somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আলোর প্রতি পতঙ্গের আকর্ষণ

১২ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কম বেশি সব কীটঁ পতঙ্গই াালোর প্রতি আকর্ষিত হয়। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিসয় হেলো শুধু পুরুষ পতঙ্গই আলোর দিকে আকর্ষিত হয়। তবে, পতঙ্গরা সবরকম আলোর উৎসের দিকে ্ওকই ভাাবে আকর্ষিত হয় না। অ্যারিস্টটলর সময় থেকে পতঙ্গের আলোর প্রতি আকর্ষণের বিষয়টি গবেষনা শুরু হয়। উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয় বিশ্ববিদ্যায়ের গবেষক এস ডাব্লিও ফ্রস্ট বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা শুরু করেন। পরে ফরাসি পতঙ্গ বিজ্ঞানী এফ এইচ ফেবার বিষয়টি সম্পর্কে যথার্থ ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হন।তার সূত্র মতে,আলোক উৎস থেকে আসা উকটি বিশেষ ধরনের বিকিরণের ফলেই এ ঘটনাটি ঘটে। পরীক্ষার ফলেসমর্থিত হয়েছে যে, আলোক প্রবাহ থেকে নিঃসরিত অবলোহিত আলোক বিচ্ছুরণের ফলেই কীট পতঙ্গ সেদিকে আকর্ষিত হয়। পরীক্ষা করে দেখা গেছে মেয়ে পতঙ্গের পেটে অবস্থিত একটি বিশেষ গ্রন্থি থেকে বিশেষ গন্ধ যুক্ত অনুকণা নিঃসৃত হয়। এই গন্ধকে ফেরোমন বা যৌন গন্ধ বলা হয়। তা থেকে কিছু পরিমাণ অবলোতহত আলোক কণা বিচ্ছুরিত হয়ে কাতাসে ছড়িয়ে পড়ে । পুরুষ পতঙ্গগুলো ্ বিকিরণের গন্ধে আকুল হয়ে মেয়ে পতঙ্গের দিকে ধাবিত হয়। কোনো কোনো পুরুষ আলোর উৎসে স্ত্রী পতঙ্গের উপস্থিতি অনুমান করে আলোক শিখার উপর ঝাপিঁয়ে পড়ে। এভাবেই স্ত্রী পতঙ্গের সন্ধান করতে গিয়ে পুরুস পতঙ্গগুলো আলোক শিখায় পুয়ড় যায়। মোমবাতির আলো যথেষ্ট পরিমান এই ধরনের বিকিরণ থাকলে পুরুষ পতঙ্গরা সেতিকে ছুটে যায়। রাস্তার বৈদু্তিক আলোর উৎসের দিকেও পতঙ্গরা একই কারণে আকর্ষিত হয়। গবেষণায় জানা গেেছ িভন্ন িভন্ন পতঙ্গের ফেরমোন এক ধরনের নয়। এ কারনে সব পতঙ্গ একইবাবে সব ধরনের আলোক উৎসের দিকে ছুটে যায় না। যদি কোনো আলোক উৎসে এই অবলোহিত আলোক রশ্মি বিকিরণ না করে তাহলে পতঙ্গরা সেতিকে ধাবিত হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×