somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আমি কি মানুষ
প্রবল আবেগ আমার নিয়ন্তাসচেতন তবুও এক নি:শ্বাসে লিখে ফেলতে চাই একটি মহাকাব্যচোখের নিমেষেই মুছে ফেলতে চাই সকল অশুভ চরিত্র।কান্ডজ্ঞানহীনের মতোউন্মোচিত করতে চাই সত্যকে। মনে উচ্চাকাঙখা--শ্রেনী সংগ্রাম। আমাকে অনুসরণ করবেন না নাস্তিক, অপরিবাররিক, অসামজিক, দেশদ্র

৩০ বছর পার করছি আজও ব্যর্থ

১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি জন্মলগ্ন থেকে খুব লাজুক, শান্ত ও অতি ভদ্র একটি ছেলে যখন প্রাইমেরী পার হয়ে স্কুল জীবনে পা দিলাম তখন থেকে বড় বড় স্বপ্ন দেখা শুরু করলাম। মাঝে মাঝে মনে হয় হয়তো এই বড় স্বপ্ন দেখার অভ্যাসটি আমার প্রাইমেরী থেকে শুরু হয়। দেখতে দেখতে নিজের আজান্তে ৩০বছর অতিক্রম করে পেলেছি। আমার অনেক স্বপ্ন, আশা, নিজে প্রতি নিজের কিছু প্রতিজ্ঞা, কিছু পরিবারিক , সামাজিক বয়োজেষ্ট্য পরিচিত ব্যক্তির সাথে অন্যের প্রসঙ্গে আলোচনা শুনতে গিয়ে আকবাড়ীয়ে নিজরে অজান্তে কিছু নিজের বিষয়ে অগ্রিম প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসেছিলাম। ১। জীবনে কোন দিন পেল করব না। ২। অনেক বড় হবো নিজের অনেক মান সম্মান হবে। ৩। মোট মোটি ধনী হবো ও বিশ্বব্যাপি নিজের পরিচিতি হবে। ৪। বেশি বেশি বিদেশ ভ্রমন করব। এবং ৬। ৩০ বৎসর বয়সের মধ্যে বিবাহ করব ও আরো কত কি। আজ পযর্ন্ত আমার কোন আশাই পূরণ হলো না। আমি স্বপ্ন পূরণের প্রথম সিডিতে খোচট খেয়েছি, সেই খোচট আজোও পূরণ করতে পারিনি। পরবর্তীতে ভেবেছিলাম ঐ সিডি দিয়ে উঠতে পারিনী কি হয়েছে ,অন্য সীড়ি দিয়ে নিজের জীবন গড়ব বা সেই স্বপন অন্যভাবে হলেও র্পূরন করব। ঐ সীড়ি ছাড়া নিজেকে এমন ভাবে গড়ে তুলব খোচট খাওয়া সীড়ির চেয়ে অনেক ভাল করব। কিন্তু আজ আমার ত্রিশ পার হলো কিন্তু নিজের কোন স্বপ্ন ও প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারি নাই। নিজের এই র্ব্যথার সব কারণ লিখার মত ভাষা থাকলে ছন্দ মিলাতে না পারার কারণে লিখিতে পারছিনা। আর নিজেকে নিজের কাছে খুব বেশি অপরাধ বোধ হচ্ছে। এই ৩০বৎসর এর মধ্যে অনেক ঘটনা, নির্যাতন ও আশাহত ইত্যাদি অনেক বিষয়ে নিজের জীবন নামক যন্ত্রটি চিরতরে বন্ধ করা স্বিন্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ অন্য নতুন প্রতিশ্রুতি বা নতুন আশা নিয়ে আজ পযর্ন্ত বেচে ছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক বিষয়ের উপর নিভর করে নতুন করে স্বপ্ন পূরনের আশায় নিজের কাছ থেকে নিজে ৩০ বৎসর পযর্ন্ত সময় নিয়ে ছিলাম, হয়তো ৩০বছরের মধ্যে সব হবে কিন্তু কিছুই হয়নি। বিগত দিনের বিভন্ন ঘটনায় অনেকবার মৃত্যুর স্বিন্ধান্ত নিয়েও স্বিদ্ধান্তটি পূরণ করতে পরিনি। (নিজে কখনো প্রেম করিনি, হয়তো বিবাহের আগে প্রেম করলে যাকে বিবাহ করবো সে যদি অপরিচিত হয়ে থাকে তবে তাকে ঠকানো হবে ভেবে এরকম আরো কত চিন্তা বা ধারণা যাকে বিবাহ করবো থাকে তার সাথে সব করব ইত্যাদি)। কিন্তু নিজের অবস্থান আজ পযর্ন্ত এমন যে আমার দ্বারা কিছু করার ক্ষমতা নাই। বরং ৮-১০ লক্ষ টাকা লোন, যদি আজ নিজের জীবনের এই স্পন্দন নিজে নিজে বন্ধ করেদি ? যারা পাওনাদার তারা হয়তো কেউ এই পোষ্ট পড়বেনা। যদি আমার জীবনে স্পন্দন আজ ও এখন বন্ধ হয়। সেই পাওনাদারগন কিছু-ই পাবে না। কারণ আমার কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ও পরিবারের কাছেও আমার কিছু নাই তাদের দাবি পূরন করার জন্য। মানষিকভাবে খু্ব বেশি খারাপ লাগছে এই পৃথিবীতে এসে বিগত ৩০বৎসরে কিছুই করতে পারিনাই। এই বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু আর ক বছর!! আর ভবিষ্যতে কবে হবে? হলেও হয়ে কি লাভ? কোন স্বাধই আর নাই। ইচ্ছা করছে এই মুহুর্তে নিজের রুমের এই সিলিং ফ্যানে ঝুলে যাই। কিন্তু ঝুলার পর আগামী সকলে বা দু চার দিন পর হয়তো আমার বাসার পাশের লোক গুলো বলবে গত রাত্রে তাকি বাসায় ঢুকতে দেখলাম। কিন্তু আজ দু-তিন দিন হলো এখনো বাহির হচ্ছে না, সেই ভেবে জানালা দিয়ে দেখলে দেখবে সে তো মৃত হয়ে ফ্যানের সাথে সাথে ঝুলছে। তার পরবর্তীতে যা হয় সবাইতো ভাল জানেন। তাই আর ব্যাখা দিলাম না। পরিবারকে আজ পযর্ন্ত কিছুই দিতে পারি নাই । মৃতু্র পরবর্তী বোঝা তাদের হাতে না দেওয়ার জন্য আমার নিশ্চিত মৃত্যর সময়টুকু ক্ষেপন করছি। এই দেশ ও সমাজ ব্যবস্থার সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে না পারর কারণে আজ র্ব্যাথ হয়ে বেচেঁ আছি। এই বেঁচে থাকা আর বেচে না থাকা সমান। আমি................................................................................................................................................................................................ ভেবে কুল কিনারা পাচ্ছি না। কোন অজ্ঞাত জায়গার ঠিকানাও জানা নেই যে আমার মৃত্যুর পর কোন মানুষ্যজাতি যাতে আমার নিতর দেশের সন্ধান যেন না পায়। যদি জানা থাকতো তবে এই মুহুর্তে সেখানে গিয়ে নিজের এই র্ব্যাথ জীবন আর বইতাম না। আর নিজের প্রতি কোন বিশ্বাস নাই। রাষ্ট্র, সামাজিক ও প্রতিবেশী সব কিছু মিলাই এই দেশটিতে লক্ষকোটি মানুষের মাঝে নিজেকে খুব বেমানান লাগছে।এই দেশের যে ব্যবস্থা তাতে আর বেঁচে থাকতে ইচ্ছা করছে না। যে খানে সাধারণ মানুষের মানুষ হিসাবে কোন মূল্য নাই।

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:১২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ আকাশ বলতে কিছু নেই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনেক হয়েছে । আর না ।
সেই পরশু রাত থেকে । এক-দুই-পাঁচ-দশবার নয় । তিরাশিবার ! হ্যাঁ, তিরাশিবার ঈশিতার নাম্বারে ডায়াল করেও কোনো রেসপন্স পায় নি অলক ।
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাঙালীর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার রীতিও বদলে গিয়েছে। অনেক ঐতিহ্য কালের গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রীতি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের এস,এম,ই খাতে উদ্ভাবনের বাধা ও সম্ভাবনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১০



বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাত আজ দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই খাতের অনেক উদ্যোক্তা এখনো উদ্ভাবন বা ইনোভেশন গ্রহণে পিছিয়ে আছেন। গবেষণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোকেয়া পদক ২০২৫: ঘৃণা আর পুরস্কারের এক অদ্ভুত সহাবস্থান

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৭


২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশে অনেক কিছু ঘটেছিল। কিছু আশার, কিছু উত্তেজনার, আর কিছু একেবারে হতবাক করে দেওয়ার মতো। হতবাক করার মতো প্রথমেই যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ- মেঘলা আকাশ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮

তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস
সময় সন্ধ্যা ৭টা বেজে ৪০ মিনিট
জানালা থেকে ঐ বাঁ দিকে Lake Ontario -র জল আর আকাশের মেঘের মেলা মিলেমিশে একাকার


একটু আলোর রেখা
টরোন্টো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×