একটি অবহেলিত অসমাপ্ত সেতুর গল্প
কার্যাদেশ প্রাপ্তির ৩ বছরের মধ্যে ওই কাজ শেষ করার কথা থাকলেও প্রথম ৫ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র শতকরা ৩০ ভাগ। রানিং বিল না পাওয়ায় ২০০৫ সালে তৎকালীন প্রকল্প। বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন ইঞ্জিনিয়ারিং লিঃ-এর কর্মকর্তারা অসমাপ্ত অবস্থায় সেতুর কাজ ফেলে রেখে সাইট গুটিয়ে নিয়ে চলে যান। সড়ক ও জনপথ বিভাগের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সে সময় অনেক চেষ্টা করেও ওই ঠিকাদারকে দিয়ে সেতুর বাকি কাজ শেষ করিয়ে নিতে পারেনি। ফলে গত ৬ বছর থেকে সেতুটি অসমাপ্ত অবস্থায় ওভাবে পড়ে রয়েছে।সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের মেলান্দহ ঘাটে ওই সেতু নির্মাণের কার্যাদেশ দেয়া হয় ২০০০ সালের ১০ এপ্রিল। ১৮৫ মিটার দীর্ঘ ও সাড়ে ৯ মিটার প্রস্থ ওই প্রিস্টেড কংক্রিট গার্ডার ব্রিজের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় তখন ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৯ হাজার টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সে সময় দু'দফায় টাকা ছাড় দেয়া হয় মাত্র দেড় কোটি টাকা। ইতোমধ্যে ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ তুলে আনে প্রায় ৩ কোটি টাকার। তাকে পরিশোধ করা হয় মাত্র ১ কোটি ৪২ লাখ টাকা। ফলে ঠিকাদার হতাশ হয়ে পড়ে। একপর্যায় রানিং বিল না পেয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকে।ইতোমধ্যে সেতু এলাকায় বাঙ্গালী নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়। ফলে সেখানে এসে নদীর গতিপথ কিছুটা পরিবর্তিত এবং তা প্রশস্ত হয়ে পড়ে। ফলে মূল ভূখন্ড থেকে সেতুর বর্তমান অবস্থান কিছুটা দূরত্বে চলে যায়। এই অবস্থায় সেতুর ডিজাইন পরিবর্তন করে আরও একটি স্প্যান সংযোজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ফলে সেতুর স্প্যান সংখ্যা দাঁড়ায় ৬টি। অপর দিকে সেতুর অবকাঠামো বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যয়ের পরিমাণও বেড়ে যায়। ফলে নতুন করে দরপত্র আহবান করা হলে ঢাকার ঠিকাদার ময়েন উদ্দিন বাসু ওই কাজ পায়। সেতুটির অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করণে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় মোট ১৪ কোটি ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। চলতি বছরের ৭ মার্চ ঠিকাদার বাসুকে কার্যাদেশ দেয়া হয় ৩ বছরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ করার জন্য। কিন্তু এরপর দীর্ঘ সাড়ে ৬ মাস পেরিয়ে গেছে। ঠিকাদার টেকনিক্যাল কারণে কাজ হাত নিতে পারেনি।এ সময়ে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে সেতুর পূর্ব পাশে নির্মিত প্রথম গার্ডারে কারিগরি ত্রুটি রয়েছে। ওই অবস্থায় সেতুর কাজ শুরু করলে সেতুটি ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সাইদুর রহমানকে প্রধান করে ৩ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ টীম গঠন করে দেয়া হয়। তারা সেতু নির্মাণে ত্রুটি থাকলে সে ব্যাপারে রিপোর্ট এবং পরামর্শ প্রদান করবেন। কিন্তু ওই তদন্ত টীম এখনও কোন কার্যক্রম শুরু না করায় অসমাপ্ত সেতু সমাপ্ত করণের কাজে হাত দেয়া যাচ্ছে না। কবে নাগাদ ওই সেতুর কাজ শুরু করা যাবে- কেউ তা বলতে পারছে না। ফলে জনগণের ভোগান্তি শুধু বাড়ছেই। মেলান্দহ সেতু এলাকার আব্দুল বাছেদ জানান, ১১ বছর ধরে সেতুটির নির্মাণ কাজ চলছে। কবে নাগাদ এটি শেষ হবে তা জানি না। তবে তাড়াতাড়ি সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে এই পথে চলাচলকারী হাজার হাজার লোকের কষ্ট লাঘব হবে। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের গাইবান্ধা নির্বাহী প্রকৌশলী এম.এম সেলিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিশেষজ্ঞ দলের মতামত পেলেই সেতুর কাজ শুরু করা হবে।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।