শখ ছিল বুঝি হাটে যাওয়ার
কিশোর বেলা-ইচ্ছা ছিল তার মানুষ দেখিবার।
শিববাড়ি পার হলে ধূ ধূ মাঠ
কার্তিকের প্রান্তে পড়ে থাকা ধানের শরীর
দেয় নবান্নের ডাক-
“আয় আয় কাকবলি
ধান খেয়ে যা”।
এরপর কত জল গড়ে তটিনীর বুকে
কত পলি জমে তার পারে
কত রবি চলে গেলো
ভিটে মাটি ছেড়ে
তবুও যাওয়া হলোনা তার সেই হাটে,-মানুষ দেখিবার ছলে।
আজও কার্তিক আসে
আজও হাটে-বাজারে মানুষের ভীড়ে মিশে যেতে যেতে
ইচ্ছাটি মৃদস্বরে বলে-
মাটির সড়কে আজও কি শোন গান-
বাতাসের,সেই আগের মতন?
আজও কি পাও দেখা-
হারানের-
ধুতিপড়া-
নীচুমাথা,শীর্ণ শরীর ছিল যে তার।
সেইসব দিন ভুলে,আইচান মোল্লার মহিষ ফেলে
-আধুনিকতার মায়াবী খাঁচায় বসে
হৃদয় যে খোঁজ করে-সেই কিশোরের-
সঙ্গী ছিল যার শুধু নিঃসঙ্গতা
রুহীগাঁও
১৩/১১/২০২১
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০২১ রাত ১১:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



