বড় একা হয়ে গেলাম
ভালো, কিন্তু আম্মু তো নেই, সারাক্ষণ মনটা আম্মুর জন্য খারাপ থাকে। কী করব বুঝতে পারছি না। আমরা দুজন ছিলাম একে অন্যের ছায়ার মতো। মা নিজের হাতে আমার মুখে খাবার তুলে দিতেন, আমাকে নিয়ে ঘুমাতেন। বলতে গেলে আম্মুই ছিলেন আমার সব। এখন আম্মু নেই, আমি বড় একা হয়ে গেলাম।
এখন কী করছ?
কিছুই না, আম্মুর জন্য দোয়া করছি। আল্লাহতায়ালা যেন তাকে বেহেশতে রাখেন, সুখে রাখেন। কারণ তিনি তো এখানে অনেক কষ্ট পেয়েছেন। তাছাড়া এই পৃথিবীর জীবনতো লক্ষ্যহীন। আমার বিশ্বাস পরকালের জীবন অনেক সুন্দর। সেখানে অসুখ-বিসুখ, চিন্তা-ভাবনা বা দুঃখ-কষ্ট মানুষকে ছুঁতে পারে না। তাই আমি জানি, আম্মু ওখানে খুবই সুখে আছেন। আম্মুর জন্য আপনারা সবাই দোয়া করবেন, তিনি যেন অনেক ভালো থাকেন।
আম্মুর সঙ্গে শেষবারের মতো কী কথা হয়েছিল?
নশ্বর এ পৃথিবীতে কেউই চিরস্থায়ী নয়। নিষ্ঠুর এই সত্যের পথে হারিয়ে গেলেন অভিনেত্রী দোয়েল। রেখে গেলেন স্বামী সুব্রত ও কন্যা দিঘীকে। সুব্রত বললেন, মৃত্যুর স্বাদ সবাইকে নিতে হবেই- তবে সময়ের আগে চলে যাওয়াটা মেনে নেওয়া যায় না। আর দিঘী জানালেন, মাকে ঘিরে তার স্বপ্ন পূরণের আকাক্সক্ষার কথা। এ প্রসঙ্গে আজ তার সাক্ষাৎকার-
এবার যখন আম্মু আবার অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন তিনি আমার কপালে চুমু দিয়ে বলেছিলেন, তুমি খালামণির বাসায় চলে যাও, আমি সুস্থ হয়ে তোমাকে সেখান থেকে নিয়ে বাসায় ফিরব। কিন্তু আম্মু কথা রাখতে পারলেন না, আমাকে একাই বাসায় ফিরতে হলো।
তিনি আর কী বলেছিলেন?
তিনি আব্বুকে বলেছিলেন, আমি তো চলে যাচ্ছি, তুমি আমার ছেলে-মেয়ে দু'জনকে দেখে রেখ। ওরা যেন কোনো কষ্ট না পায়।
তোমাকে নিয়ে আম্মুর বিশেষ কোনো স্বপ্ন ছিল?
হ্যাঁ, আম্মুর স্বপ্ন ছিল আমি একজন বড় ডাক্তার হব। আমিও চাইতাম ডাক্তার হয়ে আম্মুর চিকিৎসা করে তাকে সারিয়ে তুলব। কিন্তু সেই সুযোগ তো আর পেলাম না। কিন্তু আম্মুর স্বপ্ন আমাকে পূরণ করতেই হবে। তার সব ইচ্ছা পূরণ করবই।
আর অভিনয়?
ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি অভিনয়সহ সবকিছু করে যাব। সবই হবে আম্মুর সুখ ও শান্তির জন্য।
আব্বু ও ভাইয়াকে নিয়ে সময় কেমন কাটছে?
সবার দুঃখ দূর করার চেষ্টা করছি। কারণ সবাই যদি দুঃখ নিয়ে মন খারাপ করে থাকেন তাহলে তো আম্মুর কষ্ট হবে। এই পৃথিবীতে আম্মু অনেক কষ্ট পেয়ে গেছেন। আমি চাই না ওখানে তিনি আর কষ্ট পান।
এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট
সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুঃখ খচিত পতাকা আমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ: ইসলামপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষ, নাকি রাজনৈতিক বাস্তববাদী?
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো—তিনি কি সত্যিই ইসলামপন্থী ছিলেন, নাকি ইসলামকে মূলত রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।
ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।