
আজ কবিতা নয় অন্য বিষয়। আচ্ছা, আপনি, আমি কত ক্ষুদ্র? একটা উদাহরণ দেই তাইলে সহজ হয়। ধরেন, আপনার তিন কক্ষের বাসাটি আমাদের সৌর জগত বা গ্যালাক্সি। এহন আপনার কিচেনে রাখা তরমুজ টা পৃথিবী আর তার ভেতরকার বিচি গুলি আমরা। এহন ভাবেন কত ক্ষুদ্র আমরা।
এহন তরমুজ এর পাশে রাখা কমলা চাঁদ। একটু দূরে রাখা কাঁঠাল মংগল গ্রহ। এহন বিজ্ঞান এর বদৌলতে কাঁঠাল পর্যন্ত যেতে পারছি। আর এতেই সৃষ্টি কর্তা নেই বলে লাফালাফি শুরু করছি। আরে ভাই! পিকচার আভি বাকি। আপনে তিন কক্ষ ই তো দেখেন নাই। না দেইখা একটা কথা কইয়া সে অনুযায়ী আমল শুরু করলেন কেন? তারপর তিন কক্ষের বাইরে রাস্তা ঘাট, নদী নালা, খালবিল, সমুদ্দুর এগুলি না দেখলেন, না জানতে চাইলেন চিল্লান দিলেন কোন সৃষ্টি কর্তা নাই তাজ্জব!
এহন এগুলা তো একটা সিস্টেম মেনে চলছে নাকি। ধরেন, আমগো চন্দ্র যদি আরও কাছে থাকতো তাইলে কি হইত? বা দূরে থাকলে? জোয়ার হইয়া এমন হইত কোন প্রাণী টিকত না। আবার ভাটা লেগে থাকলে পানির অভাবে কারবালা।
এবার ধরেন, সুর্য একটু দূরে থাকলে কি হইতো? বা কাছে থাকলে? দূরে থাকলে বরফে ডাকা পরতো সব। আবার কাছে থাকলে জ্বলে পুড়ে আংগার সব। এ জন্য পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন
" চন্দ্র সুর্য নিখুঁত হিসেব করে বানানো হইছে "।
এতে বিশ্বাসী গন আরও বিশ্বাসী হয় আল্লাহর প্রতি ঈমান মজবুত করে। আর অবিশ্বাসী গন প্রশ্ন তুলে বিপথ গামী হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০২১ রাত ১১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




