ্য প্রয়োজনীয়। সেখানে যদি মিশে থাকে বিষ। কত পরিমাণ শরীর ধারন করে সুস্থ থাকতে পারে মানুষ এমন হিসাব কখনোও কি করা হয়। কখনো কি শিখিয়ে দেয়া হয় কৃষককে কোন কার্যকরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে, কতটুকু ব্যবহার করা যাবে সে পরিমাণ।
নদীতে, সাগরে জাল ফেলে মাছ ধরে জীবন জীবিকা চালিয়ে আসছে কতকাল থেকে বাংলার জেলে। তাদের কখনো বিষাক্ত ওষুধ ছেড়ে দিয়ে মাছকে ঘুম পারিয়ে নিস্তেজ করে ধরতে হয়নি। কিন্তু বর্তমানে জেলে সম্প্রদায় মাছ ধরার আগে এক ধরনের পাউডার ছিটিয়ে দেয় জলে। কয়েক মাস, বছর ধরে চাষ করা মাছ, ধরার শেষ পর্যায়ে এই বিষ প্রয়োগ করা হয় মাছের শরীরে কারণ জেলে একবারের বেশী দুবার সাঁতার কাটা পালিয়ে বেড়ানো সতেজ জ্যান্ত মাছ ধরতে নারাজ। এবং শিক্ষিত মালিকরা এই বিষয়টি মেনে নিয়ে জেলেদের মাছ ধরতে দেন পুকুর বিলে চাষকরা মাছ আজকাল এমন প্রক্রিয়ায় ধরা হয়। । ধরার পর আর যা বাকি থাকে তারা মরে পঁচে ভেসে উঠে পরদিন।
এই হলো আমাদের আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ পদ্ধতি। গত দুবছর আগে একটা গবেষনার বিষয় জেনেছিলাম লিখেও ছিলাম সে বিষয়ে। মাছের উপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে এ্যকুরিয়ামে রাখা পুরুষ মাছটি নারী হয়ে গেছে। আজকাল আধুনিক নগরায়নে পয়ঃনিস্কাশন মিশে যায় প্রাকৃতির জলে। মানুষের ব্যবহৃত এন্টিবায়টিক এমন পরিমাণ হয়েছে যা শরীর দিয়ে বেরিয়ে যায় এবং পনিতে এন্টিবায়টিক বেড়ে উঠছে যার প্রভাবে মাছের শরীরের এই পরিবর্তন।
যশোর খুলনার দিকে চিংড়ি মাছের ঘের তৈরি করে মিষ্টি পানির অনেক মাটি নষ্ট করে ফেলা হয়েছে নোনা জলের প্রভাবে। চিংড়ি ছাড়া সেখানে আর কোন মাছ হয় না।এক সময় সেখানে মনে হয় চিংড়ি উৎপাদনও কমে যায়।
ফসল আবাদ নষ্ট হয়ে গেছে। বেঁচে আছে এবং সুখে আছে যারা চিংড়ি রপ্তানী করে আয় করছে তারা। বাদ বাকী অনেক মানুষ ভিটে মাটি ছেড়ে পথে বসেছে তাদের দিকে নজর দেয়ার সময় নেই।
ব্যাক্তি মালিকানায় নানা রকম ব্যবসা বানিজ্য শিল্পখাত র্নিমাণ হচ্ছে দেশে। কিন্তু এ সবের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া, প্রভাব কতদূর যাবে সে সব চিন্তা করেন না ব্যাক্তি মালিকগণ, নিজের ব্যবসার লাভ ছাড়া।
এ সবের হিসাব নিকাশ পরিবেশ রক্ষার দায় ভাড় সরকারের। আইন এবং নিয়মের মাধ্যমে কঠিন ভাবে সবাইকে এক ভাবে সব নিয়ম পালনে বাধ্য করার দায়ও তাদের। কিন্তু সেখানে যদি সৎ ভালো কর্মির জায়গায় একজন লোভী অসত কর্মচারি থাকেন তবে বর্তমানের কিছু জীবন সোনায় সোহাগা কিন্তু সুদূর প্রসারি ক্ষতির পরিমাণ বাড়তেই থাকে বাড়তেই থাকে।
যা ব্যাক্তিগণকে কখনোই ছূঁতে পারে না। কিন্তু তাদের জন্য ভুক্তভোগী হয় অসংখ্য অগনিত মানুষ। যা খুব শক্ত ভাবে নীতিমালা নির্ধারন করে যে কোন নতুন কিছুর ব্যবহারের আগে তার সব রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সুদূর প্রসারি ভাবনা ভেবে, ব্যবস্থা নিয়েই অনুমতি দেয়া প্রয়োজন।
কার্যকরী শক্তিশালী কর্ম দক্ষ সৎ রাজকর্মির অভাব আমাদের। তাই সব কিছু এক জীবনের জন্য রচিত হচ্ছে আর অফূরান ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশ, মানুষ এবং ভবিষ্যতের জন্য।
যখন কাপড় কারখানা স্থাপন হওয়া শুরু হলো। কাপড় ধোয়া রঙ মিশে যেতে লাগল বুড়িগঙ্গার জলে সচেতন পরিবেশবাদী মানুষ হৈ চৈ শুরু করল তাতে খুব একটা পরিবর্তন কি হয়েছে। অনেক ক্ষতি বুড়িগঙ্গার জল গড়িয়ে চলে গেছে।
এভাবে কোন কিছু শুরুর আগে তার লাভ ক্ষতির হিসাব করা খুব জরুরী। একটি স্থাপনা শুধু আজকের এবং ব্যক্তির প্রয়োজন হিসাব করে স্থাপন না করে শত শত বছর পর যেন এর সুফল মানুষ ভোগ করতে পারে এই আধুনিক প্রযুক্তির সময়ে সঠিক তথ্য উপাদানে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করা সহজ সে দিকটি শুধু অনুসরণ করা দরকার। খুব বেশী ভোল্ট হলে যেমন আলোই চলে যায়। সব কিছুতেই পরিমিতি অত্যন্ত জরুরী।
ছোটবেলায় আমি খুব রূপকথার বই পড়তাম। রাক্ষস খোক্ষসের গল্প তাদের ভয়ানক আচরণ এবং তাদের নির্বংশ করে, যুদ্ধ শেষে বেঁচে সুখি জীবন, রাজকুমার রাজকন্যার বড় প্রশান্তি দিত। সেই প্রশান্তি পেতে চাই র্দূনীতিবাজদের আইনের আওতায় দেখে। এবং পরিমিত বোধের শিক্ষা প্রচার করে আধুনিক প্রযুক্তির সফলতার সাথে ভয়াবহতা সম্পর্কে অবিহিত করা হোক মানুষদের। হয় তো একটি দুটি প্রোগ্রাম হয় কোথাও কখনো তা পর্যাপ্ত নয়। বাস্তব অবস্থার অনুশীলনে হাতে কলমে শিক্ষিত করার জন্য প্রতি মাসে কিছু প্রশিক্ষণ দেয় প্রয়োজন মনে করি। কৃষি বিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা এখন অনেক। সারা দেশের কৃষক, জেলে মাটি পশু পালনে পরিবেশ বান্ধব শিক্ষা তারা দিতে পারেন।
রূপকথার একটি গল্প ছিল চাঁদের বুড়ির কাছে সাহায্য চাইছে একটি মেয়ে, তাকে বলা হলো তুমি যাও গোসল করো, খাও সাজো এবং ওখানে রাখা বাক্স সাথে নিয়ে যাও। তবে গোসলের সময় তিনবারের বেশী ডুব দিও না।
মেয়েটি তিনবার ডুব দিয়ে হয়ে উঠল অপরূপ সুন্দরী। সাজল সবচেয়ে ছোট শিশির জিনিস ব্যবহার করে। খেলো সব চেয়ে ছোট প্লেটের সুস্বাদু খাবার আর সাথে নিয়ে গেল সব চেয়ে ছোট বাক্স যার ভিতর ছিল সোনার মোহর। সব পরিমিত বোধ তাকে এবং পরিবারকে করল সুখি।
আর ওর হিংসুটে সৎ বোন। তিনবার ডুব দিয়ে সুন্দরী হওয়ার পর আরো সুন্দর হওয়ার জন্য ডুব দিল। সারা শরীর ভরে গেলো খোস পাঁচরায়। সুন্দর হওয়ার জন্য ডুবের পর ডুব দিতে থাকল হয়ে উঠল বিভৎষ। সব চেয়ে বড় প্লেটের খাবার খেল বিষের মতন স্বাদের। সাজল সবচেয়ে বড় শিশির জিসিন দিয়ে, সারা শরীর জ্বলতে লাগল আগুনের মতন। আর সবচেয়ে বড় বাক্স বয়ে নিয়ে এল বাড়ি, অনেক কষ্টে। যার ভিতরে ছিল অজগর খেয়ে ফেলল তাকে ডালা খুলতেই।
রূপকথার গল্পে শেখা এই পরিমিত চাহিদার জীবন যদি সবাই মেনে চলত। সুখি হতো পাড়া প্রতিবেশীসহ জীবন যাপনে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:২৮
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×