মানুষের মধ্যে খোদাকে সকলে দেখিতে পায় না৷যদিও কুরআনুল হাকিম অসংখ্যবার খোদার মুখমন্ডলের কথা বলিয়াছে তবুও অধিকাংশ মুসলমানের খোদা নিরাকারই রহিয়া গিয়াছে৷তাহারা কোনোদিন চিন্তা করিয়াও দেখে নাই যে কুরআন কেন বারংবার খোদার মুখ-মন্ডলের কথা বলিয়াছে! মনে রাখিতে হইবে তৃতীয় মাত্রাতে সকলই আকার ধারণ করে আর পন্ঞ্চম মাত্রায় সকলই আকার পরিত্যাগ করে৷ নিরাকার স্বত্তার বস্তু ধারণ বুঝিতে চাহিলে পন্ঞ্চম মাত্রা হইতে পর্যবেক্ষন করা জরুরী৷ এক শ্রেনীর আধ্যাত্মিক সাধকগন সর্বদাই তৃতীয় মাত্রায় লটকাইয়া থাকেন; অন্য মানুষের কুৎসা গাহিয়াই তাহারা সময় পায়না, সেই মানুষের অভ্যন্তরে তাহারা খোদা দেখিবে কি রূপে? অথচ সকল মানুষই খোদার সৃষ্টি , খোদা কুরআনে নিশ্চিত করিয়াছেন যে- "সকলকেই খোদাতে প্রত্যাবর্তন করিতে হইবে"৷ সেই মানুষ কানা হউক, লেংড়া হউক, দলিত হউক বা নিকৃষ্ট হউক তাহাকে খোদা হইতে বিচ্যুত করিবার অধিকার খোদা কাউকেই দেন নাই৷
শক্তি মানেই খোদার রঙ, শক্তি তৃতীয় মাত্রায় আসিয়া বস্তু ধারণ করে৷ফলে সংগত কারণে বস্তুও খোদার বিভিন্ন রঙে রন্ঞ্জীত হয়৷ মানুষও তাহার ব্যাতিক্রম নহে; ইহা বুঝিতে পারিলেই তৃতীয় নয়ন খুলিয়া যায়, তখন জগতময় খোদার অপরূপ মুখশ্রী পরীলক্ষিত হয় আর খোদার মুখশ্রী সর্বাধিক প্রকাশিত হইয়াছে শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষের মধ্যে৷ যাহারা কেবলই দেহ কেন্দ্রীক তৃতীয় মাত্রার বস্তু জাগতিক মোহে লটকাইয়া আছে তাহাদের পক্ষে কখনোই খোদার মুখশ্রী দর্শন করা সম্ভব হইবেনা, তৃতীয় মাত্রায় সত্তর হাজার পর্দা দ্বারা তাহাদের বিভ্রান্ত করিয়া দেওয়া হইয়াছে৷
রেফারেন্স- বাক্বারাহ:১১৫, রুম:৩৮
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৬ ভোর ৬:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



