দেশ স্বাধীনের পরে গত ৪৩ বছরে এ দেশে সব সরকারই প্রতিরক্ষা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সুগঠিত, সুবিন্যস্ত ও গতিশীল করতে সবচেয়ে মনোযোগী হয়েছে । সাথে সাথে সকল বাহিনীর সুযোগ সুবিধা ও বেতন ভাতা বৃদ্ধিতে তেমন কার্পণ্য করেননি। বিশ্বের মধ্যে কঠিন দারিদ্র আর বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত এ দেশের সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত অবস্থার সাথে লড়াই করলেও সরকার সাধ্যমত আইন শৃঙ্খলাসহ সকল এলিট বাহিনীকে পৃষ্ঠপোষকতা করে আসছেন । বিনিময়ে দেশ চালাতে বিভিন্ন সময়ে সরকার বিশেষ বাহিনীকে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তার পরে সরকার সরকারই থেকেছে আর জনগন জনগনই থেকেছে । জনগণ সরকারকে কোন বাহিনী গঠনের জন্য বলেছে কিনা জানা নেই। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যদিও জনগণের ভোটে নির্বাচিত জন প্রতিনিধিগনের সমর্থনে সরকার চলে ।আমাদের দেশে এমনই এক গনতান্ত্রিক সরকারের সময়ে র্যাব নামক এলিট ফোর্সের সৃষ্টি ও যাত্রা শুরু হয়েছিল । শুরু থেকে এই পর্যন্ত এই বাহিনীকে নিয়ে কমবেশী বিভিন্ন কথা হলেও দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে রাবের সাহসী ও তাৎক্ষনিক ভুমিকা প্রশংসা পেয়েছে । সরকার এই বাহিনীকে অধিক মর্যাদা সম্পন্ন করতে দেশের মর্যাদা সম্পন্ন সেনাবাহিনী ,বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী থেকে অফিসারদের এই বাহিনীতে গুরুত্ব পূর্ণ বিভিন্ন পদে নিয়োগ দিয়েছেন । তাই এই বাহিনীর ভুমিকা নিয়ে জনগনের সংশয় থাকতে পারেনা। তবে এই বাহিনীর মধ্যে অতি উৎসাহী হয়ে যদি কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে কোন আইন বিরোধী ও জনবিরোধী কাজ করে তাহলে তার দায়তো তার নিজেকে নিতে হবে। হয়তো জনগনের আস্থার জায়গায় একটু চিড় ধরবে । কিন্তু সেটা বড় সমস্যা হবেনা। ভবিষ্যতে ভালো কাজের জন্য মানুষ আবার ভালো বলবে। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর এই সমস্যা মিটাবে কে-, সাবেক প্রধান মন্ত্রী , বিরোধী দলীয় নেত্রী , বি এন পি র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া র্যাবের বিলুপ্তি দাবী করেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার সরকারই র্যাবের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি এই বাহিনীর সৃষ্টি কর্তা সরকার ও একটি রাজনৈতিক দলের নেতা হিসেবে তখন ক্ষমতায় ছিলেন | র্যাবের কথিত ঐ তিন কর্মকর্তা বিচারে দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী না জানিয়ে তিনি সমস্ত বাহিনীর বিলুপ্তি চাইলেন , বিষয়টা বোধগম্য নয়। আজ নিজের সৃষ্টিকে স্রষ্টা হয়ে বিলুপ্তির দাবী অরন্যেরোদন মনে হয়েছে। রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা খরচা করে একদিন যে স্বপ্ন তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বলে পুরন করে ছিলেন আজ নিজের জীবদ্দশাতেই তা দুঃস্বপ্ন হয়ে গেল দেশবাসী তা কিভাবে নেবে। আজ সব সরকারকে এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিতে হবে । আমরা এদেশের খেটে খাওয়া নগন্য মানুষ । নির্বাচন এলে ভোট দেই । ক্ষমতায় গিয়ে এমন কিছু করে রেখে যাবেন যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রানিত করবে, হতাশ করবে না। ক্ষমতায় থাকলে একরকম আর ক্ষমতা না থাকলে অন্য রকম এটা কোন রাজনীতি নয় । নির্ভেজাল প্রতারনা । এটা কারও কাছে কাম্য নয়।
আলোচিত ব্লগ
তোমার মুখের রেখা আঁকতে চেয়েছি।

রাতটি ছিল নিকোটিনে ভেজা
ধোঁয়ার ভেতরে তোমার অবয়ব হঠাৎ উধাও হয়ে গেল
চাঁদ তখন লাল আর ঠিক আমার ফুসফুসের মতোই ক্লান্ত।
তুমি আলো হয়ে রইলে, আমি অবাধ্য আলোর ফসিল
আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি ব্লগ - ছোঁয়া

শেখ হাসিনা কেন কওমী জননী হয়েছিলেন ?

আওয়ামী লীগ করেন এমন অনেক মানুষ বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তি বোধ করেন। শেখ হাসিনা কেন কওমি জননী উপাধি গ্রহণ করলেন? আসলে সবাই যা বলতে চান,আওয়ামী লীগের রাজনীতি তো এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা
প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর
আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।