আইভরি কোসটে জাতিসংঘ শানস্নিরক্ষা মিশনে (ওএনইউসিআই) কর্মরত 6 বাংলাদেশী সেনা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এতে গুরুতর আহত হন অন্য 12 জন বাংলাদেশী শানস্নিরক্ষী। শুত্রক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে 11টায় সেনারা আইভরি কোসদ্বের ইয়ামাসুকরো থেকে সড়কপথে রাজধানী আবিদজান যাওয়ার সময় টায়াসলি নামক স্ট্থানে তাদের বহনকারী গাড়ির চালক নিয়ন্পণ হারালে সেটি খাদে পড়ে যায়। এদিনই এই সেনারা বাংলাদেশ থেকে আইভরি কোসদ্ব পেঁৗছেন। আহতদের স্ট্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু'জনের অবস্ট্থা আশগ্ধকাজনক। শনিবার আনস্নঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্টিস্নতে জানায়, নিহতরা হচ্ছেন : ল্যান্স কর্পোরাল এসএম মিরাজ আহমেদ (20 ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি), ল্যান্স কর্পোরাল মোঃ আবদুস সাত্তার (6 ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি), সৈনিক আবদুল হালিম (27 ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি), সৈনিক মোহাল্ফ্মদ কামরুজ্জামান খান (36 এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট আর্টিলারি), সৈনিক মোহাল্ফ্মদ শহীদ মিয়া (32 ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি) ও সৈনিক মোঃ মিজানুর রহমান (24 ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি)।
বাসস, ইউএনবি ও এএফপি জানায়, আফিদ্ধকার দেশ আইভরি কোসদ্বে জাতিসংঘ শানস্নিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের প্রায় 3 হাজার 560 জন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সেখানে জাতিসংঘ মিশন কাজ শুরু করে 2003 সালে। তখন থেকে সেখানে 19 জন জাতিসংঘ সদ্বাফ প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে 13 জন শানস্নিরক্ষী সেনা। আইভরি কোসদ্বের প্রেসিডেন্ট লরা গবাগবোকে উৎখাতের লক্ষ্যে 2002 সালে অভু্যত্থান ঘটানো হয়। কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। এরপর বিদ্রোহীরা দেশের উত্তরাংশে নিয়ন্পণ প্রতিষ্ঠা করে। দক্ষিণাংশ নিয়ন্পণ করছে সরকার। বাংলাদেশী সেনারা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন সরকার নিয়ন্পিত এলাকায়। দেশটিতে জাতিসংঘ মিশনে মোট 7 হাজার সেনা রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশী সেনা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া সেখানে 4 হাজার ফরাসি সেনা মোতায়েন রয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিল্পম্ন দেশে বর্তমানে জাতিসংঘ মিশনে প্রায় 12 হাজার বাংলাদেশী সেনা মোতায়েন রয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০