somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

উনারা ভেরি ভেরি হাই অফিসিয়াল !

২৫ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি নেট ।

একটা সময় ছিল চোর সম্প্রদায় শরীরে তেল জাতীয় পিচ্ছিল জিনিস মেখে তারপর মাটি খুঁড়ে চুরি কার্যক্রম চালাত। এই কর্ম করার আগেই তারা এসে ঘরের চারপাশ ভালো করে দেখে নিয়ে যেত। একটা থ্রিলিং ব্যাপার স্যাপার ছিল!কারণ চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না খায় ধরা।

এ সম্প্রদায়ের আরেকটু উঁচু শ্রেণী হলো ডাকাত। এক সময় এরা খুব নায়ক এর মতন কাম কাইজ করতে পছন্দ করা শুরু করল। যেমন যার বাড়িতে হানা দিবে তাকে সোজা চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিত। অমুক দিন অমুক তারিখে আসছি! ভাবা যায় কত বড় বুকের পাটা! যেহেতু এরা চিঠি লিখে আসত তারমানে এরা শিক্ষিত শ্রেণীর মধ্যে পড়ে।

একবার আমার নানাকে এমন চিঠি দেয়া হয়েছিল।নানা সবাই কে সাবধান হতে বলল আর ভয়েও ছিল কারণ যদি এরা গুলি করে জীবন নিয়ে নেয় তাহলে কি হবে?

এর চেয়ে ভালো কম মুল্যবান জিনিস ঘরে রেখে দামী বলতে স্বর্নের জিনিস ব্যাংকে রেখে দেয়া বুদ্ধিমান এর কাজ। নানা তাই করেছিলেন। সে সময় যোগাযোগ এত ভালো ছিল না। আর থানায় এমন একটা উড়ো চিঠি নিয়ে গেলে থানার বড় কর্তা হেসে উড়িয়ে দিবেন।সাহায্যের বদলে হাসি তামাশা করবে।

ডাকাতদল ঠিকই এসেছিল। আমাদের সাদাকালো টিভি আর কিছু টাকা পয়সা নিয়ে গেছিল।নানাকে শাসিয়ে কিছু চড় থাপ্পড় দিয়ে ছেড়ে দিয়েছিল। পরে ফাঁস হয়েছিল আমার এক পরিচিত আত্মীয় এই ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল।

এই চোর, ডাকাত সম্প্রদায়ের মান ইজ্জত ধুলায় লুটিয়ে দিল যখন জাতির পিতা বললেন " আমার কম্বলখানি কোথায়? "

এরা ভেরি ভেরি হাই অফিসিয়াল সম্প্রদায়! তারা বিলেত থেকে ডিগ্রী নিয়ে আসে। নামের আগে পিছে বহু কিছু বহন করে। ফটফট ইংলিশ বলে। টিভি, রেডিওতে বিশেষ দিনে বিশেষ অতিথি হয়ে আসে।

এদেরকে আরও এক ধাপ উন্নত জীবনের ব্যবস্থা করে দিতে রাইফেল জিয়া এগিয়ে এলেন। জাতির পিতা স্ব পরিবারে নিহত হওয়ার পরে।

রাইফেল জিয়া শুধু চোর ডাকাত দলে নেননি নিয়েছেন কালেমা চোর, নারী লোভী, ধর্ষণ, হত্যার মতন ভয়ানক অপরাধের সাথে জড়িত তাদের। যারা এ দেশ এর চেনা গাদ্দার!

এর পর আর এ সম্প্রদায়ের পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সগৌরবে এগিয়ে গেছে। মুখের লোম বড় করে মাথায় টুপি লাগিয়ে। ধর্মের নামে অধর্ম বিলিয়ে।

এরশাদ আসল।সে অবশ্য এদের কাউরে তেমন গুতাগুতি করেন নি।উনি গুতাগুতি করেছেন জিনাত মোশাররফ আরও অন্য জায়গায়। যাক মৃত ব্যাক্তি নিয়া বেশী কিছু বলা ঠিক না।

এর পর আফোঁস হীন একজন এলেন এরশাদ পতনের পর। তিনি তাঁর স্বামীর সহচরীদের বুকে টেনে নিলেন থুক্কু ভুল হইয়া গেছে মানে দলে টেনে নিলেন।

এই টানাটানি তে তাঁর ছেলে ততদিনে তাগরা জওয়ান হয়ে গেছে। তিনি হাওয়ায় থেকে হাওয়া হয়ে যোগ দিলেন।

জাতিকে বিদ্যুৎ এর বদলে খাম্বা উপহার দিলেন। ২১ এ আগস্ট এর মতন ঘটনা উপহার দিলেন। বাংলা ভাই, ফাকিস্থানি ভাই জন্ম নিল।

জাতি আবেগে কাইন্দা ফেলাইল। সে কান্না লুকাতে কেয়া, নিশো আরও অনেকে সেই পুত্রের ডাইনে বামে লেগে রইলেন। তারা অনেক উদার ছিলেন যে কোন সময় নিজেদের সঁপে দিয়ে নানান উপাধি নিয়ে নিলেন!

এরা গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে হাতিকে জিন্স পড়ানোর চেষ্টা করেছেন মাত্র!

এরপর দিন গড়িয়ে নতুন ভোর জাতির পিতার কন্যার কাছে এলো। এদিকে সেই অফিসিয়াল চোর ডাকাতদের কেউ কেউ লেবাস খুলে মুজিব কোট গতরে তুলে নিলেন।

কয়েকজন কে অবশ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খোঁয়ারে ভরেছেন আর ধর্মের নামে অধর্ম প্রচার কারী নেতাদের ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

এভাবেই চলছে দেশ। একদিকে হাই অফিসিয়াল চোর ডাকাত!অপর দিকে ধর্মের লেবাস।একটা জগাখিচুরি তে ঠাসা।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও কঠিন সিদ্ধান্ত নেন দয়া করে।

নইলে আমরা হয়তো কোনদিন আর বলতে পারব না

" অতঃপর দেশে শান্তি ফেরত আসিল ! "


সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৮
৭টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Victims of enforced disappearances পার্সন হিসেবে আমার বক্তব্য.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:২১

গত ২৫ এবং ২৬ এপ্রিল ২০২৬ এ মানবাধিকার সংগঠন 'অধিকার' এবং World Organization Against Torture (OMCT) এর যৌথ উদ্যোগে ঢাকায় “The Prevention of Torture and the Implementation of UNCAT and... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থান বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ০৫ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:২৯

পশ্চিমবঙ্গের বিধান সভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জয় এবং এর ফলে উদ্ভূত আদর্শিক পরিবর্তন কেবল ভারতের একটি প্রাদেশিক বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪




আমার মাথা যেন আর কাজ করছিল না। বাইরে থেকে আমি স্বাভাবিক হাঁটছি, চলছি, পড়ছি, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি কিন্তু ভেতরে ভেতরে আমি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলাম মায়ের কথা ছোট বোনটার... ...বাকিটুকু পড়ুন

গেরুয়া মানচিত্রে পশ্চিমবঙ্গ: একটি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও শিক্ষা।

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৫ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৮


দীর্ঘ ১৫ বছরের টিএমসির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের এই ভূমিধস জয়ের পেছনে অবশ্য মোদি ম্যাজিকের চেয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যর্থতার... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিজের দোষ দেখা যায় না, পরের দোষ গুনে সারা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই মে, ২০২৬ রাত ২:১০


ভারতের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতন নিয়ে বাংলাদেশে যে পরিমাণ চুলচেরা বিশ্লেষণ হচ্ছে, তা দেখে অবাক না হয়ে উপায় নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢুকলেই দেখা যায় অদ্ভুত সব তত্ত্ব। ফেইসবুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×