somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তেলাপোকা রোমেন
আমি আমার খোলস মাত্র! আমি মানে একজন নষ্ট হয়ে যাওয়া মানুষ, ব্যর্থ প্রেমিক, দারুন একজন পাঠকের অপমৃত্যু, লেখক পরিচয় দিতে লজ্বাবোধ করি। তবে আমার ভেতরে যিনি লেখালেখির চেষ্টা করতেন তিনিও শয্যাশায়ী!।।

তোমাকে…

০২ রা এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১১:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জয়ি,
আজকেও ঘুম আসেনি। আমি আমার রুমের দরজা খোলার সাথে সাথে কোথা থেকে যেন মারাত্বক রকমের হাস্নাহেনার ঘ্রাণ আমার সমস্ত ঘরে ঢুকে পড়ল। তারপর আর ঘুম হয়নি। ঘরভর্তি হাসনাহেনা হাসনাহেনা ঘ্রাণ নিয়ে বসে আছি। একটা জিনিস প্রচণ্ডভাবে টের পাই। আমার ভেতরটা আসলে এখনো অনেক নরম। আমি প্রচণ্ডভাবে সংক্রামিত হতে পছন্দ করি। কাশফুল দেখে আমি অসুখে ভুগি, তোমার সাথে ঝগড়া হলেই জ্বর আসে, প্রচণ্ড ভালোবাসা পেলে গলা ভারী হয়ে আসে, আমার রোদচশমায় দুপুর দেখে বিভ্রান্ত হই, বৃষ্টি পড়লে ছাঁদে যাই। এটা ঠিক না। অনেকটা ইম্যাচুরড ব্যাপারস্যাপার।
ফার্স্ট ইয়ারে থাকাকালীন ঘটনা। হঠাৎ করে প্রচণ্ড বৃষ্টি। সবাই এক ছুটে পালাল। আমি ডিপার্টমেন্ট এর সামনের রাস্তায় ভিজলাম। সমস্ত সবুজ আর প্রচন্ড বৃষ্টি। কেমন যেন একটা হ্যালুসিনেশান। আমার স্পষ্ট মনে পড়ছে। তারপর একটানা ৭ দিন জ্বরে ভুগলাম। বৃষ্টিতে ভেজা নেশার মত হয়ে গেল। মনে আছে ঐ সিজনের কোন বৃষ্টি মিস করিনি। তারপর হলে গিয়ে কাপড়চোপড় চেঞ্জ করতাম। রকির রুমে। ওহ হ্যা। ছেলেটা যে খ্রিষ্টান সেটা টের পেয়েছিলাম অনেক পরে এসে।
ইদানিং আরেকটা নেশায় পড়ে গেছি। বন্ধুর বাসায় গিয়েছিলাম। একটা থ্রিডি গ্লাস আর অনেকগুলো ত্রিমাত্রিক সিনেমা ধরিয়ে দিয়েছে। সিনেমা দেখাটা নেশার মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারারাত কানে হেডফোন আর চোখে ত্রিমাত্রিক সিনেমা দেখার বিশেষ চশমা লাগিয়ে সিনেমা দেখি আর কাপের পর কাপ চা খাই। আমাদের চোখ অবশ্য ত্রিমাত্রিক দেখেনা খুব একটা।

আমার পছন্দ চতুর্মাত্রিক স্থানাঙ্ক। ফোর্থ ডাইমেনশান হচ্ছে সময়। আমার আর তোমার একটা ফোর্থ ডাইমেনশনাল জগৎ আছে। যেখানে স্থান কাল বেঁকে যাচ্ছে ক্রমশই… আমাদের আন্তঃনাক্ষত্রিক ছায়াপথগুলো একটি বিস্ফোরণ থেকে প্রাপ্ত বেগের কারণে পরস্পর থেকে দূরে……বহুদূরে… শূন্যের মধ্যে ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে…
এই মুহুর্তে আমার সময়কে অস্বীকার করা উচিৎ। না?

-রি।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১১:৩৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×