রেডিওর শব্দ
আর উড়ো বাতাস,খবর
বয়ে এনেছিল-
দেশ স্বাধীনের
বেশী দেরী নেই আর।
এন্টারপ্রাইজ দিক বদলায়।
ওদিকে সোভিয়েত রণতরী সাহস দেয়
-ভয় পেয়োনা,বাংলার স্বাধীনতা এলো বলে।
দিনের বিষণ্ণ আলো নিজেকে সঁপে দেয় আঁধারে
মোমবাতির ম্লান আলো আপ্রাণ চেষ্টা করে
আঁধার ঠেকাতে।
পুরান ঢাকার কুয়েতটুলির বাড়িটিতে
রেডিওর মৃদ শব্দ ব্যাঙ্গ করে
নিস্তব্ধতার বর্বরতাকে।
ঠিক এমন সময়,দরজায় কারা যেন টোকা মারে।
কারা টোকা মারে ?
কোন দেবদূত?
কোন মানব সন্তান?
কিম্বা রণক্লান্ত মুক্তিযোদ্ধাগণ?
হায়,দরজায় দণ্ডায়মান একদল দানব-
আলবদর।
শহীদুল্লা কায়সারকে যখন ঘাতকের
দল টেনে নিয়ে যায়,মৃদ হেসে স্ত্রী এবং বোনকে বলেছিলেন-
ভালো থেকো।
-ভালো থেকো তোমরা
স্বাধীন বাংলার গর্বিত বাসিন্দা
ভালো থেকো মাতা
ভালো থেকো পিতা
ভালো থেকো ভাই
ভালো থেকো বন্ধু
আর বাংলার আপামর জনতা।
১৪ ডিসেম্বর, রাতের উৎকটনির্জন আঁধার,
একে একে হারিয়ে যায়- মুনীর চোধুরী,
শহীদুল্লা কায়সার,
সেলিনা পারভীন।
হারিয়ে যায় এই বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান।
১২/১২/২০১৫
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





