
ক্ষুদ্র হতে ইচ্ছে করে
এতো ক্ষুদ্র যেনো কেউ না পায় খুঁজে
বড় হওয়া কেবল ইশ্বরের সাজে।
জরুরি কথা—
নিখুঁত কেউ নয়!
ইশ্বর এবং প্রেমিকায় যত ভয়!
কখন যে কি করে?
চোখের জল নিজেই গেছি মুছে
তখন মনে পড়ে
লেখা ছিল কৈশোরের অঙ্ক বইয়ে—
“এসো নিজে করি।”
গোলগাল চাঁদ কচি পাতার ফাঁকে
চিয়া সিড, কাঠবাদাম শরীর ভিজায় শান্ত জলে
স্বচ্ছ শিশির জানালার কাঁচে
বিড়াল ইঁদুর খোঁজে রাত–দুপুরে
সংগমহীন নর–নারী পাশাপাশি শুয়ে
যেন দুটি মরা নদী
ভাটায় চিরস্থায়ী
নেই কোনো জোয়ারে।
আলো আসে ধীরে ধীরে
একটা–দুইটা শামুক নড়ে
ধীরে ধীরে ব্যস্ততাও বাড়ে
সময় যায়
সময় যায়
সাদা হংসী ডিম লুকায় কাশবনে।
ক্ষুদ্র হতে ইচ্ছে করে
বিরক্ত এখন বড়দের অনেক বিষয়ে
মন্ত্রিসভার আকার নজর কাড়ে
দেশপ্রেম এক আক্ষরিক শব্দ
কতো নেতা আসছে–গেছে
যেতে যেতে আর কি যাবে?
স্বাধীনতা এমন হলো কবে—
রোগা, পাতলা, ফিনফিনে!
ধূপসন্ধ্যায় বাতি জ্বলে–নিভে হাইওয়ে থেকে ফুটপাতে
তখন কে যেন আসে মনের ঘরে
বলে সে,
“বড় হও— যাতে বাঁচে সকলে ভীষণ ঝড়ে।”
হাসি,
শরীর দোলে ফাঁকা ঘরে।
কেউ কি দাঁড়িয়ে দরজার ওপাশে?
কপালে যা আছে তা-ই হবে
জানি,
অনেকেই কাঁদে প্রতি রাতে
মিথ্যে কি বলেছি?
বিচ্ছেদের ঘ্রাণ যাদের পুরো শরীরে।
পাকা সিদ্ধান্ত নিয়েছি—
খুব ক্ষুদ্র হতে ইচ্ছে করে
কারণ ভয় হয়
ভয় হয়
জানি না,
কজনের মুখ পুড়েছে
সমস্ত পুড়েছে চেনা রোদ্দুরে।
ছবি - স্প্যানকড
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




