somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

স্প্যানকড
স্বপ্নের খোঁজে দেখি তোমায় /বাঁধি সীমাহীন ভালোবাসায়/দাও কিছু সুখের বৃষ্টি / ভিজি আমি /উড়াই দিগন্তের নীলিমায় তোমার নামে / স্বপ্নের এক বিশাল ঘুড়ি।

মিস ইউ অলরেডি !

২৬ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছবি গুগল।

আজ রাত আনুমানিক নয় টার দিকে একখান আকাম করে ফেলেছি যার খেসারত রাতভর দিচ্ছি বা দিয়ে চলেছি।

কি ভাবছেন?
না, ভাই আপনি যাহা ভাবছেন তা নহে। শান্ত হোন বলছি।

একটা পাত্রে দুধ নিয়ে সেইটাকে হ্যান্ড বিটার দিয়ে ভালো করে বিট করে ফেনা তুলে ফেললাম একদম ফোম আর কি। তারপর এক কাপ গরম পানিতে কফি ছেড়ে ভালো করে গরম করার পর একটা কাপে ঢেলে উপরে দিলাম সেই ফোম হয়ে গেলো " ক্যাপুচিনো "! আমার খুব প্রিয় কফি।

এর প্রভাব শুরু হলো। রাত বেড়ে চলছে ঘুম আসে না। বারান্দায় পায়চারি করছি ক্লান্ত হচ্ছি না। দুই সেট পুশআপ মারলাম গুনে গুনে পঞ্চাশ টা। কাজ হলো না। উল্টো পানি পিপাসা লাগল এই যা ! কি করা যায় ভাবছি।

অবশেষে একটা মুভি দেখলাম " Miss you already " ড্রিউ ভেরি মুর এর চার্লিস এঞ্জেলস যে করেছিল। আমার ফেভারিট! দেখতে পারেন তবে একলা।সেক্সুয়েল কন্টেন্ট আছে। ঘটনা টা দুই বান্ধবীকে ঘিরে। তাদের সুখ দুখ নিয়ে। একজনের ক্যান্সার হয় ফলে তার স্তন কেটে ফেলতে হয়। যার কারণে স্বামীর সেক্সুয়েল টান কমে যায়। অপর দিকে ঐ বান্ধবী বাচ্চার জন্য ট্রাই করে কিন্তু বাচ্চা হচ্ছে না। শেষমেশ বাচ্চা কনসিভ হয়। একদিকে একজন খুশী নতুন একজন আসবে বলে আরেক জন অসুখী জীবন ফুরিয়ে যাচ্ছে। দেখতে পারেন।

মুভি শেষ হলো চোখ জ্বলছে মাগার ঘুম আসে না। কি করা যায় মেজাজ গরম হচ্ছে বুঝতে পারছি। পুরো ছবিটা ইংল্যান্ডে বানানো। সেখানে দেখলাম কোথাও লিখা আছে " Before i die.... " সেখানে নানা জন নানা ম্যাসেজ লিখে রেখেছে। তারা দুই বান্ধবী ও তাদের ম্যাসেজ লিখল। কি লিখল তা ছবি দেখে জানুন! মেজাজ চ্যাতা। দুঃখিত!

তখন ভাবলাম, আমার যদি মেলা টাকা থাকত তাইলে দেশে এমন একটা বিলবোর্ড বানিয়ে দিতাম অবশ্য ডিজিটাল।

সেখানে কে কে মৃত্যুর আগে কি করতে চান বা করার ইচ্ছে পোষণ করছে এরকম ম্যাসেজ লিখে রাখার ব্যবস্থা করে দিতাম। বিনে পয়সায়।

প্রতি সপ্তাহে বাছাই করে একজন কে তার ইচ্ছে পুরণ করার চেষ্টা করা হবে। তবে শর্ত দেয়া থাকবে রাষ্ট্র বিরোধী, ধর্ম বিরোধী, ক্ষতিকর ইচ্ছে করা যাবে না। ( Before i die....)
আমার ইচ্ছে " পরিপূর্ণ আল্লাহর প্রতি আস্থা রেখে যেন মরতে পারি " আপনার?

সে যাই হোক এক কাপ কফি এত কিছু করে দিল তার ইতিহাস জানতে পারলাম এমন।

কফির জন্ম খালেদি নামের মুসলিম এক মেষপালকের হাত ধরে। আরব-ইথিওপিয়ান এই রাখালের মেষ ছাগলগুলো ক্লান্ত হয়ে যেত। কিন্তু হঠাৎ দেখা গেল, মেষ-ছাগলগুলোর ক্লান্তিভাব দূর হয়ে গেছে। উদ্যমতা ও চঞ্চলতায় ভরে ওঠেছে শরীর-মন।

খালেদি এর কারণ অনুসন্ধান করতে শুরু করলেন। অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে লক্ষ্য করলেন, চেরি ফলের মতো কি যেন খাচ্ছে মেষ ছাগলগুলো।

ধর্মপ্রাণ খালেদি গাছ থেকে কয়েকটি ফল নিয়ে নিলেন। এরপর দ্রুত হাজির হলেন স্থানীয় মসজিদের ইমামের কাছে।

ফলগুলো কাঁচা খেতে পারা সম্ভব হবে না ভেবে, ইমাম পাশে রাখা জ্বলন্ত আগুণে ফলগুলো ফেলে দেখলেন। প্রথমে ফলগুলোকে ‘শয়তানের প্রলোভন’ মনে হয়েছিল তার। কিন্তু কিছুক্ষণের ভেতর তার ধারণা পরিবর্তন হয়। আসতে থাকে বিমল সুঘ্রাণ। মুগ্ধ হতে থাকে হৃদয়-প্রাণ।  

ইমামের শিষ্যরা ফলগুলো সিদ্ধ করে খেতে চাইলেন। তাই তারা সেই বীজগুলো একটি কড়াইতে রাখলেন এবং গরম পানি দিয়ে সিদ্ধ করলেন। এভাবেই পৃথিবীর প্রথম পানীয়-কফি তৈরি হয়।

ইমাম ও তার শিষ্যরা এই আবিষ্কারে খুব খুশি ও আনন্দিত হন। পানীয়টির প্রভাবে তারা দীর্ঘ রাত জেগে অধ্যাবসায় চালিয়ে যেতে সক্ষম হলেন। ইবাদত-বন্দেগি ও প্রার্থনার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী উপাদানের ব্যবস্থা হয় তাদের। ক্রমে এই পানীয়ের কথা বিভিন্ন দিকে ছড়াতে শুরু করে। প্রাচীন ইতিহাসের গ্রন্থগুলোতে এভাবেই উল্লেখ রয়েছে। (দ্য হিস্টোরি অব কফি, http://www.ncausa.org; ২০১৮/৪/৩ সম্পাদিত)

এখনো ঘুম নেই দুই চোখে। চোখ জ্বলছে। চোখ বুজে গান শুনছি,

" যা কিছু হারায়ে গেল, যাক না
নীল আকাশে মেলো পাখনা।।

দাও রে দাও রে মেলে পাখনা।

ময়না গো
ও মোর ময়না গো
কার কারনে তুমি একেলা?
কার বিহনে
বিহনে দিবানিশি যে উতলা?
সে তো আসবে না
সে তো ফিরবে না
ফিরবে না
ও মোর ময়না গো। "

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মে, ২০২১ সকাল ১০:১৯
৬টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মিলাদুন্নবী: ভালোবাসার নবী, মানবতার শ্রেষ্ঠ আদর্শ

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮


মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিন বা মিলাদুন্নবী শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মরণদিন নয়; এটি মানবতার জন্য এক মহান আদর্শের কথা স্মরণ করার উপলক্ষ। তাঁর আগমন ছিল এমন এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ একটি পরিচ্ছন্ন শৌচাগার

লিখেছেন রাজসোহান, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৮



বাড়িটা দেখতে বাড়ির মতো না, যেনো একটা ঘোষণা। দ্যাখো, আমি কে।

গেটে দুইটা সিংহ, পাথরের, মুখ হাঁ করা; সিংহ দুইটা কী পাহারা দিচ্ছে তারা নিজেরাও জানে না। ভিতরে উঠান... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×